
প্রতিনিধি 27 September 2026 , 5:41:03 প্রিন্ট সংস্করণ
এশিয়ান গেমসে ইতিহাস গড়েছেন জাপানের ১১ বছর বয়সী ইস্পোর্টস খেলোয়াড় ইউকি কুরিহারা।রোববার তার ছবি জাপানের বিভিন্ন সংবাদপত্রের প্রথম পাতায় প্রকাশিত হয়েছে।
নাগোয়ায় ঘরের মাঠে প্রায় তিন গুণ বয়সী প্রতিদ্বন্দ্বীদের হারিয়ে স্বর্ণপদক জেতেন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এই শিক্ষার্থী।পাজো পাজো চ্যাম্পিয়নসের ফাইনালে কুরিহারা ১০-২ ব্যবধানে জয় পান। এটি একটি পাজল গেম। একই রঙের বল সাজিয়ে সেগুলো সরিয়ে স্ক্রিন খালি করতে হয়।
এই জয়ে এশিয়ান গেমসের ইতিহাসে সর্বকনিষ্ঠ স্বর্ণপদকজয়ী হন কুরিহারা। জাপানও পায় নতুন ক্রীড়া তারকা।জাপানের স্পোর্টস হোচি পত্রিকার শিরোনাম ছিল, ‘১১ বছর বয়সেই স্বর্ণ!’ ফাইনালে তার ‘অলৌকিক ১৫-চেইন কম্বো’র কথাও প্রতিবেদনে তুলে ধরা হয়।
আগামী জুনে ১২ বছরে পা দেবেন কুরিহারা। এশিয়ান গেমসের ইতিহাসে তিনিই জাপানের সর্বকনিষ্ঠ অ্যাথলেট।প্রতিযোগিতার আগে ইলিশ মাছ খেতে পছন্দ করেন কুরিহারা। তার স্বপ্ন ট্রেন চালক হওয়া।
শনিবার স্বর্ণ জয়ের পর নিজের অনুভূতি জানিয়ে কুরিহারা বলেন, ‘আমি বিব্রত বোধ করেছি।’ পদকটি তার কাছে ‘সত্যিই সুন্দর, ঝকঝকে ও ভারী’ বলেও জানান তিনি।পুরো প্রতিযোগিতায় শান্ত ছিলেন কুরিহারা। জয় নিশ্চিত হওয়ার পরও তার মধ্যে তেমন আবেগ দেখা যায়নি।
স্পোর্টস নিপ্পন লিখেছে, ‘অপরাজেয় পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী এশিয়ার শীর্ষে পৌঁছে গেছে।’ ম্যাচ শুরুর আগে তিনি হাই তুলেছিলেন বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।
ফাইনালে ১-০ গোলে পিছিয়ে পড়েও ঘুরে দাঁড়িয়ে জয় পান কুরিহারা। তার পারফরম্যান্সকে ‘অলৌকিক’ বলে প্রশংসা করেছে পত্রিকাটি।ইস্পোর্টসে এশিয়ান গেমসে এটি জাপানের প্রথম স্বর্ণপদক।
প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রথম শ্রেণিতে পড়ার সময় পাজো পাজো খেলা শুরু করেন কুরিহারা। এরপর বিভিন্ন টুর্নামেন্টে অংশ নিয়ে জয় পেতে থাকেন।চলতি বছরের এপ্রিলে পেশাদার লাইসেন্স পান তিনি। এরপর নিয়মিত প্রাপ্তবয়স্ক খেলোয়াড়দেরও হারাচ্ছেন।
এশিয়ান গেমসের পুরস্কারের অর্থ কীভাবে খরচ করবেন জানতে চাইলে কুরিহারা বলেন, ‘আমি ঝকঝকে জিনিস পছন্দ করি। তাই কিছু রত্ন কিনতে চাই। আমার নীল রঙের রত্ন পছন্দ।’