
প্রতিনিধি 25 April 2026 , 12:36:22 প্রিন্ট সংস্করণ

আর মাত্র ৪৮ দিনের অপেক্ষা। এরপরই শুরু হচ্ছে ফুটবল বিশ্বের সবচেয়ে বড় আসর ফিফা বিশ্বকাপ। প্রথমবারের মতো ৪৮ দলের এই টুর্নামেন্ট বসছে মেক্সিকো, কানাডা ও যুক্তরাষ্ট্রে।
দল পরিচিতি
দক্ষিণ আমেরিকার ফুটবল পরাশক্তি আর্জেন্টিনা বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম ঐতিহ্যবাহী দল। আক্রমণাত্মক ফুটবল, টেকনিক্যাল দক্ষতা এবং আবেগময় খেলার জন্য দলটি বিশ্বজুড়ে সমাদৃত।
বিশ্বকাপে ইতিহাস
আর্জেন্টিনা এখন পর্যন্ত তিনবার বিশ্বচ্যাম্পিয়ন-১৯৭৮, ১৯৮৬ এবং সর্বশেষ কাতারে অনুষ্ঠীত ফিফা বিশ্বকাপ ২০২২। ডিয়াগো ম্যারাডোনা-এর হাত ধরে ১৯৮৬ সালে ঐতিহাসিক সাফল্যের পর দীর্ঘ ৩৬ বছর অপেক্ষার অবসান ঘটে লিওনেল মেসির-এর নেতৃত্বে ২০২২ সালে।
বর্তমান স্কোয়াড
বর্তমান আর্জেন্টিনা দলে অভিজ্ঞতা ও তরুণ প্রতিভার দারুণ মিশেল দেখা যাচ্ছে।
গোলরক্ষক: এমিলিয়ানো মার্টিনেজ।
ডিফেন্স: ক্রিস্টিয়ান রোমেরো, লিসান্দ্রো মার্টিনেজ, নাহুয়েল মোলিনা।
মিডফিল্ড: এনজো ফার্নান্দেজ, অ্যালেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টার, রদ্রিগো ডি পল।
আক্রমণভাগ: লিওনেল মেসি,জুলিয়ান আলভারেজ, লাউতারো মার্টিনেজ।
শক্তিমত্তা

আর্জেন্টিনার সবচেয়ে বড় শক্তি তাদের দলগত সমন্বয় ও মিডফিল্ড কন্ট্রোল। দ্রুত পাসিং, প্রেসিং এবং ম্যাচের গতি নিয়ন্ত্রণে তারা অত্যন্ত দক্ষ। এছাড়া গোলরক্ষক লিওনেল মেসি,এমিলিয়ানো মার্টিনেজের নির্ভরযোগ্য পারফরম্যান্স দলকে বাড়তি আত্মবিশ্বাস দেয়।
দুর্বলতা
দলের কিছু খেলোয়াড়ের বয়স বাড়ছে। ডিফেন্সে কখনো কখনো গতি ও গভীরতার অভাব চোখে পড়ে। ইনজুরি সমস্যাও বড় টুর্নামেন্টে প্রভাব ফেলতে পারে।
কোচের কৌশল
কোচ লিওনেল স্কালোনি-এর অধীনে দলটি ৪-৩-৩ এবং ৪-৪-২ ফরমেশনে খেলতে অভ্যস্ত। তিনি ডিফেন্স থেকে আক্রমণে দ্রুত ট্রানজিশন এবং মিডফিল্ড প্রেসিংকে গুরুত্ব দেন। তার কৌশলগত নমনীয়তা আর্জেন্টিনাকে প্রতিপক্ষ অনুযায়ী পরিকল্পনা বদলানোর সুবিধা দেয়।
সম্ভাব্য একাদশ (২০২৬)
গোলরক্ষক: এমিলিয়ানো মার্টিনেজ।
ডিফেন্স: মোলিনা, রোমেরো, লিসান্দ্রো, তাগলিয়াফিকো।
মিডফিল্ড: এনজো, ম্যাক অ্যালিস্টার, ডি পল।
আক্রমণ: লিওনেল মেসি,আলভারেজ, লাউতারো, নতুন প্রতিভা।
স্টার খেলোয়াড়
লিওনেল মেসি – অভিজ্ঞতা ও নেতৃত্ব।
জুলিয়ান আলভারেজ – ভবিষ্যতের আক্রমণভাগের ভরসা।
এনজো ফার্নান্দেজ – মিডফিল্ডের নিয়ন্ত্রক।
এমিলিয়ানো মার্টিনেজ – নির্ভরযোগ্য গোলরক্ষক।
পূর্বাভাস
২০২৬ সালের ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬ -এ আর্জেন্টিনা শিরোপা ধরে রাখার অন্যতম শক্তিশালী দাবিদার। তবে ফ্রান্স, ব্রাজিল এবং ইংল্যান্ড -এর মতো শক্তিশালী দলগুলো কঠিন প্রতিদ্বন্দ্বিতা গড়ে তুলবে।