
প্রতিনিধি 31 January 2026 , 8:33:08 প্রিন্ট সংস্করণ

সংসদ নির্বাচন ও গণভোট সামনে রেখে সাংবাদিক ও পর্যবেক্ষকদের কার্ড দেওয়ার নিয়মে বড় পরিবর্তন এনেছিল নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এবারই প্রথম সাংবাদিকদের কার্ড ও গাড়ির স্টিকার পেতে অনলাইনে আবেদন বাধ্যতামূলক করা হয়েছিল। শনিবার (৩১ জানুয়ারি) বিকেল ৪টার দিকে ইসির ওয়েবসাইটে ১৪ হাজার সাংবাদিকের এনআইডি নম্বর, মোবাইল নম্বরসহ আবেদনের কপি উন্মুক্ত হয়ে যায়। নির্বাচন কমিশনের নির্ধারিত ওয়েবসাইট pr.ecs.gov.bd এর মাধ্যমে এসব আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হয়েছে।
অপরদিকে, সাংবাদিকদের তোপের মুখে এই সিদ্ধান্ত থেকে বৃহস্পতিবার সরে এসেছে নাসির উদ্দিন কমিশন। নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত পরিবর্তনের আগে প্রায় ১৪ হাজার সাংবাদিক কার্ড ও স্টিকার পেতে ইসির অনলাইন সিস্টেমে আবেদন করেন। তবে এই ১৪ হাজার সাংবাদিকের সব তথ্য ইসির ওই নির্দিষ্ট ওয়েবসাইট থেকে উন্মুক্ত হয়ে যায়।

ইসির নির্ধারিত এই ওয়েবসাইটে দেখা যায়, শনিবার বিকেল ৪টার পর কেউ লগইন করে ওয়েবসাইটে প্রবেশের সঙ্গে সঙ্গেই ১৪ হাজার সাংবাদিকের আবেদনের তালিকা হোম পেজে চলে আসছে। ওয়েবসাইটের হোম পেজে তালিকা আসার পাশাপাশি আবেদনকারীর নাম, এনআইডি নম্বর, মোবাইল নম্বর এবং সম্পূর্ণ আবেদন ওপেন করার অপশন চলে আসে। তবে কিছু সময় পর আর ওয়েবসাইটটিতে প্রবেশ করা যায়নি।
এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের জনসংযোগ শাখার পরিচালক মো. রুহুল আমিন মল্লিক বলেন, আমরা অনলাইন সিস্টেম গতকাল (শুক্রবার) বন্ধ করে দিয়েছি। এটা কীভাবে ওপেন হলো সেটা খোঁজ নিয়ে বলতে পারব। পরে তিনি খোঁজ নিয়ে জানান, শনিবার বিকেলে ওয়েবসাইটের অ্যাডমিনের দায়িত্বে যিনি ছিলেন, তিনি ওপেন করেছিলেন। তবে এখন ওয়েবসাইট বন্ধ আছে।
অপরদিকে, নির্বাচন কমিশন বিটের সাংবাদিকদের সঙ্গে আলোচনা না করেই অনলাইন পদ্ধতিতে অনলাইন সিস্টেম চালু করে নির্বাচন কমিশনের জনসংযোগ শাখা। পরে গত বৃহস্পতিবার প্রধান নির্বাচন কমিশনারের (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের সঙ্গে সাংবাদিকরা বৈঠক করে আল্টিমেটাম দিলে ইসি অনলাইন সিস্টেম থেকে সরে এসে আগের পদ্ধতিতে কার্ড ও গাড়ির স্টিকার দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়।
উল্লেখ্য, সাংবাদিকদের অনলাইনে রেজিস্ট্রেশন করতে বলেছিল ইসি। ওয়েবসাইটে প্রবেশ করার পর ধাপে ধাপে জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর, ই-মেইল ঠিকানা, মোবাইল নম্বর ও পাসওয়ার্ড দিতে হয়েছে। সব ধাপ পূরণ করার পর প্রদত্ত মোবাইল নম্বরে একটি ওটিপি পাঠানো হয়। ওটিপি যাচাইয়ের মাধ্যমে রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন হয়।