...
  • জাতীয়

    কেন নির্বাচিত সরকারে টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী প্রয়োজন!

      প্রতিনিধি 17 February 2026 , 7:27:35 প্রিন্ট সংস্করণ

    কেন নির্বাচিত সরকারে টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী প্রয়োজন! -ছবি: সংগৃহীত।
    বিজ্ঞাপন
    Main Banner Ads For Captains TV

    আবদুর রহমান খান: গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়ে সংসদ সদস্য (এমপি) হওয়ার পর সেখান থেকে বিভিন্ন বিষয়ে অভিজ্ঞরাই মন্ত্রী হওয়ার যোগ্যতা রাখেন। এটিই প্রচলিত পথ বা নিয়ম। তবে রাষ্ট্র পরিচালনায় অর্থনীতি, আইন, প্রযুক্তি, বিজ্ঞান কিংবা আন্তর্জাতিক কূটনীতি অথবা জটিল ও বিশেষায়িত ক্ষেত্রগুলো দক্ষতার সঙ্গে সামলাতে বিশেষজ্ঞ হওয়া প্রয়োজন।

    তাই ক্ষমতাসীন দলের নির্বাচিত প্রতিনিধিদের মধ্যে যদি সে ধরনের বিশেষজ্ঞের অভাব থাকে অথবা নির্দিষ্ট মন্ত্রণালয়ের জন্য আলাদা দক্ষতা প্রয়োজন মনে করা হয়। তখন সরকারি দল সমর্থিত কিংবা দলের বাইরে থেকেও যোগ্য ব্যক্তিদের টেকনোক্র্যাট কোটায় মন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়। তখন তারা অন্য মন্ত্রীদের মতোই সুযোগ-সুবিধার ভোগ করেন।

    বিএনপি সরকারের নতুন মন্ত্রিসভায় শপথ নিতে এ জন্য ৩ জন টেকনোক্র্যাট মন্ত্রীকে ডাকা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছেন-ড. খলিলুর রহমান, মোহাম্মদ আমিন উর রশীদ ও মো. আমিনুল হক।

    এরপর মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় শপথ গ্রহণে অংশ নেন, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পাওয়া অন্তর্বর্তী সরকারের নিরাপত্তা উপদেষ্টা ড. খলিলুর রহমান, আর কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং খাদ্য মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত হন মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ এবং যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পেয়েছেন মো. আমিনুল হক।

    বিজ্ঞাপন

    এ নিয়ে জনমনে প্রশ্ন উঠেছে-টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী আসলে কী এবং কেন প্রয়োজন। তবে বাংলাদেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে এ ধরণের কোটায় নিয়োগ প্রাপ্ত মন্ত্রীদের বিষয়ে অনেক দিন থেকেই পরিচিত।

    অপরদিকে, বাংলাদেশের সংবিধানে সরাসরি-টেকনোক্র্যাট-শব্দটির উল্লেখ নেই। তবে সংবিধানের ৫৬ (২) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, মন্ত্রিসভার অন্তত ৯০ শতাংশ সদস্য নির্বাচিত সংসদ সদস্য হতে হবে। বাকি ১০ শতাংশ সদস্য সরকার প্রধান সংসদের বাইরে থেকে নিয়োগ দিতে পারেন। প্রশাসনিক ও কারিগরি প্রয়োজন মেটাতে এই ১০ শতাংশ কোটায় সাধারণত বিভিন্ন পেশাজীবী ও বিশেষজ্ঞদের অন্তর্ভুক্ত করা করা হয়।

    তবে অন্য মন্ত্রীদের মতোই টেকনোক্র্যাটদেরও নির্দিষ্ট আইনি যোগ্যতা থাকতে হয়। যেমন-ন্যূনতম ২৫ বছর বয়স, বাংলাদেশের নাগরিকত্ব এবং গুরুতর ফৌজদারি অপরাধে দণ্ডিত না হওয়া। কিন্তু তাদের একটি সীমাবদ্ধতাও রয়েছে। সংবিধানের ৭৩ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, তারা সংসদে আলোচনায় অংশ নেয়া ও বক্তৃতা করতে পারেন। কিন্তু কোনো প্রস্তাবে ভোটাভুটির সময়-হ্যাঁ অথবা না ভোট দিতে পারেন না।

    উল্লেখ্য: ১৯৯১ সালে দেশে সংসদীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রবর্তনের পর থেকে প্রায় সব সরকারই টেকনোক্র্যাট কোটার সুবিধা নিয়েছে। ১৯৯১-১৯৯৬ মেয়াদে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) সরকার সেলিনা রহমান ও রিয়াজ রহমানকে এই কোটায় প্রতিমন্ত্রী করেছিল।

    পরে ১৯৯৬ সালে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এলে শেখ হাসিনা অর্থ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেন শাহ এ এম এস কিবরিয়াকে। ২০০১ সালের ৪ দলীয় জোট সরকার আমলেও রিয়াজ রহমানকে-পুনরায় পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব দেয়া হয়। আর ২০০৯ সালের পর টেকনোক্র্যাট কোটার ব্যবহার আরও বিস্তৃত হয়।

    আরও খবর

    Sponsered content

    বিজ্ঞাপন
    সর্বশেষ সংবাদ
    7:05 PM আইসিসিতে যাচ্ছে তদন্ত প্রতিবেদন, জানালেন ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী 6:55 PM মীর জাফরের ৩৪৬ বংশধরকে যেতে হচ্ছে আদালতে 6:34 PM সংসদের সাউন্ড সিস্টেমে বিভ্রাট, ৪০ মিনিট বিরতি 6:12 PM সরকারি চাকরিতে প্রবেশসীমা ৩২ বছর করে সংসদে বিল পাস 5:46 PM প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টার সঙ্গে রাশিয়ার রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ 5:38 PM প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র হলেন মাহদী আমিন ও ছালেহ শিবলী 5:14 PM বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কেন্দ্রীয় পরীক্ষার মাধ্যমে নিয়োগের সিদ্ধান্ত 4:36 PM পাইলট উদ্ধার অভিযানে মার্কিন বাহিনীর চরম ব্যর্থতার চিত্র প্রকাশ করল ইরান 4:23 PM দোকানপাট ও শপিংমল খোলা রাখার সময় পরিবর্তন 3:36 PM প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ
    Seraphinite AcceleratorOptimized by Seraphinite Accelerator
    Turns on site high speed to be attractive for people and search engines.