• বিনোদন

    কণ্ঠ ও পরিচয় সুরক্ষায় আইনি পথে টেইলর সুইফট

      প্রতিনিধি 29 April 2026 , 4:44:53 প্রিন্ট সংস্করণ

    ছবি : সংগৃহীত
    ছবি : সংগৃহীত
    বিজ্ঞাপন
    Main Banner Ads For Captains TV

    এআই প্রযুক্তির দ্রুত বিস্তারে তারকাদের কণ্ঠ ও চেহারা ব্যবহার নিয়ে বাড়ছে উদ্বেগ। এই প্রেক্ষাপটে নিজের পরিচয় রক্ষায় নতুন আইনি পদক্ষেপ নিয়েছেন মার্কিন পপ তারকা টেইলর সুইফট। কণ্ঠ ও ভিজ্যুয়াল পরিচয়কে ট্রেডমার্ক করার মাধ্যমে ভবিষ্যতের সম্ভাব্য অপব্যবহার ঠেকাতে এগোচ্ছেন তিনি। সম্প্রতি তিনি নিজের কণ্ঠস্বর এবং নির্দিষ্ট একটি অবয়বের ওপর স্বত্বাধিকার বা ট্রেডমার্ক চেয়ে যুক্তরাষ্ট্রের পেটেন্ট ও ট্রেডমার্ক অফিসে তিনটি আবেদন জমা দিয়েছেন।

    ত শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) নিজের কণ্ঠস্বর এবং নির্দিষ্ট একটি অবয়বের ওপর স্বত্বাধিকার বা ট্রেডমার্ক চেয়ে যুক্তরাষ্ট্রের পেটেন্ট ও ট্রেডমার্ক অফিসে তিনটি আবেদন জমা দিয়েছেন। টেইলর সুইফটের প্রতিষ্ঠান ‘টিএএস রাইটস ম্যানেজমেন্ট’-এর পক্ষ থেকে করা এই আবেদনগুলোর মধ্যে দুটি রয়েছে কণ্ঠস্বর সম্পর্কিত। যার একটি হলো ‘হেই, ইট’স টেইলর সুইফট’ এবং অন্যটি ‘হেই, ইট’স টেইলর’। এ ছাড়া তৃতীয়টি একটি ভিজ্যুয়াল ট্রেডমার্ক যেটা আসলে একটা ছবি। সেই ছবিতে দেখা যায় গোলাপি গিটার হাতে টেইলর আর তিনি ঝলমলে বডিস্যুট ও রুপালি বুট পরে গোলাপি মঞ্চে দাঁড়িয়ে আছেন।

    আইনজীবী জোশ গারবেন বিষয়টি সবাড় আগে সামনে আনেন। তার মতে, বিনোদন জগতের তারকারা ক্রমেই উদ্বিগ্ন হচ্ছেন এআই প্রযুক্তি তাদের কণ্ঠ ও চেহারা অনুমতি ছাড়াই ব্যবহার করতে পারে।

    বিজ্ঞাপন

    সাধারণত ট্রেডমার্ক আইন কোনও ব্যক্তির সামগ্রিক চেহারা, কণ্ঠ বা ব্যক্তিত্ব রক্ষার জন্য তৈরি হয়নি। তবে ম্যাককনাহির আইনজীবীরা যে ধারণা সামনে এনেছেন, তাতে এই ধরনের ট্রেডমার্ক ব্যবহার করে প্রচলিত ‘রাইট অব পাবলিসিটি’ আইনের পাশাপাশি অতিরিক্ত আইনি সুরক্ষা পাওয়া যেতে পারে বিশেষ করে এআই নির্ভর অপব্যবারের বিরুদ্ধে।

    এর আগে অনুমতি ছাড়াই বিভিন্ন এআই কনটেন্টে সুইফটের চেহারা ব্যবহার হয়েছে। মেটা এআই চ্যাটবটেও এমন উদাহরণ দেখা গেছে, এমনকি ইন্টারনেটে তার নামে পর্নোগ্রাফিক ছবিও ছড়িয়ে পড়েছে। এছাড়া ২০২৪ সালের মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনকে সামনে রেখে ডোনাল ট্র্যাম্প ডোনাল্ড ট্রাম্প এমন কিছু এআই ছবি শেয়ার করেছিলেন, যাতে ভুলভাবে দেখানো হয় যে সুইফট তাকে সমর্থন করেছেন।

    এর আগে ম্যাককনাহির আইনজীবীরাও একই ধরনের ট্রেডমার্ক সুরক্ষা পেয়েছেন। ২০২৫ সালে যুক্তরাষ্ট্রের পেটেন্ট ও ট্রেডমার্ক অফিস অভিনেতার জন্য আটটি ট্রেডমার্ক অনুমোদন করে। ম্যাককনাহির আইনজীবীদের মতে, নিজেকে ট্রেডমার্ক করা কৌশলটি তাদের অতিরিক্ত আইনি সুবিধা দেয়। যদি কেউ অনুমতি ছাড়া তার চেহারা বা কণ্ঠ ব্যবহার করে এআই কনটেন্ট তৈরি করে, তাহলে তা চ্যালেঞ্জ করার আরও শক্ত ভিত্তি তৈরি হয়।

    বর্তমানে নিউইয়র্ক ও ক্যালিফোর্নিয়ার মতো অঙ্গরাজ্যে ‘রাইট অব পাবলিসিটি’ আইন রয়েছে, যা অনুমতি ছাড়া কারও ছবি বা চেহারার বাণিজ্যিক ব্যবহার ঠেকায়। তবে ট্রেডমার্ক লঙ্ঘনের মামলা ফেডারেল আদালতে করা যায়, যা সারা দেশে প্রযোজ্য ফলে এটি আরও শক্তিশালী প্রতিরোধ হিসেবে কাজ করতে পারে।

    আরও খবর

    Sponsered content

    বিজ্ঞাপন
    সর্বশেষ সংবাদ
    6:31 PM ইসলামী ব্যাংক গ্রাহকদের আমানত নিয়ে চিন্তার কিছু নেই: গভর্নর 6:23 PM বিশ্বকাপ ফুটবল: কোন তারকা কোন দলের সমর্থক? 6:08 PM প্রচারে আসছে নতুন ধারাবাহিক ‘গ্রামের নাম সুন্দরপুর’ 6:01 PM নতুন তিন সিনেমায় নিশো 5:18 PM আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায় বললেন কেন উইলিয়ামসন 5:08 PM কানাডার বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচ কখন, কীভাবে দেখবেন 4:57 PM মেসি-রোনালদোর বিশ্বকাপ-দুঃস্বপ্ন হয়ে ওঠা দলগুলো 4:38 PM ছক্কা মেরে ম্যাচ জিতিয়ে হাসপাতালে মিরাজ 4:26 PM বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচেই লাল কার্ডের রেকর্ড 4:09 PM ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬; দক্ষিণ আফ্রিকাকে হারিয়ে মেক্সিকোর সূচনা