
প্রতিনিধি 28 March 2026 , 5:30:48 প্রিন্ট সংস্করণ

বাংলাদেশের টেলিভিশনের পর্দায় এমন কিছু অনুষ্ঠান আছে, যেগুলো সময়ের সাথে হারিয়ে যায় না-বরং প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে জায়গা করে নেয়। তেমনই একটি নাম ইত্যাদি।
১৯৮৯ সালে বাংলাদেশ টেলিভিশনে শুরু হয়েছিল এই ব্যতিক্রমধর্মী ম্যাগাজিন অনুষ্ঠান। পরিকল্পনা, রচনা ও উপস্থাপনায় ছিলেন হানিফ সংকেত-যার হাত ধরেই “ইত্যাদি” হয়ে ওঠে দেশের অন্যতম জনপ্রিয় অনুষ্ঠান।
শুরুতে ছিল বিনোদন, গান, নাট্যাংশ-কিন্তু সময়ের সাথে এটি হয়ে ওঠে সমাজের এক শক্তিশালী প্রতিচ্ছবি। হাসির আড়ালে উঠে আসে দুর্নীতি, সামাজিক অসঙ্গতি আর মানুষের বাস্তব জীবনের গল্প।

সময়ের হিসেবে, ১৯৮৯ থেকে ২০২৬-এই দীর্ঘ পথচলায় “ইত্যাদি” পেরিয়েছে প্রায় ৩৭ বছর। অর্থাৎ, প্রায় চার দশক ধরে এই অনুষ্ঠান ধরে রেখেছে তার জনপ্রিয়তা, যা বাংলাদেশের টেলিভিশন ইতিহাসে বিরল এক অর্জন।
বিশেষ করে ঈদ উপলক্ষে প্রচারিত পর্বগুলো ঘিরে দর্শকদের আগ্রহ থাকে সবচেয়ে বেশি। পরিবার একসাথে বসে দেখার মতো অনুষ্ঠান-এই জায়গাটা খুব কম শোই ধরে রাখতে পেরেছে।
শুধু বাংলাদেশ নয়, প্রবাসী বাঙালিদের কাছেও ঈদের “ইত্যাদি” এক টুকরো নস্টালজিয়া। মধ্যপ্রাচ্য, ইউরোপ বা আমেরিকা- যেখানেই বাঙালি, সেখানেই এই অনুষ্ঠান নিয়ে থাকে আলাদা আবেগ।
তবে সময়ের সাথে দর্শকদের মতামতেও এসেছে ভিন্নতা। কেউ বলেন, এটি এখনও সমাজের দর্পণ; আবার কেউ মনে করেন, নতুন প্রজন্মের সাথে তাল মিলিয়ে ফরম্যাটে আরও পরিবর্তন দরকার।
তবুও এক সত্য অস্বীকার করা যায় না,
ঈদ মানেই নতুন আনন্দ… আর টেলিভিশনের পর্দায় “ইত্যাদি” দেখার অপেক্ষা।