
প্রতিনিধি 28 December 2025 , 11:31:34 প্রিন্ট সংস্করণ

বাংলাদেশ শান্তির দলের ১২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বাংলাদেশ শিশু কল্যাণ পরিষদে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত সভায় সভাপতিত্ব করেন বীরমুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট মোঃ জলিল উদ্দিন হাওলাদার, ভাইস-চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ শান্তির দল। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকেন শান্তির দলের চেয়ারম্যান আগামী দিনের বাংলাদেশের রাষ্ট্রনায়ক, অ্যাডভোকেট সৈয়দ আব্দুল্লাহ সহিদ। উক্ত আলোচনা সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ শান্তির দলের ভাইস-চেয়ারম্যান জ্যাকি আলমগীর, দলের মহাসচিব ইঞ্জিনিয়ার মো. আল মামুন, যুগ্মমহাসচিব অ্যাডভোকেট মোঃ জাহাঙ্গীর আলম রিটু, সাংগঠনিক সম্পাদক লায়ন মোঃ রুবেল রানা, সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ বেলাল নূরী, অ্যডভোকেট নাজমুন নাহার, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক, শান্তির দল, মাওলানা আব্দুল্লাহ আল বাতেন, ধর্ম সম্পাদক, শান্তির দল, শিক্ষানবিস আইনজীবী মোঃ কাজী আসলাম, সহকারী আইন সম্পাদক, মোঃ শামীম ওয়াজেদী, প্রচার সম্পাদক, শান্তির দল প্রমুখ।
এছাড়াও এই সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মুক্তিজোটের সভাপতি আবু লায়েছ মুন্না, বাংলাদেশ জাস্টিস এন্ড ডেভেলপমেন্ট পার্টির চেয়ারম্যান মোঃ দেলোয়ার হোসাইন, জাতীয় সংস্কার জোটের আহ্বায়ক মেজর আমিন আহমেদ আফসারী (অব:) এবং নতুন বাংলার চেয়ারম্যান মোঃ আকবর হোসেন ফাইটন প্রমুখ।

উক্ত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে শান্তির দলের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট সৈয়দ আব্দুল্লাহ সহিদ বলেন যে, স্বাধীনতার ৫৪ বছর অতিক্রান্ত হলেও বাংলাদেশ আজও একটি মানসম্মত গণতান্ত্রিক দেশে পরিণত হয়নি এবং বাংলাদেশে আজও দলীয় সরকারের অধীনে একবারের জন্য কখনো সরকারী দল ব্যতীত বিরোধী কোনো দল নির্বাচিত হয়ে সরকার গঠন করতে পারেনি এবং অবশেষে এরূপ প্রত্যেকটি সরকার ভোটের মাধ্যমে নয় বরং আন্দোলনের মাধ্যমে পতন হয়েছে। কিন্তু আজও জাতি গণতান্ত্রিক সংগ্রামের প্রাথমিক স্তরের বিজয় অর্জণ করতে পারেনি। সর্বশেষ আওয়ামী লীগ সরকার প্রায় বিনাভোটে গায়ের জোরে সরকার গঠন করে স্বৈরাচারী একনায়কতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থা কায়েম করে। এইভাবে গণতন্ত্রহীনতা ও সুশাসন ও সুবিচারের অভাবে সকল দলের রাজনৈতিক সরকার শাসন পরিচালনায় দেশে সীমাহীন দূর্নীতি হয়েছে। ফলে এই দেশ বিশ্বে পর পর পাঁচবার দূর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হয় এবং আজও পৃথিবীর প্রথম ১৩তম দূর্নীতিগ্রস্ত দেশ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। এটা আমাদের জন্য অত্যন্ত দুঃখজনক, লজ্জাজনক ও একেবারেই অগ্রহণযোগ্য।
রাজনীতিতে এইরূপ দৃবৃত্তায়ন দেশী ও বিদেশী ষড়যন্ত্রের কারণে চলমান আছে। দেশের ব্যাপক জনগণের চাওয়া-পাওয়া হলো গণতন্ত্র, সুবিচার, সুনীতি, সুশাসন, সুষম বন্টন, অর্থনৈতিক ও আইনশৃঙ্খলা জনিত নিরাপত্তা এবং দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব সুরক্ষা
উক্ত চাওয়া-পাওয়া অর্জনে বার বার ছাত্র-জনতা আন্দোলন গড়ে তুলে সরকারসমূহের পতন ঘটিয়েও আজও উক্ত লক্ষ্য অর্জন করতে সক্ষম হয়নি। তাই বাংলাদেশ শান্তির দলের চেয়ারম্যান দেশবাসীকে গণতন্ত্র, আইনের শাসন ও সুবিচার প্রতিষ্ঠাক্রমে দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার জন্য বাংলাদেশের ছাত্র-জনতাকে বাংলাদেশ শান্তির দলের পতাকাতলে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান। বাংলাদেশ শান্তির দলের চেয়ারম্যান বলেন যে, বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের উপর যদি কোনো বিদেশী আগ্রাসন হয়, বাংলাদেশ শান্তির দল জনগণকে সাথে নিয়ে উক্ত আগ্রাসন দৃঢ় ভাবে প্রতিহত ও প্রতিরোধ করবে এবং আগ্রাসী অপশক্তিকে নিশ্চিতভাবে পরাভূত ও পরাজিত করবে।