• অর্থনীতি

    যুদ্ধের প্রভাবে জ্বালানি সংকটের আশঙ্কা, বিকল্প খোঁজার তাগিদ বিশেষজ্ঞদের

      প্রতিনিধি 7 March 2026 , 1:31:04 প্রিন্ট সংস্করণ

    ছবি: সংগৃহীত।
    ছবি: সংগৃহীত।
    বিজ্ঞাপন
    Main Banner Ads For Captains TV

    বিশ্বব্যাপী সরবরাহ সংকটের শঙ্কায় জ্বালানি পণ্যে সাশ্রয়ের পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। এরই মধ্যে দেওয়া হয়েছে নানা নির্দেশনা। গ্যাস সাশ্রয়ে সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে পাঁচটি সার কারখানা এবং সরবরাহ কিছুটা কমানো হয়েছে বিদ্যুৎ কেন্দ্রেও। এমন পরিস্থিতিতে বিকল্প ক্ষেত্র খোঁজার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশ্লেষকরা।

    বিশ্বব্যাপী সরবরাহ সংকটের শঙ্কায় জ্বালানি পণ্যে সাশ্রয়ের পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। এরই মধ্যে দেওয়া হয়েছে নানা নির্দেশনা। গ্যাস সাশ্রয়ে সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে পাঁচটি সার কারখানা এবং সরবরাহ কিছুটা কমানো হয়েছে বিদ্যুৎ কেন্দ্রেও। এমন পরিস্থিতিতে বিকল্প ক্ষেত্র খোঁজার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশ্লেষকরা।

    ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের চলমান যুদ্ধ, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে জ্বালানি সংকটের ঝুঁকি তৈরি করছে। যার প্রভাব পড়তে শুরু করেছে দেশের জ্বালানি মজুতও।

    সংকট মোকাবিলায় বৃহস্পতিবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে জ্বালানি সাশ্রয়ে বেশ কিছু নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অতিরিক্ত আলোকসজ্জা না করা, ব্যক্তিগত যানবাহন ব্যবহার কমানোর আহ্বান জানানো হয়েছে।

    বিজ্ঞাপন

    দেশে ব্যবহৃত গ্যাসের ৬০ শতাংশের বেশি খরচ হয় বিদ্যুৎ উৎপাদন ও সার কারখানায়। তাই জ্বালানি সাশ্রয়ে পাঁচটি সার কারখানা বন্ধ করে দিয়েছে বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশন (বিসিআইসি)।
    জ্বালানির সাশ্রয়ী ব্যবহার নিশ্চিতের ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী। তিনি বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে সংকট ব্যবস্থাপনাই সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।

    বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ বলেন, ‘যেটা আছে সেটাকে সাশ্রয় করে আমি চালানোর চেষ্টা করছি। যুদ্ধ যতদিন থাকবে ততদিন তো এই সংকট থাকবে। এখন এই সংকট মুহূর্তে আমাদের সহযোগিতার জন্য সংশ্লিষ্ট জায়গায় অনুরোধ করেছি, তারা কথা বলে আমাদের জানাবে বলেছে।’
    এদিকে বর্তমান সংকট মোকাবিলায় বিকল্প উৎস খোঁজা এবং জরুরি পরিকল্পনা গ্রহণের পরামর্শ দিচ্ছেন জ্বালানি বিশেষজ্ঞরা।

    জ্বালানি বিশেষজ্ঞ শফিকুল আলম বলছেন, ‘আমাদের নবায়ণযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়াতে হবে। আরেকটি বিষয় হচ্ছে যে আমাদের আরও একটি অ্যাসেজ করে দেখা প্রয়োজন যে, দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলে নেপাল, ভুটানে যে হইড্রোপটেনশিয়াল আছে সেগুলোকে আমরা ট্যাগ করতে পারি কিনা। ভারতের যে ডে হেড মার্কেট আছে সেখান থেকে আমরা বিদ্যুৎ কিনতে পারি কিনা। সেখান থেকে স্বস্তায় বিদ্যুৎ কেনা সম্ভব।

    বর্তমানে দেশে প্রতিদিন গ্যাসের চাহিদা প্রায় ৩৮০ কোটি ঘনফুট। যার বড় একটি অংশই আমদানিনির্ভর। দ্রুত পরিস্থিতির উন্নতি না হলে, সংকট আরও গভীর হতে পারে বলে আশঙ্কা খাত সংশ্লিষ্টদের।

    আরও খবর

    Sponsered content

    বিজ্ঞাপন
    সর্বশেষ সংবাদ
    5:52 PM পাইকারি ও গ্রাহক পর্যায়ে বাড়ল বিদ্যুতের দাম 5:28 PM কিছু রাত আসে নিঃশব্দে, আর বদলে দিয়ে যায় সবকিছু: ঋতুপর্ণা 4:21 PM অবশেষে বিশ্বকাপ সম্প্রচার নিয়ে বাংলাদেশিদের জন্য মিলল বড় সুখবর 4:08 PM খানজাহান আলী দিঘির সেই কুমির অপসারণ 3:42 PM পেলের ১৯৫৮ বিশ্বকাপের জার্সি নিলামে, সম্ভাব্য মূল্য ৬ মিলিয়ন ডলার 3:28 PM প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জাপানের প্রতিনিধিদলের সাক্ষাৎ 3:09 PM ফেনীর অনুপ্রেরণাদায়ী শিক্ষিকার পাশে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় 12:07 PM বাংলাদেশসহ ৬০টি দেশের উপর নতুন শুল্কের প্রস্তাব যুক্তরাষ্ট্রের 11:49 AM ইবোলা আতঙ্কে ডিআর কঙ্গো–চিলি প্রীতি ম্যাচ বাতিল 11:42 AM পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি নির্বাচিত