• আন্তর্জাতিক

    ইরান যুদ্ধে শেষ ক্ষেপণাস্ত্রের বিপুল অংশ, বড় ধরণের সামরিক ঝুঁকিতে যুক্তরাষ্ট্র

      প্রতিনিধি 22 April 2026 , 11:20:16 প্রিন্ট সংস্করণ

    বিজ্ঞাপন
    Main Banner Ads For Captains TV

    ইরানের সঙ্গে যুদ্ধের পর যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষেপণাস্ত্র ভাণ্ডার নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। মূলত ইরানের সঙ্গে যুদ্ধে নিজেদের শক্তিশালী ‘প্যাট্রিয়ট’ ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থার প্রায় অর্ধেক ইন্টারসেপ্টর বা ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরোধক ব্যবহার করে ফেলেছে মার্কিন সামরিক বাহিনী। বিশ্লেষকদের মতে, এভাবে অস্ত্র খরচ হতে থাকলে ভবিষ্যতে নতুন কোনও সংঘাতে যুক্তরাষ্ট্র সাময়িকভাবে গোলাবারুদ সংকটে পড়তে পারে।

    মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন বলছে, ইরানের সঙ্গে যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী তাদের গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেপণাস্ত্র ভাণ্ডারের বড় অংশ ব্যবহার করে ফেলেছে। বিশেষজ্ঞ ও প্রতিরক্ষা দপ্তরের সাম্প্রতিক অভ্যন্তরীণ মূল্যায়নের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট তিনজনের তথ্য অনুযায়ী, এর ফলে আগামী কয়েক বছরের মধ্যে নতুন কোনও যুদ্ধ শুরু হলে গোলাবারুদ সংকটে পড়ার ‘তাৎক্ষণিক ঝুঁকি’ তৈরি হয়েছে।

    গত সাত সপ্তাহের যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র অন্তত ৪৫ শতাংশ প্রিসিশন স্ট্রাইক মিসাইল ব্যবহার করেছে। এছাড়া ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করতে ব্যবহৃত টার্মিনাল হাই অল্টিচিউড এরিয়া ডিফেন্স (থাড) মিসাইলের অন্তত অর্ধেক এবং প্যাট্রিয়ট আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার প্রায় ৫০ শতাংশ ইন্টারসেপ্টর ক্ষেপণাস্ত্র খরচ হয়েছে। ওয়াশিংটনভিত্তিক গবেষণা সংস্থা ‘সেন্টার ফর স্ট্র্যাটেজিক অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজ’ (সিএসআইএস)-এর এক বিশ্লেষণে এসব তথ্য উঠে এসেছে। এসব তথ্য পেন্টাগনের গোপন তথ্যের সঙ্গেও সামঞ্জস্যপূর্ণ বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে।

    চলতি বছরের শুরুতে পেন্টাগন ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদন বাড়াতে কয়েকটি চুক্তি করলেও, এসব অস্ত্র পুনরায় মজুত করতে তিন থেকে পাঁচ বছর সময় লাগবে বলে জানিয়েছেন সিএসআইএসের বিশেষজ্ঞরা।

    বিজ্ঞাপন

    সিএনএন বলছে, স্বল্পমেয়াদে যুদ্ধবিরতি ভেঙে গেলে ইরানের বিরুদ্ধে অভিযান চালানোর মতো পর্যাপ্ত অস্ত্র যুক্তরাষ্ট্রের হাতে থাকতে পারে। তবে চীনের মতো সমমানের শক্তির বিরুদ্ধে লড়াই করার মতো পর্যাপ্ত গোলাবারুদ এখন আর নেই। যুদ্ধের আগে যে পর্যায়ে অস্ত্র ভাণ্ডার ছিল, সেখানে ফিরতে কয়েক বছর সময় লাগবে বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

    সিএসআইএসের প্রতিবেদনের সহ-লেখক ও সাবেক মার্কিন মেরিন কর্নেল মার্ক ক্যানসিয়ান বলেন, ‘বিপুল পরিমাণ গোলাবারুদ ব্যবহারের কারণে পশ্চিম প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে দুর্বলতার একটি সময় তৈরি হয়েছে। এই ঘাটতি পূরণে এক থেকে চার বছর সময় লাগবে, আর প্রয়োজনীয় মাত্রায় বাড়াতে আরও কয়েক বছর লাগবে।’

    তবে মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তর পেন্টাগনের মুখপাত্র শন পারনেল সিএনএনকে দেয়া এক বিবৃতিতে বলেন, ‘প্রেসিডেন্ট যে সময় ও স্থানে নির্দেশ দেবেন, সেখানে অভিযান চালানোর জন্য সামরিক বাহিনীর যা প্রয়োজন, তা তাদের কাছে রয়েছে’। তিনি বলেন, ‘প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দায়িত্ব নেয়ার পর থেকে আমরা বিভিন্ন কমান্ডে সফল অভিযান পরিচালনা করেছি এবং একই সঙ্গে আমাদের জনগণ ও স্বার্থ রক্ষায় প্রয়োজনীয় শক্তিশালী সামরিক সক্ষমতাও বজায় রেখেছি।’

    বিশ্লেষণ অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্র তাদের টমাহক ক্ষেপণাস্ত্রের প্রায় ৩০ শতাংশ, দীর্ঘপাল্লার জয়েন্ট এয়ার-টু-সারফেস স্ট্যান্ডঅফ মিসাইলের ২০ শতাংশের বেশি এবং এসএম-৩ ও এসএম-৬ মিসাইলের প্রায় ২০ শতাংশ ব্যবহার করেছে। এসব অস্ত্র পুনরায় মজুত করতে প্রায় চার থেকে পাঁচ বছর সময় লাগতে পারে।

    এই পরিস্থিতি প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাম্প্রতিক বক্তব্যের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। তিনি দাবি করেছিলেন, যুক্তরাষ্ট্র কোনও অস্ত্র সংকটে পড়েনি। যদিও ইরান যুদ্ধের প্রভাবে ক্ষেপণাস্ত্র মজুত কমে যাওয়ায় অতিরিক্ত বাজেট চেয়েছেন তিনি।

    আরও খবর

    Sponsered content

    বিজ্ঞাপন
    সর্বশেষ সংবাদ
    11:20 AM ইরান যুদ্ধে শেষ ক্ষেপণাস্ত্রের বিপুল অংশ, বড় ধরণের সামরিক ঝুঁকিতে যুক্তরাষ্ট্র 10:42 PM উত্তরার লেক রোইং ফেডারেশনকে হন্তান্তরের নির্দেশ 6:58 PM ৬ষ্ঠ এশিয়ান বিচ গেমস: সানিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী 6:46 PM সরাসরি মার্কিন অবরোধ ভাঙল ইরানি ট্যাংকার: আইআরআইবি 6:31 PM হাম ও উপসর্গে আরও ৩ জনের মৃত্যু 5:24 PM পুলিশের পোশাকে ফের পরিবর্তন, ফিরছে গাঢ় নীল-অলিভ রং 5:14 PM বর্তমানে বাংলাদেশে বিদেশি ঋণের পরিমাণ ৭৮ বিলিয়ন ডলারের বেশি 4:58 PM বিশ্বমঞ্চে বড় বিস্ময়-কেপ ভার্দে প্রথমবার বিশ্বকাপে 4:16 PM বাংলাদেশ-নিউজিল্যান্ড ‘ফাইনাল’ ম্যাচের টিকিটের মূল্য প্রকাশ 3:58 PM খেলার ‘অস্কার’ খ্যাত লরিয়াস জিতেছেন সাবালেঙ্কা, আলকারাস