
প্রতিনিধি 12 July 2026 , 1:31:52 প্রিন্ট সংস্করণ

কেপ ভার্দে ও মিশরের পর সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষেও খুব সহজে জিততে পারেনি আর্জেন্টিনা। প্রথম গোল করে লিড নিলেও সেটি ধরে রাখতে না পারায় দেখা দিয়েছিল শঙ্কা। তবে শেষ পর্যন্ত জয় নিয়েই মাঠ ছাড়ে বর্তমান বিশ্ব চ্যাম্পিয়নরা।
কষ্টার্জিত ও রোমাঞ্চকর এই জয়ের পর লিওনেল মেসি মেনে নিলেন, ম্যাচে তাদের ভুগতে হয়েছে। তবে একইসঙ্গে দলের হার না মানা মানসিকতার কথাও বললেন আর্জেন্টিনার অধিনায়ক। ম্যাচ শেষে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নিজের প্রতিক্রিয়া জানান তিনি।
“আমরা আবারও ভুগেছি (কষ্ট করেছি), কিন্তু এই দলটি বিশ্বাস রাখা কখনও থামায় না। আমরা আবারও বিশ্বের সেরা চারের মধ্যে ফিরে এসেছি! এগিয়ে চলো!”
কোয়ার্টার-ফাইনাল ম্যাচটিতে দশম মিনিটে মেসির অ্যাসিস্ট থেকেই প্রথম গোল করেন অ্যালেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টার। তবে দ্বিতীয়ার্ধে ফিরে ড্যান এনডয়ের গোলে সমতা ফেরায় সুইজারল্যান্ড। তবে ৭২ মিনিটে ব্রিল এমবলো লাল কার্ড দেখলে দশ জনে পরিণত হয় তারা।

ইনজুরি টাইমসহ ২৫ মিনিটের বেশি সময় একজন কম খেলেও আর্জেন্টিনাকে আটকে রাখে সুইসরা। পরে অতিরিক্ত ত্রিশ মিনিটের প্রথমার্ধেও সুইজারল্যান্ডের গোলের তালা ভাঙতে সক্ষম হননি হুলিয়ান আলভারেজ, মেসিরা।
শেষমেশ ১১২ মিনিটের মাথায় ডি-বক্সের বাইরে থেকে আলভারেজের গোলায় এগিয়ে যায় আর্জেন্টিনা। পরে অতিরিক্ত যোগ করা সময়ের প্রথম মিনিটে কাউন্টার অ্যাটাক থেকে করা গোলে জয় নিশ্চিত করে দেন লাউতারো মার্তিনেজ।
কষ্টার্জিত এই জয়ে আনন্দের সীমা নেই মেসির।
“এই জয়ে আমি অনেক খুশি। খুবই কঠোর পরিশ্রম ও লড়াইয়ের পর পাওয়া জয়। আমরা জানতাম এটি তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ম্যাচ হবে।”
কানসাস সিটি স্টেডিয়ামে ম্যাচটি জেতার পর গ্যালারির কাছে গিয়ে নিজ দেশের সমর্থকদের সঙ্গে মিলে উদযাপন করেন মেসিরা। তার মতে, দলের জন্যই জরুরি ছিল এটি।
“সামনে যা আসছে, তার আগে একটি স্বস্তিময় সপ্তাহ কাটানোর জন্য আমাদের এই পদক্ষেপটি নেওয়া খুব গুরুত্বপূর্ণ ছিল।”