
প্রতিনিধি 11 February 2026 , 1:44:59 প্রিন্ট সংস্করণ

আইসিসির সঙ্গে বয়কট নিয়ে টানাপোড়েনের পেছনে পাকিস্তানের একমাত্র লক্ষ্য ছিলো বাংলাদেশের জন্য ‘সম্মান’ আদায় করা। পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (পিসিবি) চেয়ারম্যান মহসিন নাকভি এমনটাই দাবি করেছেন। তার মতে, বাংলাদেশের প্রতি হওয়া অন্যায়ের প্রতিবাদ করাই ছিলো তাদের মূল উদ্দেশ্য।
মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) পেশোয়ারে তিনি সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন। খবর ইএসপিএনক্রিকইনফোর।
গত এক ফেব্রুয়ারি পাকিস্তান সরকার ঘোষণা করেছিলো, ২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ১৫ ফেব্রুয়ারি কলম্বোতে ভারতের বিপক্ষে গ্রুপ পর্বের ম্যাচে তারা মাঠে নামবে না। তবে পিসিবি, বিসিবি এবং আইসিসির মধ্যে কয়েক দিনের রুদ্ধদ্বার আলোচনা ও আলোচনার পর সোমবার গভীর রাতে পাকিস্তান সরকার সেই বয়কটের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করে নেয়।
এর আগে আইসিসি এক বিবৃতিতে জানায়, ভারতে গিয়ে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলতে অস্বীকৃতি জানানোয় বাংলাদেশের (বিসিবি) ওপর কোনো নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হবে না। একই সঙ্গে ২০২৮ থেকে ২০৩১ সালের মধ্যে একটি আইসিসি ইভেন্ট আয়োজনের স্বত্বও পেয়েছে বাংলাদেশ।

মঙ্গলবার পেশোয়ারে সাংবাদিকদের নাকভি বলেন, আমাদের আলোচনায় আমরা বাংলাদেশ ছাড়া আর কোনো শর্ত রাখিনি। আমাদের একমাত্র লক্ষ্য ছিলো বাংলাদেশের জন্য সম্মান অর্জন করা এবং তাদের প্রতি যে অবিচার করা হয়েছে তার প্রতিকার করা।
নিরাপত্তা উদ্বেগের কারণ দেখিয়ে বাংলাদেশ সরকার তাদের দলকে ভারতে গিয়ে খেলার অনুমতি দেয়নি। এই সিদ্ধান্তের মূলে ছিলো বিসিসিআই কর্তৃক আইপিএল থেকে মুস্তাফিজুর রহমানকে সরিয়ে দেওয়া। পরবর্তীতে আইসিসি বোর্ডের ভোটাভুটিতে বাংলাদেশের পরিবর্তে স্কটল্যান্ডকে বিশ্বকাপে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। সে সময় নাকভি আইসিসির এই সিদ্ধান্তকে ‘দ্বিমুখী নীতি’ হিসেবে অভিহিত করে কড়া সমালোচনা করেছিলেন।
ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ বয়কটের হুমকি প্রসঙ্গে নাকভি আরও বলেন, আপনারা দেখেছেন বাংলাদেশ যা চেয়েছিলো তার সবই মেনে নেওয়া হয়েছে। আমাদের এখানে কোনো ব্যক্তিগত স্বার্থ ছিলো না। লোকে যা খুশি বলতে পারে, কিন্তু আমাদের পদক্ষেপ ছিলো কেবল বাংলাদেশের স্বার্থে। যখন তাদের দাবি মেনে নেওয়া হলো এবং এটা স্বীকার করা হলো যে তারা অন্যায়ের শিকার হয়েছিলো, তখনই আমরা আবার খেলার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।