
প্রতিনিধি 13 March 2026 , 11:42:40 প্রিন্ট সংস্করণ

আজ বিশ্বব্যাপী পালিত হচ্ছে World Sleep Day বা বিশ্ব ঘুম দিবস। মানুষের সুস্থ জীবনযাপন নিশ্চিত করতে পর্যাপ্ত ও স্বাস্থ্যকর ঘুমের গুরুত্ব তুলে ধরতেই প্রতি বছর এই দিবসটি পালন করা হয়।
বিশ্ব ঘুম দিবস প্রতি বছর মার্চ মাসে বসন্ত বিষুবের আগের শুক্রবার পালিত হয়। সেই অনুযায়ী ২০২৬ সালে দিবসটি পালিত হচ্ছে ১৩ মার্চ।
এই দিবসটির সূচনা হয় ২০০৮ সালে। প্রথমবার এটি চালু করে ঘুমবিষয়ক আন্তর্জাতিক সংগঠন World Sleep Society, যার আগের নাম ছিল World Association of Sleep Medicine। মূল উদ্দেশ্য ছিল মানুষের মধ্যে ঘুমের গুরুত্ব সম্পর্কে সচেতনতা তৈরি করা এবং ঘুমের সমস্যাগুলো নিয়ে আলোচনা বাড়ানো।

বিশেষজ্ঞদের মতে, ঘুম মানুষের শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পর্যাপ্ত ঘুম না হলে হৃদ্রোগ, মানসিক চাপ, স্মৃতিশক্তি কমে যাওয়া এবং বিভিন্ন দীর্ঘমেয়াদি রোগের ঝুঁকি বেড়ে যেতে পারে। তাই স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনের অন্যতম ভিত্তি হিসেবে ঘুমকে গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানানো হয় এই দিবসে।
বিশ্বজুড়ে চিকিৎসক, গবেষক এবং স্বাস্থ্যকর্মীরা এই দিনে নানা আলোচনা, সেমিনার ও সচেতনতামূলক কর্মসূচি আয়োজন করেন। বর্তমানে বিশ্বের ৭০টিরও বেশি দেশে বিভিন্নভাবে বিশ্ব ঘুম দিবস পালন করা হয়।
বাংলাদেশেও বিভিন্ন হাসপাতাল, চিকিৎসা প্রতিষ্ঠান এবং ঘুমবিষয়ক গবেষণা সংশ্লিষ্ট সংগঠন এই দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকে। বিশেষ করে ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালের স্লিপ মেডিসিন বিশেষজ্ঞরা মানুষের মধ্যে স্বাস্থ্যকর ঘুমের অভ্যাস গড়ে তুলতে সচেতনতামূলক প্রচারণা চালিয়ে থাকেন।
এ বছর বিশ্ব ঘুম দিবসের প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে—
“Sleep Well, Live Better” অর্থাৎ ভালো ঘুম, ভালো জীবন।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সুস্থ থাকতে প্রতিদিন অন্তত ৬ থেকে ৮ ঘণ্টা ঘুম অত্যন্ত জরুরি। তাই ব্যস্ত জীবনের মাঝেও স্বাস্থ্যকর ঘুম নিশ্চিত করার জন্য সচেতন হওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে বিশ্ব ঘুম দিবসে।