...
  • আন্তর্জাতিক

    ইরানে হামলায় সৌদি আরবও জড়িত: ওয়াশিংটন পোস্ট

      প্রতিনিধি 1 March 2026 , 1:50:29 প্রিন্ট সংস্করণ

    ছবি : সংগৃহীত
    ছবি : সংগৃহীত
    বিজ্ঞাপন
    Main Banner Ads For Captains TV

    ইরানের বিরুদ্ধে অপারেশন এপিক ফিউরি শুরুর আগে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে চাপ প্রয়োগে জড়িত ছিল ইসরায়েল এবং সৌদি আরব। ওয়াশিংটন পোস্টের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কয়েক সপ্তাহ ধরে ইসরায়েল ও সৌদি আরব ট্রাম্পকে ইরানে হামলার পক্ষে প্রভাবিত করেছিল।

    প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু প্রকাশ্যভাবে হামলার পক্ষে অবস্থান নেন। অন্যদিকে সৌদি আরবের ভূমিকা ছিল কিছুটা জটিল। সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান এক মাসের মধ্যে একাধিকবার ট্রাম্পের সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ করেন এবং হামলার পক্ষে মত দেন। যদিও প্রকাশ্যে তিনি কূটনৈতিক সমাধানের পক্ষে বক্তব্য দিয়েছেন।

    ওয়াশিংটন পোস্ট জানায়, সৌদি আরব জানিয়েছিল যে, ইরানে হামলা হলেও সৌদি ভূখণ্ড ব্যবহার করা যাবে না। তবে সালমান মার্কিন কর্মকর্তাদের সতর্ক করেছেন যে, দ্রুত পদক্ষেপ না নিলে ইরান আরও শক্তিশালী ও বিপজ্জনক হয়ে উঠবে।

    প্রতিবেদনে ট্রাম্পের বক্তব্যও তুলে ধরা হয়েছে। তিনি বলেন, দুটি কারণে তিনি অপারেশন এপিক ফিউরি চালু করেছেন। প্রথমত, জেনেভায় যুক্তরাষ্ট্র-ইরান পারমাণবিক আলোচনা ভেঙে গেছে। দ্বিতীয়ত, পূর্ববর্তী হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত ইরানের পারমাণবিক স্থাপনা পুনর্গঠনের চেষ্টা শুরু হয়েছিল।

    বিজ্ঞাপন

    ট্রাম্প দাবি করেন, ইরানিরা কখনও এগিয়ে আসে, আবার সরে যায়। এতে বোঝা যায়, তারা আসলে কোনো চুক্তি চায় না। তিনি আরও জানিয়েছেন, গত ২৫ বছরে বিশ্বজুড়ে ইরান-সম্পর্কিত হামলার একটি তালিকা তৈরি করতে তিনি নির্দেশ দিয়েছেন এবং দেখেছেন, প্রায় প্রতি মাসে তারা কোনো না কোনো সহিংস ঘটনায় জড়িত ছিল।

    বিশ্লেষকরা বলছেন, ইসরায়েল ও সৌদি আরবের চাপই ট্রাম্পকে এধরনের সামরিক পদক্ষেপ নিতে প্রভাবিত করেছে। এটি মধ্যপ্রাচ্যে নতুন রাজনৈতিক ও সামরিক সংযোগকে শক্তিশালী করেছে। তাছাড়া, এমন ঘনিষ্ঠ সমন্বয় ইরানের ওপর আন্তর্জাতিকভাবে চাপ বাড়াতে একটি কৌশলগত পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

    এ প্রসঙ্গে ওয়াশিংটন পোস্টের প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, ট্রাম্পের নেতৃত্বে অপারেশন এপিক ফিউরি ইরানের পারমাণবিক স্থাপনা এবং সামরিক ক্ষমতা লক্ষ্য করে পরিচালিত হয়েছে। এই হামলা মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চলের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা এবং আন্তর্জাতিক নিরাপত্তার ওপর গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে।

    সাম্প্রতিক ঘটনায় ইরান-যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল-সৌদি আরবের মধ্যকার সম্পর্ক এক নতুন মোড় নিয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই সমন্বয় মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা আরও বাড়িয়ে তুলতে পারে এবং আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক সমাধানের প্রয়োজনীয়তা আরও জোরালো করছে।

    আরও খবর

    Sponsered content

    বিজ্ঞাপন
    সর্বশেষ সংবাদ
    12:17 PM পুতিনকে জেলেনস্কির খোলাচিঠি, মুখোমুখি আলোচনায় বসার প্রস্তাব 11:58 AM স্পেনকে রুখে দিল ইরাক 11:47 AM আইভরি কোস্টের কাছে হেরে ধাক্কা খেল ফ্রান্স 11:27 AM দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে পদ্মায় পড়ে গেছে বাস 6:22 PM ৬১ বছর বয়সে তৃতীয়বার বিয়ের পিঁড়িতে বসবেন আমির 5:56 PM বোলিং কোচের দায়িত্ব ছাড়লেন টেইট 4:40 PM তীব্র গরমে হুমকির মুখে জনজীবন 4:30 PM হাদি ইস্যুতে মমতার বিরুদ্ধে এফআইআর 2:40 PM জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে নির্বাচিত হলো নতুন ৫ দেশ 2:09 PM প্রীতি ম্যাচে নেদারল্যান্ডকে হারালো আলজেরিয়া
    Seraphinite AcceleratorOptimized by Seraphinite Accelerator
    Turns on site high speed to be attractive for people and search engines.