• জাতীয়

    বিএনপি চাইলে থাকব, না চাইলে সম্মানজনকভাবে চলে যাব: রাষ্ট্রপতি

      প্রতিনিধি 24 February 2026 , 12:56:13 প্রিন্ট সংস্করণ

    বিজ্ঞাপন
    Main Banner Ads For Captains TV

    রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বলেছেন, ক্ষমতাসীন বিএনপি যদি চায় তিনি দায়িত্ব পালন করবেন; আর বিএনপি না চাইলে ‘সম্মানজনকভাবে সরে’ যাবেন।

    শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) রাতে বঙ্গভবনে কালের কণ্ঠকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এই মন্তব্য করেন। সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) সাক্ষাৎকারটির প্রথম পর্ব প্রকাশের পর মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) শেষ অংশ প্রকাশিত হয়েছে।

    রাষ্ট্রপতি পরিবর্তন এবং বিদেশি গণমাধ্যমে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের পর আর এখানে থাকতে চান না-এমন মন্তব্যের বিষয়ে জানতে চাওয়া হয় সাক্ষাৎকারে।

    জবাবে রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘এই বক্তব্যটি অন্যভাবে ব্যাখ্যা করা হচ্ছে। আমি যেভাবে বলেছি, সেটি সেই প্রেক্ষাপটেই বোঝা দরকার। গত ১৮ মাসে ওই (অন্তর্বর্তী) সরকার আমাকে যে রকম মানসিকভাবে চাপ দিয়েছে, নানা ঘটনায় আমাকে অপমানিত করা হয়েছে, সে কারণে আমার মনে এক ধরনের ক্ষোভ জন্মেছিল। তখনই আমি বলেছিলাম, এভাবে রাষ্ট্রপতি থাকা যায় না, চলে যেতে ইচ্ছা করে। এই কথাটাই আমি রয়টার্সকে বলেছিলাম। কিন্তু পরে এটাকে এমনভাবে উপস্থাপন করা হলো, যেন আমার মেয়াদ নেই।’

    তিনি বলেন, ‘প্রশ্ন করা হলো, নতুন নির্বাচন হলে, নতুন সরকার এলে আপনার অবস্থান কী হবে? তখন আমি বলেছি, আমি সাংবিধানিকভাবে পাঁচ বছরের জন্য নির্বাচিত; আমার মেয়াদ ২০২৮ সাল পর্যন্ত। মানে আমার মেয়াদ আরও দুই বছর আছে। তবে আমি এটাও বলেছি, যদি একটি নির্বাচিত সরকার আসে এবং তাদের অভিপ্রায় থাকে যে আমি না থাকাই ভালো, তাহলে আমি স্বেচ্ছায় সরে যেতে প্রস্তুত। আই লাভ টু গো। মানে, তারা সে রকম ইচ্ছা পোষণ করলে আমি নিজে থেকেই চলে যেতে চাইব।’

    বিজ্ঞাপন

    বিএনপি যদি নিজেদের মতো রাষ্ট্রপতি চায় কিংবা অভিশংসন হলে কী করবেন—এমন প্রশ্নের জবাবে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বলেন, ‘ওগুলো কেন হতে দেব? আমি একজন সচেতন মানুষ। যদি তারা মনে করে আমি থাকি, তাহলে আমি থাকব। আর যদি বলে যে, সরে যাওয়া ভালো; তাহলে আমি নিজেই সম্মানজনকভাবে সরে যাব।’

    দেশের নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সম্পর্কে মূল্যায়ন জানতে চাইলে রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘আমার তো খুব অল্প সময় তাকে দেখা। টুকটাক কিছু কথা হয়েছে। দেখলাম যে রাষ্ট্রনায়কোচিত গুণাবলি ওনার মধ্যে আছে। এটা নির্দ্বিধায় বলা যায়। একটা কথা আছে, মর্নিং শোজ দ্য ডে। এই কয়দিনের যে কার্যক্রম, তাতে আশাবাদী হওয়া যায়, বিশেষ করে ওনার শরীরে মুক্তিযোদ্ধার রক্ত বইছে। তাই দেশের ভালো করবেন তিনি, এই বিশ্বাস রাখি। তার বাবা ছিলেন রাষ্ট্রপতি, মা ছিলেন তিনবারের প্রধানমন্ত্রী। আমি বিশ্বাস করি না যে আমরা কোনো নতুন দুর্যোগে পড়ব। তিনি যেন আলোকবর্তিকা হাতে নিয়ে সামনে এগিয়ে যান, এটাই আমার কামনা।’

    এ ছাড়া গণ-অভ্যুত্থানের পর তার ওপর বিভিন্ন পর্যায় থেকে জরুরি অবস্থা দেওয়ার চাপ ছিল বলেও উল্লেখ করেছেন রাষ্ট্রপতি।

    দেশে সামরিক শাসন শুরুর কোনো আলাপ উঠেছিল কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘এমন কোনো আলাপ ওঠেনি। বরং আমি এখানে দৃঢ়ভাবে বলতে পারি যে আমাদের সেনাবাহিনী এখানে যে ভূমিকা রেখেছিল, তা অবশ্যই স্মরণীয়। স্মরণীয় এই কারণে যে সঠিক সময়ে সঠিক ভূমিকা রেখেছে তারা। তারা ইচ্ছা করলে মার্শাল ল দিতে পারত। চাইলে ইমার্জেন্সি, মানে জরুরি অবস্থা দিতে পারত, যেটা দেওয়ার জন্য চাপ ছিল আমার ওপর। কারণ, রাষ্ট্রপতিই শুধু দিতে পারে ইমার্জেন্সি। তাই আমাকে বিভিন্ন পর্যায় থেকে, বিভিন্নভাবে জরুরি অবস্থা জারি করতে প্রভাবিত করার চেষ্টা হয়েছিল।’

    রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন যোগ করে বলেন, ‘এখানে একটা কথা না বললেই নয় যে ওই সময় একটা প্রতিবিপ্লব ঘটানোর উদ্যোগও ছিল।’

    বিজ্ঞাপন
    সর্বশেষ সংবাদ
    12:56 PM বিএনপি চাইলে থাকব, না চাইলে সম্মানজনকভাবে চলে যাব: রাষ্ট্রপতি 12:41 PM যশের ডাবল লুকে তোলপাড় 12:30 PM অস্থির মাদ্রিদ, অনিশ্চিত মাস্তানতুয়োনো 12:12 PM প্রবাসী বাংলাদেশি করদাতাদের জন্য বিশেষ সুবিধা চালু 11:55 AM সিটি করপোরেশনে বিএনপির প্রশাসক নিয়োগের প্রতিবাদ গোলাম পরওয়ারের 11:49 AM ভারতে এয়ার অ্যাম্বুলেন্স বিধ্বস্ত, সব আরোহী নিহত 11:35 AM মেয়াদ অনুযায়ী ধাপে ধাপে হবে সিটি নির্বাচন : মির্জা ফখরুল 11:22 AM বিডিআর হত্যা মামলায় আসামি হচ্ছেন হাসিনাসহ একাধিক আওয়ামী লীগ নেতা 8:15 PM বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার ঘোষণা 8:06 PM জরুরি ভিত্তিতে পুলিশের ২ হাজার ৭০১ কনস্টেবল নিয়োগের নির্দেশ