
প্রতিনিধি 15 December 2025 , 7:22:55 প্রিন্ট সংস্করণ

ঢাকা-৮ আসনের সম্ভাব্য সংসদ সদস্য প্রার্থী ও ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক, শরিফ ওসমান হাদির ওপর গুলি করার ঘটনাটি ষড়যন্ত্রের একটি অংশ বলে মন্তব্য করেছেন-বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি বলেন, ষড়যন্ত্র করে নির্বাচন ব্যাহত করা যাবে না। সোমবার (১৫ ডিসেম্বর) বিকেলে মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনে বিএনপির আয়োজিত আলোচনা সভায় লন্ডন থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে তিনি এসব মন্তব্য করেন।
তিনি বলেন, ‘ঐক্যবদ্ধভাবে জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার মিছিল এগিয়ে যেতে থাকলে ষড়যন্ত্রকারীরা অবশ্যই পিছু হটতে বাধ্য হবে। বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে দেশি-বিদেশি অপশক্তি এখনো সক্রিয় আছে।’ মহান বিজয় দিবসের তাৎপর্য বিষয়ে তারেক রহমান বলেন, ‘বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে গৌরবোজ্জ্বল দিন হলো মহান বিজয় দিবস। যতদিন বাংলাদেশ থাকবে, ততদিন এই দিবসের গুরুত্ব ও তাৎপর্য কখনো মলিন হবে না।’

চলমান রাজনৈতিক প্রসঙ্গে বলেন, ‘জনগণ সতর্ক থাকলে এই ষড়যন্ত্র কখনো সফল হবে না। আসন্ন নির্বাচন দেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও জটিল। এবারের নির্বাচন শুধু একটি নির্বাচন নয়; এর সঙ্গে বাংলাদেশের স্বার্থ ও সার্বভৌমত্ব সুসংহত রাখার প্রশ্ন জড়িয়ে আছে’। এ ছাড়াও বিজয়ের সুফল ঘরে ঘরে পৌঁছে দিতে আসন্ন নির্বাচনে জনগণের সহযোগিতা ও সমর্থন প্রত্যাশা করেন তারেক রহমান।
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আরও বলেন, ‘ষড়যন্ত্র এখনো থেমে নেই। গণতন্ত্রের পক্ষে সাহসী সন্তান ওসমান হাদিকে গুলি করার ঘটনাটি সেই ষড়যন্ত্রেরই অংশ। একজন রাজনৈতিক কর্মী হিসেবে আমার প্রশ্ন-ওসমান হাদির অপরাধ কি? সময়ের সঙ্গে জনগণের সামনে এই চরিত্র স্পষ্ট হয়ে উঠবে।’
এ সময় তিনি কয়েকটি প্রশ্ন (১.অন্তর্বর্তী সরকারকে ব্যর্থ করা গেলে কারা খুশি হবে? ২.নির্বাচন ছাড়াই এই সরকার বহাল থাকলে কারা লাভবান হবে? ৩.জনগণের ভোটে সরকার প্রতিষ্ঠিত না হলে কাদের লাভ হবে?) উত্থাপন করে বলেন-এসব প্রশ্নের জবাবের মধ্যেই হাদির ঘাতকেরা লুকিয়ে রয়েছে।