
প্রতিনিধি 12 February 2026 , 11:47:18 প্রিন্ট সংস্করণ

বাংলাদেশ গণতন্ত্রের যে ট্রেনে উঠেছে সেটি গন্তব্যে পৌঁছাবে। আমি চেয়েছিলাম জাতির এই ক্রান্তিলগ্নে একটা অবদান আমাকে রাখতে হবে। আমি সেই চেষ্টা করছি। এমন মন্তব্য করেছেন, প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন ৷ বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকালে রাজধানীর ইস্কাটন গার্ডেন হাইস্কুলের কেন্দ্রে ভোট দিতে এসে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, আমি এত সাংবাদিক দেখে সত্যি আনন্দিত। কারণ আপনারা তৃতীয় চক্ষু। আমরা ঘরে বসে সব দেখতে পাবো না। আমরা চাই আপনাদের চোখ দিয়ে দেখতে৷ আমি সকালে উঠে অনেকগুলো টেলিভিশন চ্যানেল চেক করেছি দেখেছি সুস্থ সুন্দর নির্বাচন হচ্ছে। দুই একটা জায়গায় কেন্দ্রের বাহিরে ছোটখাটো সমস্যা হলেও সেগুলো সমাধান করা হয়েছে। তিনি বলেন, আর এ নির্বাচনে আমার প্রায় ১৭ লক্ষ লোক কাজ করছে। এদের মধ্যে প্রায় ৯ লাখ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যই রয়েছে। এদের সবাইকে এক ছাতার নিচে এনে কাজ করা সত্যিই একটা চ্যালেঞ্জ।

সিইসি বলেন, গতকাল (বুধবার) আমি দেশের অনেক জেলা প্রশাসক, এসপিদের সাথে কথা বলেছি। তাদের আমি বলেছি কারো পক্ষে কাজ করতে পারবেন না। অবশ্যই নিরপেক্ষ থেকে কাজ করতে হবে। শুধু নিজে নিরপেক্ষ থাকলে হবেনা আপনার আশেপাশে সবাইকেও নিরপেক্ষ রাখতে হবে। এখানে বিভাগীয় কমিশনার সাহেব আছেন তিনি এটার সাক্ষী দিতে পারবেন।
আমরা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভুয়া ভিডিও এবং এআই জেনারেটেড ছবি একটা বড় চ্যালেঞ্জ। সবগুলো চাইলেও নিয়ন্ত্রণ করা যায় না। এগুলোর অনেক কিছুই সীমান্তের ওপার থেকে হয়। ফলে আমরা মেইনস্ট্রিম মিডিয়ার ওপর ভরসা করি। আশা করি জনগনও সত্য মিথ্যা যাচাই করে তথ্য শেয়ার দেবে।”
উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৭টা থেকে দেশব্যাপী ঐতিহাসিক এই ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে। বাংলাদেশের সংসদীয় গণতন্ত্রের ইতিহাসে এবারের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন এক নতুন রেকর্ড গড়তে যাচ্ছে। রাজনৈতিক দলগুলোর নিবন্ধন প্রক্রিয়া চালুর পর এবারই সর্বোচ্চ সংখ্যক দল ও প্রতীক নিয়ে প্রার্থীরা নির্বাচনী লড়াইয়ে নেমেছেন। বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী ও জাতীয় নাগরিক পার্টিসহ (এনসিপি) মোট ৫০টি নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল এবং স্বতন্ত্রসহ ২০২৮ জন প্রার্থী এই নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।