• অর্থনীতি

    ইতিহাসে প্রথমবার স্বর্ণের দাম আউন্সে ৫ হাজার ডলার ছাড়াল

      প্রতিনিধি 26 January 2026 , 12:28:25 প্রিন্ট সংস্করণ

    ছবি: সংগৃহীত।
    ছবি: সংগৃহীত।
    বিজ্ঞাপন
    Main Banner Ads For Captains TV

    ইতিহাসে এই প্রথম স্বর্ণের দাম প্রতি আউন্স ৫,০০০ মার্কিন ডলার ছাড়িয়ে গেছে। ২০২৫ সালে মূল্যবান এই ধাতুর দাম ৬০ শতাংশের বেশি বৃদ্ধি পাওয়ার পর এই ঐতিহাসিক রেকর্ড গড়ল বাজার।

    গ্রিনল্যান্ড নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ন্যাটোর মধ্যে তৈরি হওয়া উত্তেজনা এবং সেই সাথে আর্থিক ও ভূ-রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে স্বর্ণের এই দাম বাড়ল।

    এ ছাড়া মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বাণিজ্য নীতিও বাজারকে অস্থির করে তুলেছে। গত শনিবার তিনি হুমকি দিয়েছেন যে, কানাডা যদি চীনের সাথে কোনো বাণিজ্য চুক্তি করে, তবে দেশটির ওপর ১০০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করবে যুক্তরাষ্ট্র।

    অনিশ্চয়তার সময়ে বিনিয়োগকারীদের কাছে স্বর্ণ ও অন্যান্য মূল্যবান ধাতু সবসময়ই ‘নিরাপদ বিনিয়োগ’ বা সেফ-হেভেন হিসেবে পরিচিত। গত বছর রূপার দাম প্রায় ১৫০ শতাংশ বৃদ্ধি পাওয়ার পর, গত শুক্রবার ইতিহাসে প্রথমবারের মতো এর দাম প্রতি আউন্স ১০০ ডলার ছাড়িয়েছে।

    মূল্যবান ধাতুর এই আকাশচুম্বী চাহিদার পেছনে বেশ কিছু কারণ কাজ করছে। এর মধ্যে রয়েছে অস্বাভাবিক মূল্যস্ফীতি, মার্কিন ডলারের দুর্বল অবস্থান এবং বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলোর রিজার্ভ হিসেবে স্বর্ণ মজুদ করার প্রবণতা। এ ছাড়া মার্কিন ফেডারেল রিজার্ভ এ বছর আবারও সুদের হার কমাতে পারে- এমন প্রত্যাশাও বাজারকে প্রভাবিত করছে।

    বিজ্ঞাপন

    পাশাপাশি ইউক্রেন ও গাজা যুদ্ধ এবং অতি সম্প্রতি ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে ওয়াশিংটনের আটক করার ঘটনায় সৃষ্ট ভূ-রাজনৈতিক অস্থিরতা স্বর্ণের দাম বৃদ্ধিতে বড় ভূমিকা রেখেছে।

    স্বর্ণের আকাশচুম্বী জনপ্রিয়তার অন্যতম প্রধান কারণ হলো এর দুষ্প্রাপ্যতা। ওয়ার্ল্ড গোল্ড কাউন্সিলের তথ্য অনুযায়ী, মানব ইতিহাসের শুরু থেকে এ পর্যন্ত মাত্র ২ লাখ ১৬ হাজার ২৬৫ টনের মতো স্বর্ণ উত্তোলন করা সম্ভব হয়েছে।

    পরিমাণের দিক থেকে চিন্তা করলে, এই বিপুল পরিমাণ স্বর্ণ দিয়ে মাত্র তিন থেকে চারটি অলিম্পিক সাইজের সুইমিং পুল ভর্তি করা সম্ভব। খনি প্রযুক্তির অভাবনীয় উন্নতি এবং নতুন সব খনির সন্ধান পাওয়ায় উত্তোলিত এই স্বর্ণের বড় একটি অংশই মূলত ১৯৫০ সালের পর মাটির নিচ থেকে তোলা হয়েছে।

    এদিকে ইউএস জিওলজিক্যাল সার্ভের হিসাব অনুযায়ী, মাটির নিচে এখনো প্রায় ৬৪ হাজার টন স্বর্ণের মজুদ রয়েছে। তবে বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা, আগামী বছরগুলোতে স্বর্ণ সরবরাহের এই ধারা একটি নির্দিষ্ট পর্যায়ে গিয়ে থমকে যেতে পারে।

    এবিসি রিফাইনারির গ্লোবাল হেড অব ইনস্টিটিউশনাল মার্কেটস নিকোলাস ফ্রাপেল বলেন, ‘‘আপনার কাছে যখন স্বর্ণ থাকে, তখন সেটি অন্য কারো ঋণের ওপর নির্ভরশীল থাকে না; যেমনটা বন্ড বা শেয়ারের ক্ষেত্রে ঘটে। শেয়ারের ক্ষেত্রে কোনো প্রতিষ্ঠানের পারফরম্যান্সের ওপর আপনার বিনিয়োগের লাভ-ক্ষতি নির্ভর করে, কিন্তু স্বর্ণের ক্ষেত্রে বিষয়টি তেমন নয়।’’

    তিনি আরও যোগ করেন, ‘‘বর্তমান এই চরম অনিশ্চিত বিশ্বে বিনিয়োগের ঝুঁকি কমাতে স্বর্ণ একটি অত্যন্ত কার্যকর মাধ্যম।’’

    আরও খবর

    Sponsered content

    বিজ্ঞাপন
    সর্বশেষ সংবাদ
    4:13 PM সামনে দ্রব্যমূল্য আরও বাড়বে, এসব সয়েই এগিয়ে যেতে হবে: মির্জা ফখরুল 3:48 PM মঙ্গলবার খুলছে অফিস-আদালত ও ব্যাংক 3:32 PM আরব আমিরাতে মুষলধারে বৃষ্টি, বজ্রপাতে প্রাণহানির শঙ্কা 3:16 PM মেলানিয়া ট্রাম্পের আমন্ত্রণে যুক্তরাষ্ট্রে গেলেন ডা. জুবাইদা রহমান 3:03 PM দেশে পেট্রোল পাম্প বন্ধ হওয়ার কোনো সুযোগ নেই 2:48 PM চেলসির বয়সভিত্তিক দলে জাইমা রহমানের সুযোগ পাওয়ার খবর; কী বললেন ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী 1:18 PM মঙ্গলবার খুলছে অফিস-আদালত ও ব্যাংক 1:05 PM নিউইয়র্কে রানওয়েতে প্লেন ও গাড়ির সংঘর্ষ, আহত ৪ 12:59 PM ঈদের পরে কী খাবেন? 12:52 PM পাবনায় বিএনপির দু’পক্ষে সংঘর্ষ, নিহত ১