
প্রতিনিধি 9 February 2026 , 1:19:23 প্রিন্ট সংস্করণ

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে। এতে মোট ১৪ হাজার ৩৮৪ জন প্রার্থীকে নিয়োগের জন্য সাময়িকভাবে সুপারিশ করেছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর।
রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) রাত ১০টার দিকে অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে এই ফলাফল প্রকাশ করা হয়।
ফল দেখতে এখানে ক্লিক করুন।
ফলাফলের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, প্রার্থীদের লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় প্রাপ্ত নম্বরের ভিত্তিতে ‘সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক নিয়োগ বিধিমালা, ২০২৫’ অনুসরণ করে উপজেলাভিত্তিক মেধাক্রম অনুযায়ী এই তালিকা প্রণয়ন করা হয়েছে। তবে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ফলাফলে কোনো প্রকার ভুলভ্রান্তি বা মুদ্রণজনিত ত্রুটি পরিলক্ষিত হলে তা সংশোধন বা প্রয়োজনে বাতিল করার অধিকার অধিদপ্তর সংরক্ষণ করে।
এছাড়া কোনো প্রার্থী তথ্য গোপন করলে বা ভুল তথ্য প্রদান করলে তাঁর নির্বাচন বাতিল করা হবে বলেও সতর্ক করা হয়েছে।
নিয়োগের জন্য নির্বাচিত প্রার্থীদের আগামী ২২ থেকে ২৭ ফেব্রুয়ারির মধ্যে সংশ্লিষ্ট জেলার সিভিল সার্জন প্রদত্ত স্বাস্থ্যগত উপযুক্ততার সনদ এবং ডোপ টেস্ট রিপোর্ট জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে জমা দিতে হবে। স্বাস্থ্যগত সনদে কোনো দৈহিক বৈকল্য বা নিয়োগের অযোগ্যতা উল্লেখ থাকলে ওই প্রার্থী বিবেচিত হবেন না।

নির্বাচিত প্রার্থীদের আগামী ২২ ফেব্রুয়ারি থেকে ১ মার্চের মধ্যে প্রয়োজনীয় সকল মূল সনদসহ জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে সশরীরে উপস্থিত হতে হবে। যাচাইয়ের জন্য যা যা লাগবে:
সকল সনদের মূলকপি।
জাতীয় পরিচয়পত্র (NID)।
৩ কপি পূরণকৃত পুলিশ ভেরিফিকেশন ফরম।
সিভিল সার্জন প্রদত্ত স্বাস্থ্যগত সনদ ও ডোপ টেস্ট রিপোর্ট।
প্রযোজ্য ক্ষেত্রে কোটার সনদ।
বিজ্ঞপ্তিতে স্পষ্ট করা হয়েছে যে, পুলিশ ভেরিফিকেশন রিপোর্টে যদি কোনো প্রার্থীর পূর্ব কার্যকলাপ সন্তোষজনক না হয় কিংবা রাষ্ট্রবিরোধী বা জঙ্গি কার্যক্রমে লিপ্ত থাকার প্রমাণ পাওয়া যায়, তবে তিনি চাকরিতে অনুপযুক্ত বলে গণ্য হবেন। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাগজপত্র জমা দিতে বা উপস্থিত হতে ব্যর্থ হলে প্রার্থীর নির্বাচন বাতিল হয়ে যাবে।
গত ৯ জানুয়ারি দেশের ৬১টি জেলায় (তিন পার্বত্য জেলা বাদে) একযোগে এই নিয়োগের লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। ১৪ হাজার ৩৮৫টি পদের বিপরীতে আবেদন করেছিলেন ১০ লাখ ৮০ হাজার ৯৫ জন। পরীক্ষায় অংশ নেন ৮ লাখ ৩০ হাজার ৮৮ জন।
পরবর্তীতে ২১ জানুয়ারি লিখিত পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়, যেখানে ৬৯ হাজার ২৬৫ জন উত্তীর্ণ হন। এরপর ২৮ জানুয়ারি থেকে ৩ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত জেলা পর্যায়ে মৌখিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।
নির্বাচিত প্রার্থীরা প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় (mopme.gov.bd) এবং প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের (dpe.gov.bd) ওয়েবসাইট থেকে ফলাফল জানতে পারবেন।