
প্রতিনিধি 4 October 2026 , 6:58:21 প্রিন্ট সংস্করণ
জাতীয় ক্রিকেট লিগের প্রথম রাউন্ডের দ্বিতীয় দিনে সেঞ্চুরির দেখা পেয়েছেন মাহমুদুল হাসান জয়। সেঞ্চুরির পথে হাঁটছেন তারই সতীর্থ সাদিকুর রহমান। এদিকে ৫ উইকেটের দেখা পেয়েছেন বরিশালের পেসার রুয়েল ইসলাম। খুলনায় দেখা মিলেছে ১৭ উইকেটের। যেখানে ফলো অনে পড়েছে বরিশাল বিভাগ।
ঢাকা–রংপুর
মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে রংপুর ও ঢাকা বিভাগের খেলায় এগিয়ে আছে রংপুর। রংপুরের করা ৩৪০ রানের জবাব দিতে নেমে ঢাকা ১২০ রান তুলতেই হারিয়েছে ৬ উইকেট। ওপেনার নাঈম শেখ গোল্ডেন ডাক মেরেছে। আশিকুর রহমান শিবলি আউট হন ৫ রানে।
আনিসুলকে নিয়ে হাল ধরার চেষ্টা করছিলেন মার্শাল আইয়ুব। কিন্তু বেশিদূর যায়নি তাদের জুটি। আনিসুল ২০ এবং মার্শাল ৩৪ রানে ফেরেন সাজঘরে। এরপর তাইবুরের ৩২ রানে কিছুটা লড়াই করে ঢাকা। এখন তারা তার ব্যাটের দিকেই তাকিয়ে থাকবে। ফলোঅন এড়াতে এখনো ৭০ রান করতে হবে তাদেরকে।
খুলনা-বরিশাল
এদিকে খুলনার বিপক্ষে ফলো অনে পড়েছে বরিশাল বিভাগ। নিজেদের মাঠে খুলনা ৪২৬ রান করে। জবাব দিতে নেমে বরিশাল প্রথম ইনিংসে ৯৪ রানে গুটিয়ে যায়। দ্বিতীয় ইনিংসেও তাদের ব্যাটিংয়ের শুরু ভালো হয়নি। ২ উইকেটে ৪৩ রান তুলে দিন শেষ করেছে। এখনও তারা ২৮৯ রানে পিছিয়ে।
৫ উইকেটে ৩২৮ রানে রোববার দ্বিতীয় দিনের খেলা শুরু করে খুলনা। ৯৮ রান যোগ করে অলআউট হয় খুলনা। আগের দিনের অপরাজিত ব্যাটসম্যান আফিফ ফিফটির দেখা পান। কিন্তু ওখানেই থেমে যান তিনি। শেষ দিকে সফর আলী ২৯ ও আব্দুল হালিম ২১ রান করলে খুলনার রান চারশ পেরিয়ে যায়। বল হাতে বরিশালের হয়ে ৮০ রানে ৫ উইকেট নেন রুয়েল মিশা।
জবাব দিতে নেমে বরিশালের ব্যাটিং ছিল ছন্নছাড়া। দলের তিন ব্যাটসম্যান কেবল দুই অঙ্কের ঘরে যেতে পারে। জওয়াদ আবরার ১৪, ইফতেখার হোসেন ৪৪ ও শহীদুল ১০ রান করেন। বাকিরা সিঙ্গেল ডিজিটেই আউট।
বোলিংয়ে মেহেদী হাসান রানা ও শেখ পারভেজ জীবন ৩টি উইকেট নেন। এরপর দ্বিতীয় ইনিংসে জওয়াদ ও আবরার আউন হন। রাফসান ২৬ ও সালামান ১৩ রানে অপরাজিত আছেন।
সব মিলিয়ে খুলনায় ১৭ উইকেটের দিন দেখল।
সিলেট–ময়মনসিংহ
ময়মনসিংহের করা ৩১১ রানের জবাব দিতে নেমে দ্বিতীয় দিনের খেলা শেষে ভালো অবস্থানে সিলেট। ঘরের মাঠে ৫ উইকেটে ২৩৬ রান তুলেছে সিলেট। হাতে ৫ উইকেট রেখে ৭৫ রানে পিছিয়ে তারা। সিলেটের হয়ে ওপেনার জাকির হাসান ৬০ রান করে আসাদুল্লাহ গালিবের বলে আউট হন।
এছাড়া সৈকত আলী ৪১ এবং আল গালিব ৫৫ রান করেন। তারা প্রথম ইনিংসে লিড নিতে পারে কিনা সেটাই দেখার। এর আগে ময়মনসিংহ বিভাগ ৭ উইকেটে ২৭৩ রান নিয়ে দ্বিতীয় দিনের খেলা শুরু করে। ফিফটি ছোঁয়া আবু হায়দার রনির ব্যাট থেকে আসে ৫৮ রান। তাতে দলের রান তিনশ পেরিয়ে যায়।
চট্টগ্রাম–রাজশাহী
৬ উইকেটে ২৯০ রানে দিনের খেলা শুরু করে রাজশাহী। শেষ ৪ উইকেটে আজ ৭৪ রান যোগ করে অলআউট হয় তারা। সানাজমুল ইসলাম ৩৯, নিহাদুজ্জামান ২৭ রান করে দলের স্কোর বড় করতে অবদান রাখেন। এছাড়া শাকির হোসেন শুভ্র করেন ৩৪ রান।
বল হাতে চট্টগ্রাম বিভাগের হয়ে হাসান মুরাদ নেন ৪ উইকেট। ৩ উইকেট পেয়েছেন এনামুল হক আশিক।
জবাব দিতে নেমে মাহমুদুল হাসান জয় ও সাদিকুর রহমানের জমাট জুটিতে দল এগিয়ে যায়। জয়ের ব্যাট থেকে আসে লিগের প্রথম সেঞ্চুরি। ১০২ রানে অপরাজিত আছেন তিনি। তার পথেই হাঁটছেন সাদিকুর রহমান। ৮৬ রান করেছেন তিনি। দুজনের উদ্বোধনী জুটিতে এসেছে ১৯০ রান। হাতে ১০ উইকেট রেখে চট্টগ্রাম প্রথম ইনিংসে পিছিয়ে ১৭৪ রানে।