• অর্থনীতি

    রপ্তানি প্রণোদনার অর্থ লোপাট : ১১ কাস্টমস কর্মকর্তাসহ আসামি ২৬

      প্রতিনিধি 25 November 2025 , 12:56:37 প্রিন্ট সংস্করণ

    ছবি : সংগৃহীত
    ছবি : সংগৃহীত
    বিজ্ঞাপন
    Main Banner Ads For Captains TV

    পাঁচ দেশে রপ্তানির নামে সাড়ে ১৮ কোটি টাকার মানিলন্ডারিং ও প্রণোদনার ৩ কোটি ৭১ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ২৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। আসামিদের মধ্যে ১১ কাস্টমস কর্মকর্তা ছাড়াও রয়েছে অডিট ফার্ম, রপ্তানিকারক।

    সোমবার (২৪ নভেম্বর) দুদকের ঢাকা সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে সংস্থাটির উপ-পরিচালক মো. আহসান উদ্দিন বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন। মঙ্গলবার (২৫ নভেম্বর) দুদকের জনসংযোগ দপ্তর বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

    মামলার আসামিরা হলেন- রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান দো এম্পেক্স লিমিটেডের চেয়ারম্যান মো. জিয়া হায়দার মিঠু ও এমডি আলোক সেনগুপ্ত, প্রতিষ্ঠানটির সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট কেএইচএল এক্সাম লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ রাকিবুল ইসলাম রাসেল, জি আর ট্রেডিং করপোরেশন সি অ্যান্ড লিমিটেডের পরিচালক বেগম রাসিদা পারভীন রুনু, এ অ্যান্ড জে ট্রেড ইন্টারন্যাশনালের মালিক মো. আলতাফ হোসেন ও মো. আব্দুল জলিল আকন, প্যান বেঙ্গল এজেন্সিস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. সেলিম এবং সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট এ কে এন্টারপ্রাইজের মালিক আবুল কাসেম খান।

    অন্যদিকে অডিট প্রতিষ্ঠান হিসাবে আসামিরা হলেন-এ কাসেম অ্যান্ড কো চার্টার্ড অ্যাকাউন্টসের মালিক মোহাম্মদ মোতালেব হোসেন ও জিয়াউর রহমান জিয়া, এমএবিএস অ্যান্ড জে পার্টনারের মালিক জগদীশ চন্দ্র বিশ্বাস, মুহাম্মদ সাজিদুল হক তালুকদার, নাসির উদ্দিন আহমেদ।

    বিজ্ঞাপন

    আর এনবিআরের কাস্টমস বিভাগের আসামিরা হলেন-সহকারী কমিশনার জাহাঙ্গীর কবির ও মবিন উল ইসলাম, সাবেক সহকারী কমিশনার মো. জয়নাল আবেদীন, রাজস্ব কর্মকর্তা জমির হোসেন, রাজস্ব কর্মকর্তা এ এইচ এম নজরুল ইসলাম, আমির হোসেন সরকার, গৌরাঙ্গ চন্দ্র চৌধুরী, ফরিদ উদ্দিন সরকার ও মো. মঞ্জুরুল হক, সাবেক রাজস্ব কর্মকর্তা মো. আব্দুস সাত্তার ও বাসুদেব পালক। এছাড়া অগ্রণী ব্যাংকের প্রিন্সিপাল অফিসার (এক্সপোর্ট) মো. রফিকুল ইসলাম ও মোহাম্মদ আনোয়ার জাহানকেও আসামিরা করা হয়েছে।

    মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে আরব আমিরাত, অস্ট্রেলিয়া, আমেরিকা, কানাডা ও সিঙ্গাপুরে পণ্য রপ্তানি দেখিয়ে দো এম্পেক্স লিমিটেড নামের প্রতিষ্ঠানটির অনুকূলে প্রায় ১৮ কোটি টাকা ব্যাংক জমা হয়। শুধু তাই নয় ৩৪টি রপ্তানি চালানের মূল্যবাবদ প্রণোদনা হিসাবে প্রায় ৩ কোটি ৭২ লাখ টাকা উত্তোলন ও আত্মসাৎ হয়েছে। অথচ বাস্তবে কোনো রপ্তানি হয়নি।

    এজাহার সূত্রে আরও জানা যায়, ২০১৮ থেকে ২০২১ সালের মধ্যে দো এম্পেক্স লিমিটেডের মোট ৪১টি বিল অব এক্সপোর্ট দাখিল করে সরকারের প্রণোদনা গ্রহণ করে। যার মধ্যে ৭ বিল অব এক্সপোর্টের বিপরীতে কৃষি জাতীয় পণ্য রপ্তানির সত্যতা পাওয়া গেলেও ৩৪টি বিল অব এক্সপোর্টের বিপরীতে কোনো পণ্যই বিদেশে রপ্তানি হয়নি। অথচ পণ্য রপ্তানির বিপরীতে অগ্রিম হিসাবে পুরো অর্থ ২২ লাখ ১৮ হাজার ১৭.৪৪ মার্কিন ডলার অগ্রণী ব্যাংকের মাধ্যমে দেশে প্রত্যাবাসন হয়েছে। টাকার অঙ্কে যার পরিমাণ ১৮ কোটি ৬০ লাখ ৯১ হাজার ৪০৪ টাকা। রপ্তানি দেখিয়ে প্রতিষ্ঠানটি ৩ কোটি ৭১ লাখ ৮১ হাজার টাকা নগদ প্রণোদনা উত্তোলন ও আত্মসাৎ করেছে আসামিরা।

    আরও খবর

    Sponsered content

    বিজ্ঞাপন
    সর্বশেষ সংবাদ
    7:39 PM গণভোটে ‘হ্যাঁ’ এর পক্ষে বিএনপি: নজরুল ইসলাম খান 7:01 PM মানবতাবিরোধী অপরাধ: শেখ হাসিনার মৃত্যুদণ্ডের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ 6:41 PM জাতীয় সংসদ নির্বাচন: চতুর্থ দিনে প্রার্থিতা ফিরে পেলেন আরও ৫৩ জন 6:40 PM আফগানিস্তানের দায়িত্ব নিতে বিপিএল ছাড়লেন ঢাকার কোচ 6:21 PM ইরানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভে নিহত অন্তত ২ হাজার 6:01 PM আইসিসির সাথে ভিডিও কনফারেন্স বিসিবির, যে সিদ্ধান্ত জানালো বোর্ড 5:58 PM জেনে নিন-মটরশুঁটি খাওয়ার উপকারিতা 5:47 PM ‘স্বপ্নের’ প্রাসাদ বিক্রি করছেন রোনালদো 5:31 PM বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সে চাকরি 5:22 PM ২৪ ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ