• অপরাধ

    প্রকাশ্যে এলো রামিসার ধর্ষক ও হত্যাকারী সোহেলের যত অপকর্ম

      প্রতিনিধি 22 May 2026 , 12:02:51 প্রিন্ট সংস্করণ

    বিজ্ঞাপন
    Main Banner Ads For Captains TV

    রাজধানীর পল্লবীতে দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী রামিসা আক্তারকে ধর্ষণের পর নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনার পর প্রধান আসামি সোহেল রানার অতীত জীবনের নানা অপরাধ ও অপকর্মের তথ্য সামনে এসেছে।

    পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ঢাকায় আসার আগে গ্রামে থাকতেই মাদক ও অনলাইন জুয়ায় মারাত্মকভাবে আসক্ত ছিল সোহেল। জুয়ার কারণে বিপুল অঙ্কের ঋণে জর্জরিত হয়ে একপর্যায়ে সে এলাকা ছাড়তে বাধ্য হয়। 

    এছাড়া পারিবারিক ও নৈতিক স্খলনের নানা অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। সবশেষ পল্লবীর একটি সাবলেট বাসায় শিশু রামিসাকে ধর্ষণের পর নির্মমভাবে হত্যা করে পালিয়ে যাওয়ার সময় সে পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হয়।

    অনুসন্ধানে জানা গেছে, রামিসার হত্যাকারী সোহেল রানার মূল বাড়ি নাটোরের মহেশচন্দ্রপুর এলাকায়। সেখানে সে রিকশা মেরামতের কাজ করত। প্রায় ১০ বছর আগে প্রথম বিয়ে করা সোহেলের সেই সংসারে একটি সন্তানও রয়েছে। তবে ছোট ভাইয়ের স্ত্রীর সঙ্গে পরকীয়া সম্পর্কের জেরে প্রথম স্ত্রীর সঙ্গে তার বিচ্ছেদ ঘটে। 

    এরপর বছর তিনেক আগে পাশের গ্রামে সে দ্বিতীয় বিয়ে করে। তবে মাদক, জুয়া আর ঋণের কারণে পরিবারের চাপে শেষ পর্যন্ত এলাকা ছাড়তে বাধ্য হয় সে। 

    বিজ্ঞাপন

    সোহেল রানার ছোট বোন জলি বেগম জানান, মাদক ও জুয়াসহ নানা অপকর্মে জড়িত থাকার কারণে বছর তিনেক আগেই তাকে পরিবার থেকে বের করে দেওয়া হয় এবং দীর্ঘদিন ধরে পরিবারের সঙ্গে তার কোনো যোগাযোগ ছিল না।

    নাটোর থেকে ঢাকায় এসে মিরপুরের পল্লবীতে একটি ফ্ল্যাটে সাবলেট হিসেবে থাকতে শুরু করে সোহেল ও তার স্ত্রী। ওই বাসার কেয়ারটেকার মনির জানান, পরিচিত দুজনের সুপারিশে প্রথমে সোহেলকে নিজের গ্যারেজে মিস্ত্রি হিসেবে কাজ দিয়েছিলেন তিনি। 

    তবে ১৫ দিনের মাথায় কাজে নিয়মিত ফাঁকি দেওয়ায় তাকে গ্যারেজ থেকে বাদ দেওয়া হয়। ফ্ল্যাটের ভাড়াটিয়া মাসুদের দাবি, কেয়ারটেকারের অনুরোধেই সোহেলকে বাসায় সাবলেট দিয়েছিলেন তিনি।

    জানা গেছে, ঢাকায় সোহেল রানার থাকা এবং কাজের ব্যবস্থা করে দিয়েছিল তাদের একই গ্রামের সাদ্দাম ও হানিফ নামের দুই ব্যক্তি, যাদের সুপারিশ করেছিলেন কামাল নামের আরেক গ্রামবাসী।

    পল্লবীর এই ফ্ল্যাটে ওঠার আগে সাদ্দামের মাধ্যমে বিহারি ক্যাম্পের একটি বাসায় সাবলেট নিয়েছিল সোহেল রানা ও তার স্ত্রী। তবে সেখানে নিয়মিত ইয়াবাসহ বিভিন্ন মাদক সেবন করার কারণে বাড়ির মালিক তাদের বাসা ছেড়ে দিতে বাধ্য করেন। 

    ওই বাড়ির মালিক জানান, তার বাসায় দুই মাস থাকার সময় সোহেলের ইয়াবাসক্তিতে অতিষ্ঠ হয়ে তারা তাকে বাসা থেকে বের করে দিয়েছিলেন। গ্রাম থেকে ঢাকা—সবখানেই মাদকের অন্ধকার জগৎ ও অপরাধপ্রবণতায় নিমজ্জিত থাকা এই সোহেল রানাই শেষ পর্যন্ত পল্লবীতে সাত বছরের শিশু রামিসাকে নির্মমভাবে বলী বানায়।

    আরও খবর

    Sponsered content

    বিজ্ঞাপন
    সর্বশেষ সংবাদ
    12:02 PM প্রকাশ্যে এলো রামিসার ধর্ষক ও হত্যাকারী সোহেলের যত অপকর্ম 11:52 AM রামিসা হত্যা মামলায় আসামিপক্ষে লড়বেন না ঢাকা বারের আইনজীবীরা 11:25 AM বাংলাদেশ ফুটবল দলের নতুন কোচ থমাস ডুলি 6:55 PM বেসরকারি চাকরিজীবীদের জন্য বড় সুখবর  6:18 PM অবসর ভেঙে বিশ্বকাপে ফিরছেন ম্যানুয়েল নয়ার 5:41 PM ইধিকা-জ্যোতির্ময়ীর পর এবার ঢালিউডে দেবের নায়িকা 5:12 PM অবশেষে এএফসি চ্যাম্পিয়ন্স লিগে বাংলাদেশের ক্লাব 3:52 PM কাটলো ৩০ বছরের শিরোপাখরা, ইস্তাম্বুলে ভিলার উৎসব 3:15 PM বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার চূড়ান্ত দলে থাকতে পারে দুই চমক 2:59 PM হঠাৎ মিরপুর স্টেডিয়ামের নিরাপত্তা জোরদার, নেপথ্যে যে কারণ