
প্রতিনিধি 19 March 2026 , 4:19:10 প্রিন্ট সংস্করণ

ঈদের আনন্দ প্রিয়জনের সঙ্গে ভাগ করে নিতে নাড়ির টানে গ্রামে ছুটছে লাখ লাখ মানুষ। ফলে সব মহাসড়কে যাত্রীবাহী গাড়ির চাপ বেড়েছে। অতিরিক্ত যানবাহনের চাপ ও যানযটে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের, যমুনা সেতু থেকে করটিয়া বাইপাস পর্যন্ত প্রায় ৩০ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে যানবাহনগুলো ধীরগতিতে চলছে। এতে ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে ঘরমুখো মানুষের। বিশেষ করে, নন-এসি বাস, খোলা ট্রাক ও পিকআপে করে যাত্রা করা নারী-শিশু ও বৃদ্ধরা কষ্ট পাচ্ছেন বেশি।

বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) বেলা সাড়ে ১১টায় মহাসড়কের আশেকপুর বাইপাস, রাবনা বাইপাইস, এলেঙ্গা বাসস্ট্যান্ডসহ বিভিন্ন পয়েন্ট এমন চিত্র দেখা গেছে। গার্মেন্টস গুলোতে আজ সর্বশেষ ছুটি হওয়ায়। এখনো মহাসড়কে মানুষের ঢল। পরিবহন সংকট ও ভাড়া দ্বিগুণ হওয়ার কারণে বেশির ভাগ মানুষ জীবনের ঝুঁকি নিয়ে খোলা ট্রাক-পিকআপে যাচ্ছেন। অনেকে ভাড়ায় চালিত প্রাইভেটকার ও নিজস্ব মোটরসাইকেলে যাচ্ছেন। মহাসড়কে ধীরগতি হওয়ার ফলে ভোগান্তিতে পড়েছেন সব ধরনের গাড়ির যাত্রীরা।
এলেঙ্গা হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মুহাম্মদ শরীফ বলেন, অতিরিক্ত যানবাহনের চাপ, মহাসড়কে যানবাহন বিকল হওয়ায় যানবাহনের ধীরগতির সৃষ্টি হয়েছে। বেলা বাড়ার সাথে সাথে গতি ফিরছে। তবে যমুনা সেতু থেকে পৌলি পর্যন্ত যানবাহনের ধীরগতি রয়েছে। ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে মহাসড়কে পর্যাপ্ত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী মোতায়েন রয়েছে।