
প্রতিনিধি 9 February 2026 , 12:04:09 প্রিন্ট সংস্করণ

দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশ থাইল্যান্ডের সাধারণ নির্বাচনে বড় ব্যবধানে জয় পেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী আনুতিন চানভিরাকুল। তার নেতৃত্বাধীন ভূমজাইথাই পার্টি দেশের রাজনৈতিক অস্থিরতার অবসান ঘটিয়ে স্থিতিশীল সরকার গঠনের সম্ভাবনা তৈরি করেছে।
রয়টার্স জানিয়েছে, গত ডিসেম্বরে আনুতিন সীমান্ত সংঘাতকে কেন্দ্র করে আকস্মিক নির্বাচন ঘোষণা করেন। নির্বাচনের আগে তার দল এককভাবে সংখ্যাগরিষ্ঠ নয়, তবে প্রাথমিক ফলাফলে ৫০০ আসনের সংসদে ভূমজাইথাই পেয়েছে প্রায় ১৯২টি আসন। প্রগতিশীল পিপলস পার্টি পেয়েছে ১১৭টি এবং প্রভাবশালী পেউ থাই পার্টি ৭৪টি আসন। আনুতিন বলেন, “এই জয় শুধু ভূমজাইথাই নয়, এটি সকল থাই নাগরিকের জয়। আমরা সর্বোচ্চ সামর্থ্য দিয়ে জনগণের সেবা করতে চাই।”

পিপলস পার্টির নেতা নাত্থাফং রুয়াংপানিয়াওয়ুত স্বীকার করেন, তাদের দল জয়ের পথে নেই। তিনি জানান, তারা ভূমজাইথাই নেতৃত্বাধীন সরকারের অংশ হবে না এবং প্রতিদ্বন্দ্বী জোটও গঠন করবে না।
ভূমজাইথাই পার্টি জাতীয়তাবাদ, অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং নিরাপত্তা বিষয়কে সামনে রেখে প্রচারণা চালিয়েছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, আনুতিনের বিজয় আসে জাতীয়তাবাদী ভোটারদের সমর্থন এবং গ্রামাঞ্চলে প্রতিদ্বন্দ্বীদের প্রভাব কমানোর কৌশলের কারণে।
নির্বাচনের সঙ্গে ভোটারদের কাছে গণভোটেও নতুন সংবিধান প্রণয়নের বিষয়ে মত চাওয়া হয়েছিল। নির্বাচনী কমিশনের প্রাথমিক ফলাফলে দেখা গেছে, প্রায় দুই-এক ব্যবধানে ভোটাররা নতুন সংবিধানের পক্ষে মত দিয়েছেন। ২০১৭ সালে সামরিক প্রণীত সংবিধান অনির্বাচিত ও অগণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোর মাধ্যমে ক্ষমতা কেন্দ্রভূত করেছিল। নতুন সংবিধান পাস হলে সরকার ও সংসদ সংসদে সংশোধন প্রক্রিয়া শুরু করতে পারবে, তবে চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য আরও দুটি গণভোট প্রয়োজন হবে।