...
  • আন্তর্জাতিক

    ‘পূর্ণ মাত্রার নৃশংসতা’: ইরানে বিদেশি মদদপুষ্ট দাঙ্গায় ৩ হাজার ১১৭ জন নিহত

      প্রতিনিধি 22 January 2026 , 11:25:24 প্রিন্ট সংস্করণ

    ছবি: সংগৃহীত।
    ছবি: সংগৃহীত।
    বিজ্ঞাপন
    Main Banner Ads For Captains TV

    ইরানের জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদ দেশজুড়ে সাম্প্রতিক বিদেশি-সমর্থিত সন্ত্রাসী দাঙ্গা নিয়ে একটি বিস্তারিত প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। প্রতিবেদনে অভিযোগ করা হয়েছে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের নেতৃত্বে পরিচালিত “পূর্ণ মাত্রার নৃশংসতায়” নারী-শিশুসহ নিরীহ বেসামরিক নাগরিক এবং নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য মিলিয়ে অন্তত ৩,১১৭ জন নিহত হয়েছেন।

    প্রতিবেদন অনুযায়ী, এর মধ্যে ২,৪২৭ জন শহীদ হয়েছেন পরিকল্পিত সহিংস হামলায়, আর পরবর্তী সংঘর্ষ ও অস্থিতিশীল পরিস্থিতিতে আরও ৬৯০ জন প্রাণ হারান।

    নিরাপত্তা পরিষদের তথ্যে বলা হয়, চলতি বছরের ৮ ও ৯ জানুয়ারি সহিংসতার মাত্রা সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছায়। এই দুই দিনে ইরানি জনগণের বিরুদ্ধে নজিরবিহীন বর্বরতা চালানো হয়। পরিষদের কাছে থাকা নথি অনুযায়ী, বিদেশি শক্তির প্রত্যক্ষ মদদে সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলো দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে সমন্বিত হামলা চালায়।

    প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, দাঙ্গাকারীরা তথাকথিত “দায়েশ-ধাঁচের অপরাধে” জড়িত ছিল-যার মধ্যে শিরশ্ছেদ, ছুরিকাঘাত এবং জীবন্ত মানুষকে পুড়িয়ে হত্যার মতো ভয়াবহ ঘটনা রয়েছে। হামলার লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয় বাজার, দোকানপাট, ব্যাংক, মসজিদ, হাসপাতাল, অ্যাম্বুলেন্স, ফায়ার স্টেশন, ক্লিনিকসহ গুরুত্বপূর্ণ সরকারি ও বেসরকারি স্থাপনা।

    বিজ্ঞাপন

    নিরাপত্তা পরিষদ জানায়, প্রাথমিকভাবে অর্থনৈতিক সমস্যাকে কেন্দ্র করে ব্যবসায়ী ও বাণিজ্যিক গোষ্ঠীগুলোর শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ থেকে এই ঘটনাগুলোর সূচনা হয়। সে সময় রাষ্ট্রপতি মাসুদ পেজেশকিয়ান নিজে প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করে তাদের অভিযোগ শোনেন এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সর্বোচ্চ সংযম প্রদর্শনের নির্দেশ দেন।

    তবে প্রতিবেদনে বলা হয়, শান্তিপূর্ণ সমাধান ব্যাহত করতে পরিকল্পিতভাবে সংগঠিত বিশৃঙ্খলা সৃষ্টিকারী গোষ্ঠীগুলো হস্তক্ষেপ করে। তারা পরিস্থিতিকে সহিংস রূপ দিয়ে শহরগুলোকে অস্থিতিশীল করতে সশস্ত্র হামলা চালায়, যার ফলে ব্যাপক প্রাণহানি ও সম্পদের ক্ষয়ক্ষতি ঘটে।

    সামাজিক সংহতিকে লক্ষ্য করে ষড়যন্ত্র

    গোয়েন্দা তথ্যের বরাত দিয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই সহিংস অভিযানটি গত বছরের জুনে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের তথাকথিত “১২ দিনের যুদ্ধ”-এ ব্যর্থতার সরাসরি প্রতিক্রিয়া। সামরিক আগ্রাসনের মাধ্যমে ইরানের মনোবল ভাঙা সম্ভব নয় বুঝতে পেরে, তারা দেশের সামাজিক ঐক্য ও সংহতিকে লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করেছে বলে দাবি করা হয়েছে।

    প্রতিবেদনে বলা হয়, “শত্রুরা উপলব্ধি করেছে যে সামরিক শক্তি দিয়ে ইরানি জাতিকে আত্মসমর্পণে বাধ্য করা যাবে না। তাই তারা জাতির সম্মিলিত ইচ্ছাশক্তি ভাঙতে সামাজিক অখণ্ডতার ওপর আঘাত হানছে।”

    এই ষড়যন্ত্র ব্যর্থ হওয়ার পেছনে ইসলামী বিপ্লবের নেতা আয়াতুল্লাহ সাইয়্যেদ আলী খামেনেইয়ের বিচক্ষণ নেতৃত্ব, নিরাপত্তা বাহিনীর আত্মত্যাগ এবং ঐতিহাসিক “১২ জানুয়ারির গণজাগরণ”-কে কৃতিত্ব দিয়েছে নিরাপত্তা পরিষদ। ওই দিন লক্ষ লক্ষ ইরানি সহিংসতার বিরুদ্ধে রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ জানান।

    প্রতিবেদনের শেষাংশে উল্লেখ করা হয়, বর্তমানে দেশে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ফিরে এসেছে এবং ইরানি জনগণের জাতীয় ঐক্য আবারও দেশবিরোধী শক্তিগুলোর চক্রান্ত ব্যর্থ করে দিয়েছে।

    আরও খবর

    Sponsered content

    বিজ্ঞাপন
    সর্বশেষ সংবাদ
    5:10 PM ১৫ বছরেই জাতীয় দলে বৈভব সূর্যবংশী, ইতিহাসের হাতছানি 4:58 PM নতুন সরকারের প্রথম বাজেট অধিবেশন বসছে রোববার 4:46 PM সোহিনীর মা হওয়ার গুঞ্জনে সরগরম নেটদুনিয়া 4:17 PM আর্জেন্টিনা-হন্ডুরাস ম্যাচ যেভাবে দেখা যাবে 3:42 PM ‘কাট’ বলার পরও ছাড়েননি অভিনেতা, হেনস্তার অভিযোগ আনলেন নায়িকা 3:32 PM জন্ম এক দেশে, খেলছেন অন্য দেশের হয়ে 3:27 PM আইসিসির প্রতিনিধিদের বাংলাদেশ সফর নিয়ে মুখ খুললেন তামিম 2:01 PM ফুটবল ইতিহাসে অনেক আগেই আমার জায়গা পাকা হয়ে গেছে: নেইমার 1:41 PM মেয়েদের সাফ ফুটবল নিয়ে আশাবাদী যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী 12:46 PM দুই ম্যাচ জিতলেই মেসির বিশ্ব রেকর্ড, সেরা দশে নেই রোনালদো
    Seraphinite AcceleratorOptimized by Seraphinite Accelerator
    Turns on site high speed to be attractive for people and search engines.