
প্রতিনিধি 6 June 2026 , 12:46:11 প্রিন্ট সংস্করণ

বছর চারেক আগে কাতারে বিশ্বকাপ জিতে বেশ কিছু রেকর্ড নিজের করে নিয়েছিলেন লিওনেল মেসি। এবার কানাডা, যুক্তরাষ্ট্র ও মেক্সিকোতে হতে যাওয়া টুর্নামেন্টেও তার সামনে হাতছানি দারুণ এক বিশ্ব রেকর্ডের।
সামনের ফুটবল বিশ্বকাপে মাত্র ২টি ম্যাচ জিতলেই টুর্নামেন্টের ইতিহাসে সর্বোচ্চ ম্যাচ জেতা খেলোয়াড় হয়ে যাবেন আর্জেন্টাইন মহাতারকা। যা হয়তো গ্রুপ পর্বেই অর্জন করা সম্ভব মেসি ও বর্তমান বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনার জন্য।
বিশ্বকাপের ইতিহাসে এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি ম্যাচ জেতার রেকর্ড জার্মানির সাবেক তারকা ফরোয়ার্ড মিরোস্লাভ ক্লোজার। নিজ দেশের হয়ে চার বিশ্বকাপে ২৪ ম্যাচ খেলে ১৭টি জিতেছেন তিনি। ড্র হয়েছে ৩ ম্যাচ আর হেরেছেন ৪টি।
জয়ের তালিকায় ক্লোজার ঠিক পরেই মেসি ও ব্রাজিলের সাবেক অধিনায়ক কাফু। ২০ ম্যাচ খেলে ১৬টি জয় পেয়েছিলেন কাফু। আর এখন পর্যন্ত পাঁচ বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার হয়ে ২৬ ম্যাচ খেলে ১৬টি জিতেছেন মেসি।
এর বাইরে ৫ ম্যাচে ড্রয়ের স্বাদ পেয়েছেন মেসি। আর হেরেছেন আরও ৫ ম্যাচে। নিজের খেলা পাঁচটি ফুটবল বিশ্বকাপের প্রতিটিতে একটি করে ম্যাচ হেরেছেন মেসি। সবশেষ পরাজয় ২০২২ বিশ্বকাপে সৌদি আরবের বিপক্ষে।

বিশ্বকাপে সবচেয়ে বেশি জয়ের হিসেবে সেরা দশেও নেই মেসির চির প্রতিদ্বন্দ্বী ও সময়ের অন্যতম সেরা ফুটবলার ক্রিস্তিয়ানো রোনালদো। তার খেলা গত পাঁচ বিশ্বকাপে মোট ২৩ ম্যাচের মধ্যে ১০টি জিতেছে পর্তুগাল। তাদের সেরা সাফল্য ২০০৬ বিশ্বকাপে সেমি-ফাইনালে ওঠা।
বিশ্বকাপ ইতিহাসে সর্বোচ্চ জয় পাওয়া ফুটবলার
১) মিরোস্লাভ ক্লোজা (জার্মানি) – ২৪ ম্যাচে ১৭ জয়
২) কাফু (ব্রাজিল) – ২০ ম্যাচে ১৬ জয়
৩) লিওনেল মেসি (আর্জেন্টিনা) – ২৬ ম্যাচে ১৬ জয়
৪) ওলফগ্যাং ওভারেথ (পশ্চিম জার্মানি) – ১৯ ম্যাচে ১৫ জয়
৫) রোনালদো (ব্রাজিল) – ১৯ ম্যাচে ১৫ জয়
৬) ফিলিপ লাম (জার্মানি) – ২০ ম্যাচে ১৫ জয়
৭) বাস্তিয়ান শোয়েন্সটাইগার (জার্মানি) – ২০ ম্যাচে ১৫ জয়
৮) লোথার ম্যাথিউস (জার্মানি) – ২৫ ম্যাচে ১৫ জয়
৯) লুসিও (ব্রাজিল) – ১৭ ম্যাচে ১৪ জয়
১০) ফ্রাঞ্জ বেকেনবাওয়ার (পশ্চিম জার্মানি) – ১৮ ম্যাচে ১৪ জয়
এছাড়া ফিফা বিশ্বকাপে ১৪টি করে জয় রয়েছে ইতালির পাওলো মালদিনি, ফ্রান্সের অলিভিয়ের জিরু, আন্তোনিও গ্রিজম্যান ও হুগো লরিস এবং জার্মানি পার মার্তসেকারের।
উল্লেখ্য, বিশ্বকাপের নক-আউট পর্বে টাইব্রেকারে নিষ্পত্তি হওয়া ম্যাচগুলো ফিফার রেকর্ডে ‘ড্র’ হিসেবেই বিবেচনা করা হয়।