• বিনোদন

    গানে ক্যারিয়ার গড়তে মেঝেতেও ঘুমিয়েছেন সঞ্জয়

      প্রতিনিধি 3 August 2026 , 4:01:49 প্রিন্ট সংস্করণ

    ছবি: সংগৃহীত
    ছবি: সংগৃহীত
    বিজ্ঞাপন
    Main Banner Ads For Captains TV

    ২০২৬ সালের ফিফা বিশ্বকাপের উদ্বোধনী মঞ্চে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করে ব্যাপক প্রশংসা কুড়ানো বাংলাদেশের সংগীত প্রযোজক ও গায়ক সঞ্জয় দেব তুলে ধরলেন তার সাফল্যের পেছনের কঠিন সংগ্রামের কথা।

    সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে সঞ্জয় বলেন, সংগীতজীবনের পথ মোটেও সহজ ছিল না। এমনকি জীবনের এক সময় বাড়িভাড়া দেওয়ার মতো টাকাও তার হাতে ছিল না।

    ‘অবশ্যই নানা বাধার মুখোমুখি হতে হয়েছে,’ বলেন তিনি।

    ‘যখন শুরু করি, তখন সংগীত প্রযোজনার বিষয়ে আমার জ্ঞান খুবই সীমিত ছিল। খুবই খারাপ মানের গান বানাতাম। বন্ধুরা বিরক্ত হতো। এমনকি মা–বাবাও বলতেন, “তুমি এসব কী বানাচ্ছ?” তারপরও তারা আমাকে উৎসাহ দিয়েছেন। এসব মন্তব্য আমাকে কখনো থামাতে পারেনি, কারণ আমি গান তৈরি করতে ভীষণ ভালোবাসতাম।’

    সঞ্জয় বলেন, সংগীতই তার জীবনের সবচেয়ে বড় ভালোবাসা।

    ‘গানের মতো আর কিছুই আমাকে টানত না। গেম খেলা বা অন্য অনেক বিষয়ে আমার আগ্রহ ছিল না। ফুটবলের শিল্পসৌন্দর্য আর কৌশল আমার ভালো লাগে, বিশেষ করে বিশ্বকাপের সময়। গত বিশ্বকাপে প্রায় সব ম্যাচই দেখেছি। কিন্তু আমি বুঝেছি, আমার কাছে গানের চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আর কিছু নেই।’

    বিজ্ঞাপন

    তবে জীবনের কঠিন সময়গুলোই তাকে আরও দৃঢ় করেছে বলে মনে করেন সঞ্জয়। নিজের সংগ্রামের জীবন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘গানের জন্য অনেক অদ্ভুত ও কঠিন অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছে। কিন্তু কখনো হাল ছেড়ে দেওয়ার কথা ভাবিনি। আমি বিশ্বাস করি, গান এমন একটি সার্বজনীন ভাষা, যা মানুষকে একত্র করে। অর্থবহ কিছু কাজ রেখে যাওয়াই সব সময় আমার সবচেয়ে বড় প্রেরণা ছিল। এই মানসিকতা আমি পরিবার থেকেই পেয়েছি। মা–বাবা, দাদি ও দাদা- কেউই আমাকে কখনো হাল ছেড়ে দিতে শেখাননি।’

    জীবনের সবচেয়ে কঠিন সময়গুলোর একটি স্মরণ করে এই সংগীতশিল্পী জানান, সিলিকন ভ্যালি থেকে লস অ্যাঞ্জেলেসে যাওয়ার পর তিনি তীব্র আর্থিক সংকটে পড়েছিলেন।

    ‘লস অ্যাঞ্জেলেসে যাওয়ার পর আমার কাছে বাড়িভাড়া দেওয়ার মতো টাকাও ছিল না। মা–বাবা এ কথা জানতেন না। ওই অ্যাপার্টমেন্টে শেষ পাঁচ বছর আমি মেঝেতে ঘুমিয়েছি, যাতে কয়েক শ ডলার সাশ্রয় করতে পারি। সেই টাকাই গান তৈরিতে বিনিয়োগ করতাম।’

    জীবনধারণের জন্য তিনি নিজের তৈরি গানের সুর ১০০ থেকে ১৫০ ডলারে বিক্রি করতেন বলেও জানান।

    ‘যা করার দরকার ছিল, সবই করেছি। এখন পেছনে ফিরে তাকালে পুরো যাত্রাটাই অবিশ্বাস্য মনে হয়। তখনও গান ভালোবাসতাম, আজও ঠিক একই রকম ভালোবাসি।’

    নোরা ফাতেহির সঙ্গে ফিফা বিশ্বকাপের গানে কাজ করার মাধ্যমে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে পরিচিতি পান সঞ্জয় দেব। পরে এই জুটি ‘চ্যাম্পিয়ন’ শিরোনামে আরেকটি গান প্রকাশ করেন। গানটির কথা লিখেছেন, সুর করেছেন এবং সংগীত পরিচালনা করেছেন সঞ্জয় দেব।

    আরও খবর

    Sponsered content

    বিজ্ঞাপন
    সর্বশেষ সংবাদ
    4:01 PM গানে ক্যারিয়ার গড়তে মেঝেতেও ঘুমিয়েছেন সঞ্জয় 3:35 PM ভারতের টেস্ট দলে কাশ্মিরের পেসার আকিব নবি 12:17 PM খেলোয়াড় সংকটে বাতিল হলো বার্সেলোনার ম্যাচ 12:00 PM দুই এজেন্টের লড়াইয়ে আটকে রিয়ালের নতুন তারকার ঘোষণা 11:44 AM সাঁতরে স্পেনে যেতে গিয়ে প্রাণ হারালেন মরক্কোর নারী ফুটবলার 11:12 AM ইনফান্তিনোকে সরাতে ফিফা কাউন্সিলেই বিদ্রোহ 5:59 PM ঢাকা ছাড়ার আগে ফুচকার স্বাদ নিতে চান মধুমিতা 5:03 PM বিয়ের পিঁড়িতে বসছেন রোনালদো 4:35 PM ‘ইংল্যান্ডকে হারানোর দিনই আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপ জেতা হয়ে গেছে’ 4:11 PM রিকার্ভ মিক্সড টিম ইভেন্টে শিমুর সোনা জয়