• অর্থনীতি

    পোশাক শিল্পের সমস্যা ও সমাধানে বিজিএমইএ’র সুপারিশ চাইলেন অর্থমন্ত্রী

      প্রতিনিধি 26 February 2026 , 4:05:02 প্রিন্ট সংস্করণ

    বিজ্ঞাপন
    Main Banner Ads For Captains TV

    দেশের তৈরি পোশাক শিল্পে বিদ্যমান বাধাগুলো সুনির্দিষ্টভাবে চিহ্নিত করা এবং এগুলোর সমাধানে একটি পূর্ণাঙ্গ সুপারিশ তালিকা চেয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে এটি জমা দেওয়ার জন্য বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রফতানিকারক সমিতি (বিজিএমইএ)-এর প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

    বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে বিজিএমইএ নেতাদের সঙ্গে এক সৌজন্য সাক্ষাতে অর্থমন্ত্রী এ আহ্বান জানান। বৈঠকে পোশাক শিল্পের গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।

    বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) বিজিএমইএ’র এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানানো হয়।

    বিজিএমইএ জানায়, বৈঠকে বকেয়া নগদ সহায়তার অর্থ দ্রুত ছাড় করা, একইসাথে এই প্রক্রিয়াটিকে আরও সহজ ও গতিশীল করা এবং কোনো নির্দিষ্ট সময়ের জন্য অপেক্ষা না করে (বর্তমানে ত্রৈমাসিক ভিত্তিতে অর্থ ছাড়ের বিধান রয়েছে) আবেদন জমার সাথে সাথেই যেন অর্থ ছাড়ের ব্যবস্থা করা হয়, সে ব্যাপারে মন্ত্রীর সহযোগিতা চাওয়া হয়েছে।

    বৈঠকে অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী পোশাক শিল্পকে দেশের অর্থনীতির মেরুদণ্ড উল্লেখ করে এই খাতের টেকসই প্রবৃদ্ধিতে সরকারের পক্ষ থেকে সর্বাত্মক নীতি সহায়তার আশ্বাস প্রদান করেন এবং বিজিএমইএ’র দাবির যৌক্তিকতা স্বীকার করে বকেয়া অর্থ দ্রুত ছাড় করার বিষয়ে ইতিবাচক সম্মতি জানান। একইসঙ্গে পুরো প্রক্রিয়াটিকে আধুনিক ও সহজতর করার আশ্বাস প্রদান করেন বলে বিজিএমইএ জানায়।

    বিজ্ঞাপন

    বৈঠকে লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, বর্তমানে অসংখ্য প্রতিষ্ঠানের নগদ সহায়তার আবেদন লিয়েন ব্যাংক ও বাংলাদেশ ব্যাংকের অডিট প্রক্রিয়ার জটিলতায় আটকে আছে। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বস্ত্র ও পোশাক খাতে এখনো প্রায় ৫ হাজার ৭০০ কোটি টাকার প্রণোদনা অনিষ্পন্ন থাকায় সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলো তীব্র অর্থ সংকটে রয়েছে, যা রফতানি সক্ষমতাকে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করছে।

    এ ছাড়া বৈঠকে বিজিএমইএ-এর সহ-সভাপতি মো. শিহাব উদ্দোজা চৌধুরী একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় তুলে ধরেন। তিনি জানান, তফসিলি ব্যাংকগুলো এনপিএল পারফরম্যান্স ঠিক রাখতে গিয়ে অনেক সময় ঋণ পুনঃতফসিলীকরণ করলেও সংশ্লিষ্ট কারখানাকে প্রয়োজনীয় ওয়ার্কিং ক্যাপিটাল দেয় না। ফলে কারখানা সচল হতে পারে না এবং ঋণ পরিশোধও বাধাগ্রস্ত হয়। তিনি একে একটি ‘উইন-উইন’ পরিস্থিতিতে রূপান্তরের প্রস্তাব দিয়ে বলেন, পুনঃতফসিলের পাশাপাশি ওয়ার্কিং ক্যাপিটাল পেলে কারখানা সচল হবে এবং ব্যাংকও তার পাওনা ফেরত পাবে। অর্থমন্ত্রী এই প্রস্তাবটির সঙ্গেও একমত পোষণ করেন।

    বিজিএমইএ বলেছে, বিশ্ববাজারের তীব্র প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশের অবস্থান সুসংহত করতে ব্যবসা সহজীকরণ এবং ব্যবসা পরিচালনার ব্যয় কমিয়ে আনা এখন সময়ের দাবি। এ প্রেক্ষিতে কাস্টমস, বন্দর এবং অন্যান্য প্রশাসনিক স্তরে বিদ্যমান প্রতিবন্ধকতাগুলো দূর করে একটি বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করার জন্য বিশেষ নীতি সহায়তার অনুরোধ জানান সংগঠনের নেতারা।

    পরে অর্থমন্ত্রী ব্যবসা সহজ করার পথে বিদ্যমান সুনির্দিষ্ট বাধাগুলো চিহ্নিত করে এবং সেগুলো সমাধানের কার্যকর উপায় সংবলিত একটি পূর্ণাঙ্গ সুপারিশমালা বা তালিকা আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে জমা দেওয়ার জন্য বিজিএমইএ নেতাদের প্রতি আহ্বান জানান।

    বিজিএমইএ সভাপতি মন্ত্রীকে আশ্বস্ত করেন যে, শিল্পের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে সহায়ক একটি বাস্তবধর্মী ও সুনির্দিষ্ট সুপারিশমালা দ্রুততম সময়ের মধ্যে তারা সরকারের কাছে পেশ করবেন।

    আরও খবর

    Sponsered content

    বিজ্ঞাপন
    সর্বশেষ সংবাদ
    4:05 PM পোশাক শিল্পের সমস্যা ও সমাধানে বিজিএমইএ’র সুপারিশ চাইলেন অর্থমন্ত্রী 3:52 PM মা হওয়ার সাড়ে তিন মাস পর জনসমক্ষে ক্যাটরিনা! 2:39 PM বিপিএলে ভারতীয় ক্রিকেটারদের খেলা নিয়ে মুখ খুললেন রুবাবা 2:27 PM টিউলিপকে গ্রেপ্তারে ইন্টারপোলের মাধ্যমে রেড নোটিশ জারির আদেশ 2:02 PM জাতীয় সংগীত লিখতে না পারায় সব চাকরিপ্রার্থী বাদ 1:58 PM যুদ্ধবিরতি সত্ত্বেও ফিলিস্তিনে হামলা বাড়িয়েছে ইসরায়েল: এরদোয়ান 1:42 PM শিক্ষা, গবেষণা, শিল্পকলা ও সাহিত্যচর্চায় রাজনীতিকরণ সভ্য সমাজের পরিচায়ক নয়: প্রধানমন্ত্রী 1:32 PM দেশে ফের ভূমিকম্প অনুভূত 1:28 PM প্রধানমন্ত্রীকে লাল গোলাপ উপহার দিলেন শফিক রেহমান 1:14 PM হাজারীবাগে স্কুলছাত্রী হত্যা মামলায় মূল অভিযুক্ত আটক