• আন্তর্জাতিক

    বাংলাদেশের নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু করার আহ্বান জানিয়ে মার্ক রুবিওকে চিঠি মার্কিন কংগ্রেসম্যানদের

      প্রতিনিধি 31 January 2026 , 1:28:38 প্রিন্ট সংস্করণ

    ছবি: সংগৃহীত।
    ছবি: সংগৃহীত।
    বিজ্ঞাপন
    Main Banner Ads For Captains TV

    বাংলাদেশে আগামী ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য সাধারণ নির্বাচন যেন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরাপদ হয়, তা নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ সরকারের প্রতি সহায়তা এবং নিরপেক্ষ মনিটরিং দেয়ার জন্য মার্কিন ককাসের ডেপুটি প্রধান মার্ক রুবিওকে চিঠি লিখেছেন দুইজন মার্কিন সিনিয়র কংগ্রেসম্যান জো উইলসন এবং নাইল পাও। মঙ্গলবার( ২৭ জানুয়ারি) লিখা চিঠিতে তারা বলেন, এই নির্বাচন বাংলাদেশের ভবিষ্যতের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

    চিঠিতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট সামনে রেখে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের সক্রিয় ভূমিকা কামনা করেছেন মার্কিন কংগ্রেসের কয়েকজন সদস্য। ‘কংগ্রেশনাল বাংলাদেশ ককাস’-এর দ্বিদলীয় সহ-সভাপতিরা যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওকে চিঠিতে এ আহ্বান জানানো হয়।

    চিঠিতে বলা হয়, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশের ভোটাররা ব্যালটের মাধ্যমে নিজেদের মত প্রকাশ এবং দেশের ভবিষ্যৎ নির্ধারণের গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ পাবেন। অন্তর্বর্তী সরকারের নেয়া সংস্কারের ধারাবাহিকতায় এই নির্বাচন একটি ইতিবাচক অগ্রগতির সুযোগ তৈরি করেছে বলেও উল্লেখ করা হয়। কংগ্রেস সদস্যরা পররাষ্ট্র দপ্তরকে অন্তর্বর্তী সরকারের সঙ্গে সমন্বয় করে নির্বাচনকে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরাপদ করতে প্রয়োজনীয় সহায়তা দেয়ার অনুরোধ জানান।

    বিজ্ঞাপন

    চিঠিতে ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের গ্রহণযোগ্যতাকে বাংলাদেশের ভবিষ্যতের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে উল্লেখ করা হয়েছে। ২০২৪ সালে আন্দোলন গণঅভ্যুত্থানের প্রথমবার ভোট হতে যাচ্ছে বলে চিঠিতে বলা হয়। জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনারের কার্যালয়ের হিসাব অনুযায়ী, আন্দোলনের সময় নিরাপত্তা বাহিনীর হাতে এক হাজার চারশর বেশি মানুষ নিহত হন। এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর ২০১৮ ও ২০২৪ সালের সাধারণ নির্বাচনকে অবাধ ও সুষ্ঠু ছিল না বলেও চিঠিতে উল্লেখ করা হয়।

    বর্তমান পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ নাজুক অবস্থা ও অস্থিরতার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে বলে উদ্বেগ প্রকাশ করেন কংগ্রেস সদস্যরা। তাদের মতে, এই প্রেক্ষাপট লক্ষ্যভিত্তিক সহিংসতার ঝুঁকি বাড়াচ্ছে। সাম্প্রতিক সময়ে গণতন্ত্রপন্থী আন্দোলনের এক নেতার হত্যাকাণ্ড এবং এক শ্রমিককে জনতার হাতে পিটিয়ে হত্যার ঘটনাও তারা উল্লেখ করেন।

    চিঠিতে বলা হয়, আসন্ন নির্বাচন সহিংসতা ও প্রতিশোধের চক্র থেকে বেরিয়ে আসার একটি বড় সুযোগ। আইনের শাসন ও মৌলিক মানবাধিকারের প্রতি শ্রদ্ধাশীল সরকার গঠনের পথ সুগম করতে এ নির্বাচন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন হলে জবাবদিহিতা ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় প্রয়োজনীয় গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলো পুনর্গঠনে তা সহায়ক হবে বলেও তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

    আরও খবর

    Sponsered content

    বিজ্ঞাপন
    সর্বশেষ সংবাদ
    1:18 PM মঙ্গলবার খুলছে অফিস-আদালত ও ব্যাংক 1:05 PM নিউইয়র্কে রানওয়েতে প্লেন ও গাড়ির সংঘর্ষ, আহত ৪ 12:59 PM ঈদের পরে কী খাবেন? 12:52 PM পাবনায় বিএনপির দু’পক্ষে সংঘর্ষ, নিহত ১ 12:42 PM ওসমান হাদি হত্যায় জড়িত থাকার কথা অস্বীকার ফয়সালের 12:29 PM আজকের স্বর্ণের দাম: ২৩ মার্চ ২০২৬ 12:24 PM ইরান আগ্রাসনের বিপক্ষে যুক্তরাষ্ট্রের ৫৯% নাগরিক: জরিপ 12:18 PM ‘সহ অভিনেতার প্রেমে পড়তে ইচ্ছা করে’ 11:36 AM ইনকিলাব মঞ্চের ৬ দফা ঘোষণা 11:25 AM যেকোনো সময় বন্ধ হয়ে যেতে পারে সব পেট্রোল পাম্প