
প্রতিনিধি 22 September 2026 , 3:07:04 প্রিন্ট সংস্করণ
এনসিএলের লাল বলের টুর্নামেন্ট মাঠে গড়াতে যাচ্ছে আগামী ৩ অক্টোবর থেকে। তার আগে আজ মঙ্গলবার প্রথম ধাপে ৪ দলের ফিটনেস টেস্ট অনুষ্ঠিত হয়েছে। যেখানে ঢাকা, রাজশাহী, খুলনা ও ময়মনসিংহের ক্রিকেটাররা অংশ নিয়েছেন। খোঁজ নিয়ে জানা গিয়েছে, প্রথম দিনে ফিটনেস পরীক্ষায় ফেল করেছেন দশের অধিক ক্রিকেটার।
তবে যারা ফেল করেছেন তারা আবারো সুযোগ পাবেন পরীক্ষা দেওয়ার। ট্রেনার ইফতেখার ইফতি বলছিলেন, ‘কেউ যদি ফেল করে বা অসুস্থ থাকতে পারে এক্ষেত্রে ১০ দিন পর আমরা আরেকটা টেস্ট নিব। যদি তারপরেও তারা ব্যর্থ হয়, আরও ১০ দিন পর আমরা আরেকটা টেস্ট নিব।’
‘যারা ফেল করবে তাদেরকে আমরা খুব বেশি মনোযোগ দেবো ফিটনেসে। তাদের দায়িত্ব আমরাই কিছুটা নেবো। ফেল করলে শেষ পর্যন্ত কোথাও যাওয়ার সুযোগ নেই। তাকে পাস করানোর ব্যবস্থা করব। সেই ক্ষেত্রে তার ফিটনেসের পরিমাণ বাড়বে, দক্ষতা বাড়বে। এক্ষেত্রে এনসিএলে খেলতে পারবে পারবে কি না, বোর্ডের সিদ্ধান্ত।’

এবার পাস ফেলের মানদণ্ড নিয়ে ইফতি বলেন, ‘এবার মানদণ্ড আমাদের ঠিক করা হয়েছে ৭.২০ একটা গ্রুপের জন্য। ফাস্ট বোলারদের জন্য ৭… পেসারদের জন্য করা হয়েছে ৭.২০। আস্তে আস্তে হয়তো আমরা কমিয়ে নিয়ে আসব।’
ক্রিকেটারদের খাবার সচেতনতা নিয়ে এই ট্রেনার বলেন, ‘ক্রিকেটাররা সবসময় সচেতন। কিন্তু সাধারণত কি হয়, ওরা ভুল দিকনির্দেশনা পেয়ে যায় মাঝে মাঝে। যেমন খেলতে খেলতে প্লেয়াররা ক্লান্ত হয়ে যায়, ফিটনেস খারাপ হয়। আর এর মধ্যে আছে আমাদের খাবারের অভ্যাস। ওরা যখন বাইরে খেলতে যায়, তখন খাবারের অভ্যাসটা পুরোপুরি মেনে চলে না।’
জাতীয় দলের ক্রিকেটারদের ফিটনেস নিয়ে অবশ্য খুশি এই বিসিবির ট্রেনার, ‘খালি চোখে আমি উন্নতি দেখেছি। তবে ওদের যে খাবারের অভ্যাস, প্রশিক্ষণের পরিকল্পনা, ট্রেনারের সাথে যুক্ত থাকা এসব জায়গায় যদি কাজ করে, আমরা আরও ভালো অনুভব করব, ভালো ফলাফল আসবে।’