
প্রতিনিধি 17 March 2026 , 11:24:07 প্রিন্ট সংস্করণ

পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে টানা সাত দিনের সরকারি ছুটি শুরু হওয়ায় ঢাকা ছাড়ছেন ঘরমুখো মানুষ। ছুটির প্রথম দিন থেকেই রেলস্টেশন ও সড়কপথে যাত্রীদের ব্যাপক চাপ দেখা গেছে।
মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) থেকে শুরু হওয়া এই ছুটি চলবে ২৩ মার্চ পর্যন্ত। চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী ২১ মার্চ ঈদ উদযাপিত হতে পারে। এ উপলক্ষে আগে থেকেই ১৯ থেকে ২৩ মার্চ পর্যন্ত পাঁচ দিনের ছুটি নির্ধারিত ছিল। পরে ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে ১৮ মার্চ অতিরিক্ত ছুটি ঘোষণা করা হয়। আর ১৭ মার্চ শবেকদরের ছুটি মিলিয়ে সরকারি চাকরিজীবীরা টানা সাত দিনের ছুটি পাচ্ছেন।
কমলাপুর রেলস্টেশনে যাত্রীদের ঢল নেমেছে। ভোর থেকেই পরিবার-পরিজন নিয়ে গ্রামের পথে রওনা হচ্ছেন হাজারো মানুষ।
সকাল ৮টা পর্যন্ত স্টেশনটি থেকে দেশের বিভিন্ন গন্তব্যে ছেড়ে গেছে ১১টি ট্রেন, যার মধ্যে ৯টি আন্তঃনগর ও ২টি কমিউটার ট্রেন। প্রতিদিন প্রায় ৩১ হাজার আসন বরাদ্দ থাকলেও যাত্রীর চাপ বেশি হওয়ায় অনেকেই নির্ধারিত আসনে বসতে পারছেন না।

উত্তরাঞ্চলগামী ট্রেনগুলোতে চাপ সবচেয়ে বেশি। অতিরিক্ত যাত্রী সামাল দিতে কিছু ট্রেনে বাড়তি বগি যুক্ত করা হলেও পরিস্থিতি পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসেনি।
অতিরিক্ত ভিড়ের কারণে অনেক যাত্রীকে ট্রেনের ছাদে ও দরজায় ঝুলে যাত্রা করতে দেখা গেছে, যা বড় ধরনের ঝুঁকি তৈরি করছে। যাত্রীদের অভিযোগ, এসব ঝুঁকিপূর্ণ যাত্রা ঠেকাতে স্টেশন কর্তৃপক্ষের তৎপরতা যথেষ্ট নয়।
রেলপথের পাশাপাশি সড়কপথেও বেড়েছে ঘরমুখো মানুষের চাপ। সকাল থেকেই গাবতলী বাস টার্মিনাল থেকে বাসে করে বাড়ির পথে রওনা হচ্ছেন অনেকেই। একই দৃশ্য মহাখালী বাস টার্মিনাল ও সায়েদাবাদ বাস টার্মিনাল এলাকায়।
অনেকে আগেভাগে রওনা হয়েছেন, যাতে ভিড় ও ভোগান্তি এড়ানো যায়। দীর্ঘ ছুটি থাকায় এবারের ঈদযাত্রা তুলনামূলক স্বস্তিদায়ক হবে বলে আশা করছেন যাত্রীরা।
ঈদযাত্রা নিরাপদ রাখতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। প্ল্যাটফর্মে প্রবেশ নিয়ন্ত্রণেও কিছু কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে।
ঘোষিত ছুটির সময়ে দেশের সরকারি, আধা-সরকারি ও বেসরকারি অধিকাংশ অফিস বন্ধ থাকবে। তবে বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস, ফায়ার সার্ভিস, বন্দর, টেলিযোগাযোগসহ জরুরি সেবাগুলো স্বাভাবিকভাবে চালু থাকবে।
এ ছাড়া হাসপাতাল, জরুরি চিকিৎ