
প্রতিনিধি 25 January 2026 , 8:10:33 প্রিন্ট সংস্করণ

মানবতাবিরোধী অপরাধে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ২৩ জানুয়ারি ভারতের নয়াদিল্লিতে প্রকাশ্যে একটি অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করার সুযোগ দেয়ার ঘটনায়, গভীর ক্ষোভ ও বিস্ময় প্রকাশ করেছে সরকার। রোববার (২৫ জানুয়ারি) বিকেলে এ বিষয়ে বিবৃতি দিয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
বিবৃতিতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, শেখ হাসিনা তার বক্তব্যে দলীয় অনুসারী ও সাধারণ জনগণকে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িত হতে প্রকাশ্য উসকানি দিয়েছেন। এতে বাংলাদেশের শান্তি-নিরাপত্তা ও গণতান্ত্রিক উত্তরণ মারাত্মকভাবে হুমকির মুখে পড়েছে বলে সরকার মনে করে।

এতে আরও বলা হয়, দ্বিপাক্ষিক প্রত্যর্পণ চুক্তির আওতায় শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশের কাছে হস্তান্তরের জন্য ভারতকে বার বার অনুরোধ জানানো হলেও, এখনো এ বিষয়ে কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেয়া হয়নি। বরং, ভারতের মাটিতে দাঁড়িয়ে তাকে এ ধরনের উসকানিমূলক বক্তৃতার সুযোগ দেয়া হয়েছে, যা বাংলাদেশের জনগণের অনুভূতিকে গভীরভাবে আঘাত করেছে।
বাংলাদেশ সরকার মনে করে, ভারতের রাজধানীতে এ ধরনের অনুষ্ঠানের আয়োজনের অনুমতি দেয়া এবং একজন দণ্ডিত ব্যক্তিকে প্রকাশ্যে ঘৃণামূলক কথা বলার সুযোগ করে দেয়া, রাষ্ট্রসমূহের পারস্পরিক সম্পর্কের প্রচলিত নীতিমালা-যেমন সার্বভৌমত্বের প্রতি শ্রদ্ধা, অভ্যন্তরীণ বিষয়ে অনধিকার হস্তক্ষেপ এবং সুপ্রতিবেশীসুলভ আচরণের পরিপন্থি। এটি বাংলাদেশ সরকার ও জনগণের প্রতি একটি স্পষ্ট অবমাননা।
উল্লেখ্য: ২৩ জানুয়ারি নয়াদিল্লির ওই অনুষ্ঠানে, শেখ হাসিনা বাংলাদেশের সরকার উৎখাতের আহ্বান জানান। একই সঙ্গে আসন্ন জাতীয় নির্বাচনকে ভণ্ডুল করার লক্ষ্যে সহিংসতায় উসকানিমূলক বক্তৃতা করেন।