• খেলা

    আইসিসির আসল চেহারা উন্মোচন করল উইজডেন

      প্রতিনিধি 26 January 2026 , 10:55:22 প্রিন্ট সংস্করণ

    বিজ্ঞাপন
    Main Banner Ads For Captains TV

    বাংলাদেশের ভেন্যু পরিবর্তনের অনুরোধ প্রত্যাখ্যান করার পর আনুষ্ঠানিকভাবে আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে স্কটল্যান্ডকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। অথচ গত গত বছর চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে পাকিস্তানের বাইরে ম্যাচ আয়োজনের জন্য ভারতের করা একই ধরনের অনুরোধ ঠিকই রেখেছিল আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)। দুটি ঘটনাকে সামনে রেখে বিখ্যাত ক্রিকেট ম্যাগাজিন উইজডেন প্রশ্ন তুলেছে, এটি কি ‘ডাবল স্ট্যান্ডার্ড’ নয়?

    ২০২৫ সালের চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির আগেও ঘটেছিল। টুর্নামেন্টটি এককভাবে পাকিস্তানে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকলেও ভারত জানিয়ে দেয়, তারা পাকিস্তানে সফর করবে না। নিজেদের ম্যাচের জন্য নিরপেক্ষ ভেন্যুর দাবি তুলেছিল দেশটি। দীর্ঘ আলোচনার পর সে দাবি মেনে নেয় আইসিসি। ভারত তাদের সব ম্যাচ দুবাইয়ে খেলে। ভ্রমণের ধকল না থাকা এবং সব ম্যাচ একই মাঠে খেলার ‘বাড়তি সুবিধা’ কাজে লাগিয়ে ভারত টুর্নামেন্টটি জিতেও নেয়।

    ভারত পাকিস্তান টানাপড়েনের মধ্যেই আলোচনায় আসে বাংলাদেশ। বিষয়টির সূত্রপাত আইপিএলকে ঘিরে। উগ্রবাদীদের হুমকির কারণে মোস্তাফিজুর রহমানকে আইপিএল দল থেকে বাদ দেওয়া হলে ভারতে গিয়ে বিশ্বকাপ খেলতে না যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড।

    আইসিসি স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেয় বিশ্বকাপ খেলতে হলে বাংলাদেশকে ভারতেই যেতে হবে। ভেন্যু পরিবর্তনের কোনো সুযোগ দেওয়া হবে না। ২২ জানুয়ারি বিসিবি জানায় তারা ভারতে গিয়ে খেলবে না এবং ভেন্যু পরিবর্তন হলে শ্রীলংকায় খেলতে আগ্রহী।

    বিজ্ঞাপন

    এরপর আইসিসি বাংলাদেশের প্রস্তাব নাকচ করে দিয়ে বাংলাদেশের পরিবর্তে স্কটল্যান্ডকে বিশ্বকাপে অন্তর্ভুক্ত করে।

    উইজডেনের প্রতিবেদনে বলা হয় দুটি ঘটনার মধ্যে সময়ের পার্থক্যই আইসিসির ডাবল স্ট্যান্ডার্ড স্পষ্ট করে। ভারত সিদ্ধান্ত জানাতে তিন মাস সময় পেলেও বাংলাদেশ পেয়েছে মাত্র এক মাস। সূচি ও গ্রুপ ঘোষণার পর এমন স্বল্প সময় দিয়ে চাপ তৈরি করা হয়েছে।

    প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয় মুস্তাফিজুর রহমান ইস্যুতে ভারতের রাজনৈতিক বার্তার বিষয়টি উপেক্ষা করা যায় না। বিসিসিআই কখনোই নিরাপত্তার কথা বলেনি বরং সাম্প্রতিক পরিস্থিতি শব্দটি ব্যবহার করেছে। উইজডেন মনে করে প্রশাসনিক ক্ষমতা ব্যবহার করে ক্রিকেটের মাধ্যমে রাজনৈতিক বার্তা দিয়েছে ভারত।

    বাংলাদেশ খেলোয়াড়দের নিরাপত্তা আত্মসম্মান ও নীতির প্রশ্নে কঠোর অবস্থান নিলেও সেটাই শেষ পর্যন্ত তাদের বিপক্ষে গেছে। আইসিসির জন্য না বলাটা সহজ হয়ে গেছে।

    অন্যদিকে অর্থনৈতিক শক্তি ও তারকা নির্ভর বাজারের কারণে ভারত জানে তাদের ছাড়া আইসিসির টুর্নামেন্ট প্রায় অচল। ফলে নিজেদের সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দিতে তারা সক্ষম হয়েছে। বাংলাদেশের সেই শক্তি না থাকায় এমন সিদ্ধান্তের খেসারত দিতে হয়েছে যা কয়েক সপ্তাহ আগেও কল্পনায় ছিল না।

    উইজডেনের বিশ্লেষণে স্পষ্টভাবে উঠে এসেছে আইসিসি এখন নীতি নৈতিকতা নয় বরং অর্থনৈতিক শক্তিকেই অগ্রাধিকার দিচ্ছে। ভারতের প্রভাবের সামনে বাংলাদেশের মতো ক্রিকেটপ্রেমী দেশের পক্ষে দাঁড়িয়ে থাকাই হয়ে উঠেছে সবচেয়ে কঠিন লড়াই।

    আরও খবর

    Sponsered content

    বিজ্ঞাপন
    সর্বশেষ সংবাদ
    6:30 PM জাতীয় স্টেডিয়ামে ফুটবল ম্যাচ উপভোগ করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান 6:10 PM ২ লাখ টাকা বেতনে সার্ক সাংস্কৃতিক কেন্দ্রে চাকরির সুযোগ 6:00 PM বিশ্ব বাজারে আবার বাড়ল জ্বালানি তেলের দাম 5:43 PM ফেসবুকে পোস্ট করা নিয়ে কৃষকদল নেতাকে পিটিয়ে হত্যা 5:20 PM সশস্ত্র বাহিনীকে আরও শক্তিশালী করতে চাই: প্রধানমন্ত্রী 5:04 PM স্বাধীনতা দিবসে সবুজ দলকে হারাল লাল দল 4:28 PM ২৫ মার্চ রাজারবাগ পুলিশ লাইনেই গণহত্যার শুরু ও স্বাধীনতার ঘোষণার প্রেক্ষাপট তৈরি হয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী 4:21 PM ডিজিএফআইয়ের সাবেক মহাপরিচালক মামুন ৫ দিনের রিমান্ডে 4:09 PM নেইমারকে ছাড়া বিশ্বকাপ কল্পনা করা যায় না: এমবাপ্পে 3:42 PM পুলিশের ঊর্ধ্বতন ৬ কর্মকর্তাকে বদলি ও পদায়ন