• খেলা

    ২৬ বিশ্বকাপের প্রথম ড্র; কানাডা-বসনিয়া ম্যাচ

      প্রতিনিধি 13 June 2026 , 10:07:49 প্রিন্ট সংস্করণ

    বিজ্ঞাপন
    Main Banner Ads For Captains TV

    ড্র দিয়েই ঘরের মাঠে ইতিহাস গড়লো কানাডা। ২০২৬ এর আগে কোনো বিশ্বকাপে কখনো পয়েন্ট পায়নি তারা। ১৯৮৬ ও ২০২২ বিশ্বকাপে সব ম্যাচ হেরে ফিরেছিল তারা। এবার বসনিয়ার বিপক্ষে সাইল লারিনের গোলে ১-১ ড্র করেছে কানাডা। অন্যদিকে বসনিয়া খেলেছে নিজেদের শক্তির জায়গায় লম্বা বল, দ্বিতীয় বলের লড়াই, শারীরিক দ্বৈরথ এবং সেট পিস। বসনিয়া জানান দিয়েছে, ২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপে তারা শুধু অতিথি হয়ে আসেনি; পয়েন্ট নিতে এসেছে। বসনিয়ার জোভো লুকিচ হেডে গোল করে কানাডার ঘরের মাঠের উৎসবে অস্বস্তি নামিয়ে আনেন। সহ-আয়োজকদের প্রায় নাকানি চুবানি খাইয়ে নিজেদের শক্ত অবস্থান জানান দেয় বসনিয়া-হার্জেগোভিন। কানাডার জন্য ফলটি মিশ্র। ঘরের মাঠে প্রথম ম্যাচে জয় না পাওয়ার হতাশা আছে, কিন্তু প্রথম বিশ্বকাপ পয়েন্টের স্বস্তিও আছে। বসনিয়ার জন্য এই ড্রও মূল্যবান। তারা দেখিয়েছে, গ্রুপ ‘বি’তে তাদের শুধু আন্ডারডগ হিসেবে দেখা ভুল হবে।

    শুরু থেকেই দুই দল সরাসরি ফুটবল খেলেছে। কানাডা চেষ্টা করেছে উইং দিয়ে গতি তুলতে, দ্রুত আক্রমণে যেতে। অন্যদিকে উচ্চতা ও শক্তির সুবিধা বসনিয়া শুরু থেকেই কাজে লাগাতে থাকে। কয়েকটি ফ্রি-কিক ও কর্নারে কানাডার রক্ষণকে অস্বস্তিতে ফেলে বালকান দলটি। সেই চাপ থেকেই ২১ মিনিটে এগিয়ে যায় তারা।

    ডান দিকের কর্নার থেকে বক্সে বল আসে। নিয়ার পোস্টে সেয়াদ কোলাসিনাচের স্পর্শের পর কাছ থেকে হেডে গোল করেন জোভো লুকিচ। এদিন জেকোর জায়গায় একাদশে সুযোগ পাওয়া লুকিচ বসনিয়াকে এগিয়ে দেন।

    বিজ্ঞাপন

    কানাডা এরপর বলের দখল বাড়ালেও গোলের সামনে সিদ্ধান্তে ঘাটতি ছিল স্পষ্ট। জোনাথন ডেভিড ভালো সুযোগ পেয়েও সরাসরি গোলরক্ষকের হাতে শট নেন। প্রথমার্ধে টানি ওলুওয়াসেইয়িও দারুণ সুযোগ পেয়েছিলেন, কিন্তু তাঁর শট লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। বিশ্বকাপের মতো মঞ্চে এমন সুযোগ নষ্টের মূল্য অনেক বড় হতে পারে।

    বিরতির পর কানাডা আরও আক্রমণাত্মক হয়। কিন্তু সেই সঙ্গে রক্ষণে ঝুঁকিও বাড়ে। একদিকে কানাডা সমতার জন্য চাপ দিচ্ছিল, অন্যদিকে বসনিয়া পাল্টা আক্রমণে দ্বিতীয় গোলের সুযোগ খুঁজছিল।

    দ্বিতীয়ার্ধে ম্যাচের সবচেয়ে বড় মুহূর্তগুলোর একটি আসে রিচি লারেয়ার আক্রমণ থেকে। স্টিফেন ইউস্তাকিওর পাসে কানাডা প্রায় সমতা পেয়েই গিয়েছিল। কিন্তু কোলাসিনাচ গোললাইন থেকে বল সরিয়ে দেন, বল ক্রসবারেও লাগে। বসনিয়ার রক্ষণের দৃঢ়তার বড় উদাহরণ ছিল সেই সেভ।

    এর কিছুক্ষণের মধ্যেই বসনিয়া ব্যবধান দ্বিগুণ করতে পারত। কানাডার রক্ষণে ভুলের সুযোগে এরমেদিন দেমিরোভিচ গোলরক্ষকের মুখোমুখি হয়ে যান। কিন্তু শেষ মুহূর্তে নিয়ন্ত্রণ ঠিক রাখতে না পারায় ম্যাক্সিম ক্রেপো কানাডাকে ম্যাচে টিকিয়ে রাখেন।

    ম্যাচের মোড় ঘোরাতে কানাডা কোচ জেসি মার্শ বদলি খেলোয়াড়দের দিকে তাকান। প্রত্যাশিত ভূমিকা রাখতে না পারা জোনাথন ডেভিডকে তুলে নামানো হয় প্রমিস ডেভিডকে। তাঁর গতি ও শক্তি কানাডার আক্রমণে নতুন প্রাণ যোগ করে।

    এরপর নামেন সাইল লারিন। আর মাঠে নামার কিছুক্ষণের মধ্যেই কানাডার রাত বদলে দেন তিনি। প্রমিস ডেভিডের বুদ্ধিদীপ্ত ছোঁয়া থেকে বল পেয়ে শরীর ঘুরিয়ে শট নেন লারিন। বল জালে জড়ালে উল্লাসে ফেটে পড়ে টরন্টো স্টেডিয়াম। ৭৮ মিনিটের সেই গোলেই ম্যাচে ফেরে কানাডা।

    শেষ দিকে কানাডা জয়ের জন্য চাপ বাড়ালেও বসনিয়া আর ভাঙেনি। বল দখলে এগিয়ে ছিল কানাডা, আক্রমণও বেশি করেছে তারা। কিন্তু বসনিয়ার শারীরিক ফুটবল, কোলাসিনাচ-মুহারেমোভিচদের রক্ষণ এবং সেট পিসের হুমকি ম্যাচটিকে শেষ পর্যন্ত সমতায় আটকে রাখে।

    আরও খবর

    Sponsered content

    বিজ্ঞাপন
    সর্বশেষ সংবাদ
    10:07 AM ২৬ বিশ্বকাপের প্রথম ড্র; কানাডা-বসনিয়া ম্যাচ 10:03 AM ৪-১ গোলে বিশ্বকাপে শুভযাত্রা যুক্তরাষ্ট্রের 9:56 AM কক্সবাজারে আজ সারাদিন প্রধানমন্ত্রীর কর্মসূচি 6:31 PM ইসলামী ব্যাংক গ্রাহকদের আমানত নিয়ে চিন্তার কিছু নেই: গভর্নর 6:23 PM বিশ্বকাপ ফুটবল: কোন তারকা কোন দলের সমর্থক? 6:08 PM প্রচারে আসছে নতুন ধারাবাহিক ‘গ্রামের নাম সুন্দরপুর’ 6:01 PM নতুন তিন সিনেমায় নিশো 5:18 PM আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায় বললেন কেন উইলিয়ামসন 5:08 PM কানাডার বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচ কখন, কীভাবে দেখবেন 4:57 PM মেসি-রোনালদোর বিশ্বকাপ-দুঃস্বপ্ন হয়ে ওঠা দলগুলো