
প্রতিনিধি 30 November 2025 , 6:17:32 প্রিন্ট সংস্করণ

নিলামের শুরুটা মোটেও ভাবনায় ছিল না বিপিএলের নবাগত দল নোয়াখালী এক্সপ্রেসের জন্য। পছন্দের তালিকায় থাকা কেউকে না পেয়ে শেষ পর্যন্ত নিয়মের বাধ্যবাধকতায় ‘বি’ ক্যাটাগরির শেষ দুই ক্রিকেটার জাকের আলী ও মাহিদুল ইসলাম অঙ্কনকে দলে নিতে একপ্রকার বাধ্য হয়েছে ফ্র্যাঞ্চাইজিটি।
বিপিএল নিলামের প্রথম পর্বে ‘বি’ ক্যাটাগরির কোনো ক্রিকেটারকেই দলে নিতে পারেনি নোয়াখালী এক্সপ্রেস। তবে টুর্নামেন্টের নিয়ম অনুযায়ী প্রতিটি দলকে ‘এ’ ও ‘বি’ ক্যাটাগরি মিলিয়ে ন্যূনতম দুজন স্থানীয় ক্রিকেটার দলে রাখতে হবে। সেই বাধ্যবাধকতার কারণেই নিলামের শেষ মুহূর্তে ভিত্তিমূল্য ৩৫ লাখ টাকায় জাকের আলী ও মাহিদুল ইসলামকে নিয়ে স্কোয়াড পূরণ করে নোয়াখালী।

এদিকে মঞ্চে জমে উঠেছিল মোহাম্মদ মিঠুনকে ঘিরে লড়াই। সিলেট, নোয়াখালী ও ঢাকা— তিন দলের আগ্রহে মূল্য বেড়ে ওঠে ৫২ লাখ টাকা পর্যন্ত। শেষ পর্যন্ত ঢাকাই জয়ী হয় বিডিংয়ে, ফলে মিঠুনের ঠিকানা হয় ঢাকা ক্যাপিটালস।
‘সি’ ক্যাটাগরিতেও নাটকীয়তা ছিল। জাতীয় দলের পেসার ইবাদত হোসেনের নাম উঠলেও কোনো দল হাত তুলেনি, ফলে তিনি থেকে গেছেন অবিক্রীত। অন্যদিকে আরেক পেসার নাহিদ রানা ৫৬ লাখ টাকায় জায়গা পেয়েছেন রংপুর রাইডার্সে-গত মৌসুমের দলেই ফিরলেন তিনি।
ক্যাটাগরি ‘বি’তে বেশ কিছু জাতীয় দলের নিয়মিত মুখ নাম উঠতেই আগ্রহ দেখিয়েছে ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলো। তাওহিদ হৃদয়কে ৯২ লাখ টাকায় দলে টেনেছে রংপুর রাইডার্স। শামীম হোসেন ৫৬ লাখ টাকায় গেছেন ঢাকা ক্যাপিটালসে। ওপেনার পারভেজ হোসেন ৩৫ লাখে নতুন ঠিকানা পেয়েছেন সিলেট টাইটানসে। আর সাইফউদ্দিনকে ৬৮ লাখ টাকায় দলে নিয়েছে ঢাকা ক্যাপিটালস।
নিলামের প্রথম পর্বে কৌশলগত বাছাই ও বাধ্যবাধকতা- দুটিই তৈরি করেছে নানা আলোচনার জন্ম। নোয়াখালীর এই পরিস্থিতি তাতে আরও নতুন মাত্রা যোগ করেছে।