
প্রতিনিধি 30 April 2026 , 3:57:24 প্রিন্ট সংস্করণ

মধ্যপ্রাচ্যের উদীয়মান ফুটবল শক্তি জর্ডান এখন বিশ্ব ফুটবলের বড় মঞ্চে নিজেদের প্রমাণ করার অপেক্ষায়। বিশ্বকাপ ২০২৬ সামনে রেখে দলটি তৈরি করছে ইতিহাস গড়ার মঞ্চ।
দল পরিচিতি
১৯৪৯ সালে প্রতিষ্ঠিত জর্ডান ফুটবল দল দীর্ঘদিন ধরেই এশিয়ার মাঝারি সারির দল হিসেবে পরিচিত ছিল। তবে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে তাদের পারফরম্যান্সে এসেছে উল্লেখযোগ্য উন্নতি। দক্ষ মিডফিল্ড, দ্রুতগতির উইং এবং শৃঙ্খলাপূর্ণ ডিফেন্স-এই তিন শক্তির ওপর দাঁড়িয়ে দলটি এগোচ্ছে নতুন লক্ষ্যে।

বিশ্বকাপে ইতিহাস
জর্ডান এখনো পর্যন্ত কোনো ফিফা বিশ্বকাপ -এর মূল পর্বে খেলতে পারেনি। ২০১৪ বিশ্বকাপের প্লে-অফ পর্যন্ত পৌঁছানোই তাদের সেরা সাফল্য, যেখানে তারা উরুগুয়ের কাছে হেরে যায়। ফলে ২০২৬ বিশ্বকাপ তাদের জন্য হতে পারে এক ঐতিহাসিক অভিষেকের সুযোগ।
যেভাবে বিশ্বকাপে কোয়ালিফাই করার পথে

২০২৬ বিশ্বকাপে এশিয়া অঞ্চলের জন্য বাড়তি আসন বরাদ্দ জর্ডানের জন্য বড় সুযোগ এনে দিয়েছে। শক্তিশালী দলগুলোর বিপক্ষে ধারাবাহিক পারফরম্যান্স, বিশেষ করে ডিফেন্সিভ দৃঢ়তা ও কাউন্টার অ্যাটাকের সফল ব্যবহার-এই কৌশলেই তারা বিশ্বকাপে জায়গা করে নিয়েছে।
বিশ্বকাপ গ্রুপ ও প্রতিপক্ষ
জর্ডান পড়েছে গ্রুপ জি তে আর্জেন্টিনা,আলজেরিয়া ও অস্ট্রিয়া । ইউরোপ ও দক্ষিণ আমেরিকার শক্তিশালী দলের সঙ্গে।
এই ধরনের গ্রুপে প্রতিটি ম্যাচই হবে কঠিন পরীক্ষার।
বর্তমান স্কোয়াড
জর্ডানের স্কোয়াডে রয়েছে অভিজ্ঞতা ও তারুণ্যের মিশেল। দলের মূল ভরসা:
মুসা আল-তামারি,ইয়াযান আল-নাইমাত,বাহা ফয়সাল এই তিন তারকা।
শক্তিমত্তা
দ্রুতগতির কাউন্টার অ্যাটাক,দলগত শৃঙ্খলা,সেট-পিস থেকে গোল করার দক্ষতা।
দুর্বলতা
বড় দলের বিরুদ্ধে অভিজ্ঞতার অভাব। ডিফেন্সে মাঝে মাঝে সমন্বয়হীনতা । গভীর স্কোয়াডের ঘাটতি।
কোচের কৌশল
বর্তমান কোচ হুসেন আম্মুতা সাধারণত ৪-২-৩-১ ফরমেশন ব্যবহার করেন। তার কৌশল:
শক্ত ডিফেন্স,দ্রুত ট্রানজিশন,উইং দিয়ে আক্রমণ তৈরি।
প্রেডিকশন
যদি জর্ডান বিশ্বকাপে প্রথম রাউন্ড পেরোনোই হবে বড় সাফল্য। তবে তাদের বর্তমান ফর্ম ও আত্মবিশ্বাস বিবেচনায়, তারা যেকোনো বড় দলকে চমকে দিতে সক্ষম।