• খেলা

    বিশ্বকাপ অভিষেকে স্পেনকে রুখে ইতিহাস কেপ ভার্দের

      প্রতিনিধি 16 June 2026 , 11:23:42 প্রিন্ট সংস্করণ

    ছবি: সংগৃহীত।
    ছবি: সংগৃহীত।
    বিজ্ঞাপন
    Main Banner Ads For Captains TV

    ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ের চূড়ায় যাদের বসবাস, ফুটবলবিশ্বে যাদের পরিচিতি সাবেক বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হিসেবে। বিপরীতে বিশ্বকাপের মঞ্চে যাদের পায়ের স্পর্শ আজ প্রথমবার, স্বপ্ন আর রোমাঞ্চের সেই নতুন তীর্থযাত্রী-কেপ ভার্দে। স্পেন এসেছে বিশ্ব জয়ের অমোঘ ফেভারিট তকমা বুকে নিয়ে, আর এসেছে কেবলই নতুন করে আকাশ দেখার অপেক্ষায়, যাদের কাছে বিশ্বকাপের প্রতিটি মুহূর্ত ইতিহাস রচনার এক একটি অক্ষর। চলতি বিশ্বকাপে সবচেয়ে বেশি বয়সী একাদশ নিয়ে মাঠে নামার রেকর্ড গড়া কেপ ভার্দের বিপরীতে তারকায় ঠাসা তারুণ্যে ভরপুর দল স্পেন। আটলান্টার গ্যালারিতে আজ রচিত হলো ফুটবল রূপকথার এক বিপরীতধর্মী আখ্যান।

    আটলান্টা স্টেডিয়ামে ফিফা বিশ্বকাপের ‘এইচ’ গ্রুপের আজ সাক্ষী হলো বিশ্বকাপের ইতিহাসের অন্যতম বড় অঘটনের। বিশ্বকাপে অভিষিক্ত কেপ ভার্দে রুখে দিল ২০১০ বিশ্বকাপের চ্যাম্পিয়ন স্পেনকে। গোলশূন্য ড্রয়ে লা রোহাদের অহং যেন ভেঙে টুকরো টুকরো করে দিল তারা। ৪০ বছর বয়সী এক ‘বুড়ো’ গোলকিপারের অতিমানবীয় পারফরম্যান্সের সঙ্গে রক্ষণভাগকে দূর্গ বানিয়ে ইতিহাস গড়ল আটলান্টিক মহাসাগরের দ্বীপ দেশটি। পুরো ম্যাচে ৭টি সেভ দিয়ে কেপ ভার্দের মহানায়ক বনে গেলেন ভোজিনহা। ম্যাচ শেষে রেফারির শেষ বাঁশি বাজাতেই তাঁর চোখে তখন আনন্দের অশ্রু। আটলান্টা স্টেডিয়ামের সেই ঐতিহাসিক মুহূর্তে মাঠের ঘাসে আছড়ে পড়া দীর্ঘশ্বাস আর উল্লাসের শব্দ যেন মিলেমিশে একাকার হয়ে গিয়েছিল।

    বিজ্ঞাপন

    গোল পেতে কি না করেছে স্পেন? ৮০১টি পাস, ২৭টি শট যারমধ্যে গোলমুখে ছিল ৭টি। তবে গোলের খেলায় বাকি সব পরিসংখ্যান যে নস্যি সেটা লুইস দে লা ফুয়েন্তের স্পেনই তো সবচেয়ে ভালো বলতে পারবে এখন। বিপরীতে ৪ হাজার বর্গকিলোমিটার আয়তন আর মাত্র ৫ লাখ ৯৩ হাজার জনসংখ্যার দেশটি একেবারে ছেড়ে কথা বলেনি, নিয়েছে ৬টি শট।

    প্রথমার্ধে কেপ ভার্দের খেলা দেখে বোঝা খুব কঠিন ছিল, রক্ষণ সামলানোর অসাধারণ দক্ষতা দেখে মনে হচ্ছিল বিশ্বকাপ বুঝি নিয়মিতই খেলে কেপ ভার্দে। নবাগত দলটির গোলকিপার ভোজিনহা একের পর এক সেভে স্পেনের হতাশা বেড়েছে ক্রমশই। ২০১০ সালের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা বল দখলে একচ্ছত্র নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখলেও, আফ্রিকান দলটির সুশৃঙ্খল রক্ষণভাগ ভাঙা ছিল তাদের জন্য এক কঠিন চ্যালেঞ্জ। ৪-৪-২ ফর্মেশনে খেলা কেপ ভার্দে নিজেদের রক্ষণভাগে যে প্রতিরক্ষা প্রাচীর তৈরি করেছিল, তাতে স্পেনের আক্রমণভাগের গতির অভাব আরও স্পষ্ট হয়ে ওঠে। লামিনে ইয়ামাল ও নিকো উইলিয়ামসের অনুপস্থিতিতে স্প্যানিশদের আক্রমণ কৌশলে যেন ধার ছিল না।

    ৯০ মিনিটে রূপকথাকে আরও অবিশ্বাস্য করে তোলার সুযোগ এসেছিল খোদ কেপ ভার্দের সামনেই! কাউন্টার অ্যাটাক থেকে কেভিনের নেওয়া শটটি ওলমোর পায়ে লেগে দিক পরিবর্তন করলে গ্যালারিতে তখন স্তব্ধতা; স্টেডিয়ামের বাতাসে যেন শ্বাস নেওয়ার মতো অক্সিজেনও ছিল না। সেই কর্নার থেকে বোরগেসের হেডটিও যখন লক্ষ্যভেদ করতে যাচ্ছিল, তখন স্প্যানিশ গোলকিপার উনাই সিমন দেয়াল হয়ে দাঁড়িয়ে তা লুফে নিলে ভাগ্যক্রমে পরাজয়ের গ্লানি থেকে রক্ষা পায় স্পেন।

    যোগ করা পাঁচ মিনিটের প্রতিটি মুহূর্ত কেপ ভার্দে প্রমাণ করে দিয়েছে, ফুটবলের মাঠে নামের ভার বা র‍্যাঙ্কিংয়ের পরিসংখ্যান কোনো বড় বিষয় নয়; শেষ রক্তবিন্দু দিয়ে লড়াই করার মানসিকতাই আসল।

    আরও খবর

    Sponsered content

    বিজ্ঞাপন
    সর্বশেষ সংবাদ
    5:14 PM ফুটবলের পর এবার টিভি সিরিজে রোনালদো 4:26 PM এইচ ১-বি ভিসা ৩ বছরের জন্য স্থগিত করতে বিল মার্কিন পার্লামেন্টে 3:58 PM জাতীয় পর্যায়ের সমাপনীতে মাঠে থাকবেন প্রধানমন্ত্রী 12:38 PM ‘গুলশানের চামেলি’ হবেন কোলকাতার ‘পাখি’ 12:17 PM ইতিহাস রচনা করলেন সূর্যবংশী, জিম্বাবুয়েকে হোয়াইটওয়াশ করল ভারত 11:46 AM লং জাম্পে সেরা ইমা ও আহাতাব 11:39 AM আরচ্যারী প্রেসিডেন্টস চ্যালেঞ্জ কাপ ও জয়েন্ট ট্রেনিং প্রোগ্রাম বৃহস্পতিবার শুরু 11:27 AM ফাইনালের ৭ দিন পর মুখ খুললেন স্কালোনি 5:28 PM কোনো একসময় বাংলাদেশ ফুটবল বিশ্বকাপে খেলবে: ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী 5:10 PM ইতালি থেকে এবাদতকে জরুরি তলব