• আইন-আদালত

    রামিসা হত্যা মামলায় আসামিপক্ষে লড়বেন না ঢাকা বারের আইনজীবীরা

      প্রতিনিধি 22 May 2026 , 11:52:15 প্রিন্ট সংস্করণ

    বিজ্ঞাপন
    Main Banner Ads For Captains TV

    রাজধানীর পল্লবীতে দ্বিতীয় শ্রেণির স্কুলছাত্রী শিশু রামিসা আক্তার (৭) হত্যাকাণ্ডে উত্তাল পুরো দেশ। এই হত্যা মামলায় আসামির পক্ষে ঢাকা আইনজীবী সমিতির কোনো আইনজীবী মামলা পরিচালনা করবেন না বলে জানিয়েছেন সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ কালাম খান।

    শুক্রবার (২২ মে) সকালে নিজের ফেসবুকে এক পোস্টে এ কথা বলেন তিনি।

    তিনি পোস্টে বলেন, ঢাকা বারের কার্যনির্বাহী কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ঢাকা বারের কোনো বিজ্ঞ আইনজীবী রামিসা হত্যা মামলার আসামির পক্ষে মামলা পরিচালনা করবেন না।

    প্রসঙ্গত, মঙ্গলবার (১৯ মে) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে ঘর থেকে বের হলে স্বপ্না তাকে কৌশলে রুমের ভেতরে নেয়। ওইদিন সকাল সাড়ে ১০টার দিকে রামিসাকে স্কুলে যাওয়ার জন্য খোঁজাখুঁজি করতে থাকেন তার মা। এক পর্যায়ে আসামির রুমের সামনে শিশুটির জুতা দেখতে পান তিনি।

    ডাকাডাকির পর কোনো সাড়া-শব্দ না পেয়ে রামিসার বাবা-মা এবং অন্যান্য ফ্ল্যাটের লোকজন দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে আসামির শয়নকক্ষের মেঝেতে রামিসার মস্তকবিহীন মরদেহ এবং মাথা রুমের ভেতরে একটি বড় বালতির মধ্যে দেখতে পান।

    ঘটনাস্থলে স্বপ্নাকে জিজ্ঞাসা করলে সে জানায়, তার স্বামী রামিসাকে বাথরুমের ভেতরে আটকে রেখে ধর্ষণ করে এবং গলা কেটে হত্যা করে। রামিসার মরদেহ গুম করার উদ্দেশ্যে তার মাথা কাটে। 

    বিজ্ঞাপন

    এছাড়া যৌনাঙ্গ ক্ষতবিক্ষত এবং দুই হাত কাঁধ থেকে আংশিক বিচ্ছিন্ন করে মরদেহ শয়নকক্ষে এনে খাটের নিচে রাখে। এরপর জানালার গ্রিল কেটে সোহেল রানা পালিয়ে যায়।

    এ ঘটনায় শিশুটির বাবা আবদুল হান্নান মোল্লা বাদী হয়ে পল্লবী থানায় মামলা করেন। মামলায় সোহেল রানা, তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ও অজ্ঞাত আরও একজনকে আসামি করা হয়েছে। হত্যাকাণ্ডের পর স্বপ্নাকে আটক করে পুলিশ। সোহেল আত্মগোপনে চলে গেলেও সন্ধ্যায় নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থানার সামনে থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে দুই আসামিকে আদালতে হাজির করা হয়।

    আদালত সূত্র জানায়, সোহেল ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিতে সম্মত হয়েছে। তবে অজ্ঞাত আসামি এখনও পলাতক রয়েছে।

    এজাহারে বলা হয়, পপুলার মডেল হাইস্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী রামিসাকে ঘরে নিয়ে ধর্ষণ করে সোহেল। পরে তিনি শিশুটির গলা কেটে মরদেহ কয়েক টুকরো করেন।

    শিশুটির চিৎকার শুনে পরিবারের সদস্য ও প্রতিবেশীরা দ্রুত সেখানে গেলেও তার আগেই সোহেল রামিসার মরদেহ বিছানার নিচে লুকিয়ে রাখে। পরে টয়লেটের ভেতরে একটি বালতি থেকে মাথা উদ্ধার করা হয়। 

    সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ময়নাতদন্ত শেষে এরই মধ্যে শিশুটির মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। বুধবার (২০ মে) রাত ৯টার দিকে মুন্সীগঞ্জের সিরাজদীখানের ইছাপুরের মধ্যম শিয়ালদী গ্রামে এশার নামাজ শেষে তার জানাজা সম্পন্ন হয়।

    আরও খবর

    Sponsered content

    বিজ্ঞাপন
    সর্বশেষ সংবাদ
    11:52 AM রামিসা হত্যা মামলায় আসামিপক্ষে লড়বেন না ঢাকা বারের আইনজীবীরা 11:25 AM বাংলাদেশ ফুটবল দলের নতুন কোচ থমাস ডুলি 6:55 PM বেসরকারি চাকরিজীবীদের জন্য বড় সুখবর  6:18 PM অবসর ভেঙে বিশ্বকাপে ফিরছেন ম্যানুয়েল নয়ার 5:41 PM ইধিকা-জ্যোতির্ময়ীর পর এবার ঢালিউডে দেবের নায়িকা 5:12 PM অবশেষে এএফসি চ্যাম্পিয়ন্স লিগে বাংলাদেশের ক্লাব 3:52 PM কাটলো ৩০ বছরের শিরোপাখরা, ইস্তাম্বুলে ভিলার উৎসব 3:15 PM বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার চূড়ান্ত দলে থাকতে পারে দুই চমক 2:59 PM হঠাৎ মিরপুর স্টেডিয়ামের নিরাপত্তা জোরদার, নেপথ্যে যে কারণ 2:11 PM ঈদে মুক্তি পাচ্ছে ‘দ্য ইউনিভার্সিটি অব চানখাঁরপুল’