
প্রতিনিধি 29 October 2026 , 11:43:54 প্রিন্ট সংস্করণ
ক্রিজে একমাত্র স্বীকৃত ব্যাটার লিটন কুমার দাস। তবুও বারবারই ওভারের শুরুতে সিঙ্গেল রান নিয়ে নন-স্ট্রাইক প্রান্ত বেছে নিচ্ছিলেন তিনি। ফল যা হওয়ার তাই হলো, স্ট্রাইকে যাওয়া সতীর্থরা একে একে ফেরার পর বাংলাদেশ প্রথম ইনিংসে ২৭২ রানে গুটিয়ে গেছে। টেল-এন্ডার চার সতীর্থকে বিদায় নিতে দেখা লিটন অপরাজিত ছিলেন ৩৪ রানে।
প্রথম দিনের স্বস্তি টিকল না এক সেশনও। নতুন সকালে হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ল বাংলাদেশের ব্যাটিং লাইনআপ। জোমেল ওয়ারিকানের বাঁহাতি স্পিনে কুপোকাত হয়ে তিনশও করতে পারল না বাংলাদেশ। ২৭২ রানে গুটিয়ে গেল স্বাগতিকরা।
মিরপুর শের-ই বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে বৃহস্পতিবার প্রথম সেশনে মাত্র ৫১ রানের মধ্যে বাকি থাকা ৭ উইকেট হারিয়েছে বাংলাদেশ। বাঁহাতি স্পিনে ৫৩ রানে ৫ উইকেট নিয়েছেন ওয়ারিকান। টেস্ট ক্যারিয়ারে এটি তার চতুর্থ ৫ উইকেট।

নতুন দিনে শুরুটা ছিল আনন্দময়। দিনের দ্বিতীয় বলেই আগের দিনের অপেক্ষা ঘুচিয়ে ক্যারিয়ারের তৃতীয় সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন সাদমান ইসলাম। তবে এরপর আর বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি বাঁহাতি ওপেনার।
অভিষিক্ত বাঁহাতি স্পিনার জশুয়া বিশপের বলে এলবিডব্লিউ হয়ে ফেরেন ২৩৪ বলে ১১ চারে ১০৫ রান করা সাদমান।
এরপর ব্যাটিংয়ে নামেন আগের দিন ৪২ রানে চোট পেয়ে উঠে যাওয়া তাওহিদ হৃদয়। আর এক রানও যোগ করতে পারেননি। বিশপের বলে অহেতুক বড় শট খেলতে গিয়ে বোল্ড হন তিনি।

ষষ্ঠ উইকেটে চাপ সামাল দেওয়ার চেষ্টা করেন লিটন কুমার দাস ও মেহেদী হাসান মিরাজ। দুজন মিলে যোগ করেন ৩২ রান। এরপর শুরু জোমেল ওয়ারিকানের জাদু। আর্ম ডেলিভারিতে বোল্ড হয়ে ফেরেন ১৫ রান করা মিরাজ।
সেখান থেকে নামে ধস। সব মিলিয়ে মাত্র ১৯ রানে শেষ ৫ উইকেট হারিয়ে ফেলে বাংলাদেশ। হাসান মাহমুদ ও নাঈম হাসানকে ফেরান শামার জোসেফ। আর পরপর দুই বলে তাইজুল ইসলাম ও শরিফুল ইসলামকে আউট করেন ওয়ারিকান।
৪ চারে ৮৮ বলে ৩৪ রানে অপরাজিত থাকেন লিটন। সব মিলিয়ে দ্বিতীয় দিন মাত্র ৫৯ রান যোগ করতে পারে বাংলাদেশ।