
প্রতিনিধি 18 January 2026 , 3:18:33 প্রিন্ট সংস্করণ

প্লে-অফের লড়াই থেকে আগেই ছিটকে গেছে প্রথমবার বিপিএল খেলতে আসা নোয়াখালী এক্সপ্রেস। তবে নিজেদের শেষ ম্যাচটা স্মরণীয় করে রাখার দারুণ এক উপলক্ষ পেল দলটি। আফগান তরুণ হাসান ইসাখিলের রেকর্ডগড়া সেঞ্চুরিতে রংপুর রাইডার্সের বিপক্ষে নির্ধারিত ২০ ওভারে ২ উইকেটে ১৭৩ রানের বড় সংগ্রহ পেয়েছে নোয়াখালী। প্রথম কোয়ালিফায়ারে খেলার আশা বাঁচিয়ে রাখতে লিটন দাসের রংপুরকে করতে হবে ১৭৪ রান।
রোববার মিরপুরে টস জিতে আগে বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন রংপুর রাইডার্স অধিনায়ক লিটন দাস। শুরুর দিকে নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে নোয়াখালীর টপ অর্ডারকে চেপে ধরেন রংপুরের বোলাররা। প্রথম ৪ ওভারে মাত্র ১৫ রান তুলতে পারে নোয়াখালী। পাওয়ার প্লের ৬ ওভারে ১ উইকেট হারিয়ে ওঠে মাত্র ৩৩ রান। বিপিএলে নিজের প্রথম ম্যাচ খেলতে নামা রহমতউল্লাহ ১০ বলে ৯ রান করে নাহিদ রানার শিকারে পরিণত হন। এরপর জাকের আলীও দ্রুত ফিরে যান। ইনিংসের অর্ধেক শেষে ২ উইকেটে মাত্র ৪৭ রান তুলতে পেরেছিল নোয়াখালী।

১১তম ওভারের পর থেকে খোলস ছেড়ে বেরিয়ে আসতে শুরু করেন ইসাখিল ও হায়দার আলী। বিশেষ করে ১৫তম ওভারের পর রংপুরের বোলারদের ওপর রীতিমতো ঝড় তোলেন এই দুজন। শেষ ৫ ওভারে আসে ৭৫ রান। অবিচ্ছিন্ন তৃতীয় উইকেটে মাত্র ৬৭ বলে শতরানের জুটি গড়েন তারা।
বিপিএলের চলতি আসরে নিজের প্রথম ম্যাচে ৯২ রানে আউট হয়ে সেঞ্চুরির আক্ষেপে পুড়েছিলেন আফগান গ্রেট মোহাম্মদ নবির ছেলে হাসান ইসাখিল। আজ আর সেই ভুল করেননি। ব্যক্তিগত ৮৬ রানে মিড উইকেটে ইফতেখার ইফতির হাতে ক্যাচ দিয়েও ‘জীবন’ পান তিনি। এরপর শেষ ওভারের প্রথম দুই বলে ছক্কা হাঁকিয়ে ৭০ বলে তুলে নেন টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ারের প্রথম সেঞ্চুরি।
বিপিএলের ইতিহাসে কোনো আফগান ব্যাটারের প্রথম সেঞ্চুরি এটি। চলতি আসরে নাজমুল হোসেন শান্তর পর দ্বিতীয় সেঞ্চুরিও এটি। শেষ পর্যন্ত ৭২ বলে ১০ ছক্কা ও ৪টি চারের সাহায্যে ১০৭ রানে অপরাজিত থাকেন ইসাখিল। তাকে যোগ্য সঙ্গ দিয়ে হায়দার আলীও অপরাজিত থাকেন। দুজনের বিধ্বংসী জুটিতে ১৭৩ রানের চ্যালেঞ্জিং পুঁজি পায় আসর থেকে বিদায় নেওয়া নোয়াখালী।