• আন্তর্জাতিক

    এলিয়েনরা “আসল”, তবে এরিয়া ৫১ এ নেই: ওবামা

      প্রতিনিধি 15 February 2026 , 6:08:56 প্রিন্ট সংস্করণ

    ছবি: সংগৃহীত।
    ছবি: সংগৃহীত।
    বিজ্ঞাপন
    Main Banner Ads For Captains TV
    
    
    
    
    

    ভিনগ্রহে প্রাণের অস্তিত্ব নিয়ে সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার নতুন মন্তব্য আলোচনার জন্ম দিয়েছে। তিনি দাবি করেছেন, এলিয়েনরা ‘বাস্তব’। তবে তিনি এ-ও বলেছেন, তারা কোথায় আছে সে বিষয়ে তার জানা নেই।

    গত শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) প্রকাশিত এক সাক্ষাৎকারে ইউটিউবার ব্রায়ান টাইলার কোয়েনের করা এক প্রশ্নের জবাবে ওবামা এসব কথা বলেন। তার মতে, এলিয়েনরা বাস্তব। তবে তিনি দ্রুতই এ-সংক্রান্ত ‘ষড়যন্ত্র তত্ত্ব’ উড়িয়ে দিয়ে জানান, তাদেরকে নেভাদায় অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের গোপন বিমানঘাঁটি এরিয়া ৫১-এ লুকিয়ে রাখা হয়নি।

    তিনি বলেন, ‘তারা (এলিয়েনরা) বাস্তব। তবে আমি তাদের দেখিনি। আর তাদেরকে এরিয়া ৫১-এ রাখা হয়নি। সেখানে কোনো ভূগর্ভস্থ স্থাপনা নেই। তবে যদি বিশাল কোনো ষড়যন্ত্র থেকে থাকে এবং তা যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের কাছ থেকেও গোপন রাখা হয়ে থাকে–তাহলে ভিন্ন কথা।’

    এরিয়া ৫১ কী?

    এরিয়া ৫১ দীর্ঘদিন ধরে এলিয়েন ও যাচাই-বাছাই না হওয়া ইউএফও দেখার ঘটনার সঙ্গে যুক্ত। তবে ২০১৩ সালের আগে পর্যন্ত মার্কিন সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে ঘাঁটির অস্তিত্ব স্বীকার করেনি। ধারণা করা হয়, এটি উন্নত সামরিক বিমান পরীক্ষার একটি কেন্দ্র।

    বিজ্ঞাপন
    এলিয়েন আছে, তবে এরিয়া ৫১ এ নেই: ওবামা

    সাম্প্রতিক সময়ে আনআইডেন্টিফায়েড অ্যানোম্যালাস ফেনোমেনার (ইউএপি) প্রতি আগ্রহ বাড়ছে। ইউএফও তদন্তে মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তর পেন্টাগন অল-ডোমেইন অ্যানোমালি রিজল্যুশন অফিস (এএআরও) গঠন করেছে। পাশাপাশি, এসব ঘটনার বিষয়ে আরও তথ্য প্রকাশে সরকারকে বাধ্য করতে কংগ্রেস আইনও পাস করেছে।

    এলিয়েন কি সত্যিই বাস্তব?

    পৃথিবীর বাইরে প্রাণের অস্তিত্ব নিশ্চিত করার মতো কোনো সুনির্দিষ্ট প্রমাণ এখনো পাওয়া যায়নি। তবুও সম্ভাব্য কোনো সূত্র খুঁজে পেতে বিজ্ঞানীরা মহাকাশের বিস্তীর্ণ অঞ্চল পর্যবেক্ষণ চালিয়ে যাচ্ছেন।

    সম্প্রতি ভিনগ্রহের বুদ্ধিমান প্রাণের সন্ধানে গঠিত একটি জনসম্পৃক্ত প্রকল্পের মাধ্যমে নতুন অগ্রগতির খবর পাওয়া গেছে। ১৯৯৯ সালে চালু হওয়া এসইটিআই@হোম প্রকল্পে বিশ্বজুড়ে লাখো স্বেচ্ছাসেবী অংশ নেন। তাদের লক্ষ্য ছিল পুয়ের্তো রিকোর আরেচিবো অবজারভেটরি থেকে সংগৃহীত তথ্যের মধ্যে অস্বাভাবিক রেডিও সংকেত শনাক্ত করা।

    ২০২০ সালে কেবল ছিঁড়ে যাওয়ার কারণে বিশাল রেডিও টেলিস্কোপটি ধসে পড়ে এবং প্রকল্পটির কার্যক্রম হঠাৎ করেই বন্ধ হয়ে যায়। তবে ২১ বছরের তথ্য বিশ্লেষণে নাগরিক বিজ্ঞানীরা ১২ বিলিয়নের বেশি সম্ভাবনাময় সংকেত চিহ্নিত করেন।

    গবেষকরা এখন এসব ফলাফল যাচাই ও বিশ্লেষণ করছেন। ২১ বছর পর গবেষক দল সম্ভাবনাময় সংকেতের সংখ্যা কমিয়ে ১০০টিতে নিয়ে এসেছে, যেগুলো বর্তমানে চীনের ফাস্ট রেডিও টেলিস্কোপ ব্যবহার করে পুনরায় পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হচ্ছে।

    সূত্র: এনডিটিভি

    আরও খবর

    Sponsered content

    বিজ্ঞাপন
    সর্বশেষ সংবাদ
    6:53 PM বর্ষবরণের অনুষ্ঠান ঘিরে বিশেষ নির্দেশনা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের 6:44 PM রাতের মধ্যে ৭ অঞ্চলে ঝড়ের আশঙ্কা 6:07 PM শেরপুর-৩ ও বগুড়া-৬ উপনির্বাচন: ভোটগ্রহণ শেষ, চলছে গণনা 5:45 PM শিক্ষা-প্রতিষ্ঠান প্রধান নিয়োগ পরীক্ষার রুটিন প্রকাশ 5:20 PM হামের উপসর্গ নিয়ে ২৪ ঘন্টায় ৭ শিশুর মৃত্যু 4:41 PM বাংলাদেশ-নিউজিল্যান্ড সিরিজ নিয়ে তামিমদের নতুন সিদ্ধান্ত 4:20 PM বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য শিগগিরই শ্রম বাজার খুলে দিতে একমত মালয়েশিয়া 3:39 PM ‘ফুয়েল পাস’ অ্যাপের পাইলটিং কার্যক্রম শুরু 3:12 PM সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় অধ্যাদেশ রহিতকরণ বিল পাস 2:49 PM ভোজ্যতেল : সরকার নির্ধারিত দামের বেশি নিলে ব্যবস্থা