
প্রতিনিধি 21 May 2026 , 3:15:41 প্রিন্ট সংস্করণ

যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোর যৌথ আয়োজনে ২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপের মহোৎসব শুরু হতে বাকি আর মাত্র কয়েক সপ্তাহ। বিশ্বমঞ্চে নামার আগে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনার চূড়ান্ত স্কোয়াড কেমন হবে, তা নিয়ে ফুটবলপ্রেমীদের আগ্রহের পারদ এখন তুঙ্গে। কাতার বিশ্বকাপ জয়ের পর এবার শিরোপা ধরে রাখার কঠিন মিশনে নামবে লিওনেল মেসির দল। আর সেই লক্ষ্যেই এখন থেকেই স্কোয়াড নিয়ে বড়সড় সব সিদ্ধান্ত নিতে শুরু করেছেন মাস্টারমাইন্ড কোচ লিওনেল স্কালোনি।
ফিফার নিয়ম অনুযায়ী, বিশ্বকাপের জন্য প্রাথমিক ৫৫ সদস্যের বিশাল তালিকা থেকে ধাপে ধাপে খেলোয়াড় কমিয়ে আনার পরিকল্পনা করছে আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন (এএফএ)। সর্বশেষ খবর অনুযায়ী, কোচ স্কালোনি আপাতত ২৮ জনের একটি সংক্ষিপ্ত তালিকা তৈরি করতে যাচ্ছেন। আর সেই তালিকায় আর্জেন্টিনা ভক্তদের জন্য থাকতে পারে বড় দুটি চমক ফরোয়ার্ড এমিলিয়ানো বুয়েন্দিয়া ও উইঙ্গার মাতিয়াস সুলে।

এই দুই তরুণ ও প্রতিভাবান ফুটবলার দীর্ঘদিন ধরে জাতীয় দলের মূল পরিকল্পনার বাইরে ছিলেন। তবে চলতি মৌসুমে ইউরোপিয়ান ক্লাব ফুটবলে দুর্দান্ত পারফর্ম করে আবারও লাইমলাইটে উঠে এসেছেন তারা। স্কালোনিও তাদের সাম্প্রতিক পারফরম্যান্সে ভীষণ মুগ্ধ বলে জানা গেছে। ফলে শেষ মুহূর্তে বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের বিশ্বকাপ স্কোয়াডে জায়গা পাওয়ার জোরালো সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে এই দুই তারকার সামনে।
চলতি মৌসুমে ইংলিশ ক্লাব অ্যাস্টন ভিলার হয়ে মাঠ মাতিয়েছেন এমিলিয়ানো বুয়েন্দিয়া। সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে ভিলার হয়ে ৫২ ম্যাচে মাঠে নেমে ১১টি গোল করার পাশাপাশি সতীর্থদের দিয়ে করিয়েছেন আরও ৯টি গোল। বিশেষ করে গত রাতেই ক্লাবটির ইউরোপা লিগের ঐতিহাসিক ফাইনালে এক গোল ও অ্যাসিস্ট করে ভিলাকে চ্যাম্পিয়ন বানাতে অনন্য ভূমিকা রাখেন তিনি।
অন্যদিকে, ইতালিয়ান সিরি-আ’র ঐতিহ্যবাহী ক্লাব রোমার হয়ে চলতি মৌসুমে নিজেকে দারুণভাবে মেলে ধরেছেন আরেক আর্জেন্টাইন মাতিয়াস সুলে। রোমার জার্সিতে চলতি মৌসুমে ৪১ ম্যাচে মাঠে নেমে ৭টি গোল এবং ৮টি অ্যাসিস্ট করেছেন এই তরুণ।
বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা এবার বিশ্বকাপে খেলবে ‘জে’ গ্রুপে। সেখানে তাদের প্রতিপক্ষ আলজেরিয়া, অস্ট্রিয়া ও জর্ডান। আগামী ১৬ জুন কানসাস সিটির অ্যারোহেড স্টেডিয়ামে আলজেরিয়ার বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে শিরোপা ধরে রাখার মিশন শুরু করবে লিওনেল স্কালোনির দল। ভক্তদের আশা, বুয়েন্দিয়া ও সুলে-র মতো নতুন রক্তের অন্তর্ভুক্তি মেসির দলের আক্রমণভাগকে আরও শক্তিশালী করে তুলবে।