...
  • জাতীয়

    ‘ইউরোপে বাংলাদেশী পণ্যের শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার অব্যাহত রাখার আহ্বান’

      প্রতিনিধি 1 February 2026 , 6:54:01 প্রিন্ট সংস্করণ

    প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে, ১ ফেব্রুয়ারি-যমুনায় ইউরোপীয় চেম্বার অব কমার্স ইন বাংলাদেশ (ইউরোচ্যাম) চেয়ারপার্সন নুরিয়া লোপেজের সাক্ষাত। ছবি: সংগৃহীত।
    বিজ্ঞাপন
    Main Banner Ads For Captains TV

    বাংলাদেশের বৃহত্তম রপ্তানি বাজার-ইউরোপীয় ইউনিয়নে (ইইউ) শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার অব্যাহত রাখতে দ্রুত মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) আলোচনা শুরুর আহ্বান জানিয়েছেন, প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় ইউরোপীয় চেম্বার অব কমার্স ইন বাংলাদেশ (ইউরোচ্যাম) চেয়ারপার্সন নুরিয়া লোপেজের সঙ্গে সাক্ষাতে তিনি এ আহ্বান জানান। বৈঠকে বাংলাদেশে নিযুক্ত ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলারও উপস্থিত ছিলেন।

    বৈঠকে বাংলাদেশে ইউরোপীয় বিনিয়োগ বাড়ানো, দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য সম্পর্ক আরও সহজ ও কার্যকর করা এবং ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ গড়ে তুলতে প্রয়োজনীয় সংস্কার নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। পাশাপাশি আসন্ন জাতীয় নির্বাচন এবং নির্বাচন পর্যবেক্ষণে আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক মোতায়েনের বিষয়টিও উঠে আসে।

    বিজ্ঞাপন

    ড. ইউনূস বলেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার সম্প্রতি জাপানের সঙ্গে একটি অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব চুক্তি (ইপিএ) সম্পন্ন করেছে। এর ফলে বিশ্বের চতুর্থ বৃহত্তম অর্থনীতির দেশটিতে ৭ হাজার ৩০০টিরও বেশি বাংলাদেশি পণ্যের শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার নিশ্চিত হয়েছে। আগামী বছরগুলোতে বর্তমান শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার শেষ হয়ে গেলে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় রপ্তানি বাজারে বিদ্যমান বাণিজ্য সুবিধা সুরক্ষিত রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে।

    ইউরোচ্যামের চেয়ারপার্সন নুরিয়া লোপেজ বলেন, স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) মর্যাদা থেকে উত্তরণের পর বাংলাদেশ ইইউতে তার বিদ্যমান বাণিজ্য সুবিধা হারাতে পারে। এ কারণে জরুরি ভিত্তিতে এফটিএ আলোচনা শুরু করা প্রয়োজন। একটি এফটিএ বাংলাদেশে আরও ইউরোপীয় বিনিয়োগ আকর্ষণ করবে, কর্মসংস্থান সৃষ্টি করবে এবং উন্নত পশ্চিমা বাজারে রপ্তানি বৃদ্ধিতে সহায়তা করবে। তিনি উদাহরণ হিসেবে ভারতের সঙ্গে ইইউর এফটিএ আলোচনা এবং ভিয়েতনামের স্বাক্ষরিত চুক্তির কথা উল্লেখ করেন।

    অপরদিকে, ইইউ রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলার বলেন, এলডিসি উত্তরণের পর বাংলাদেশের সঙ্গে ইইউর বাণিজ্যিক সম্পর্ক নতুনভাবে বিকশিত হবে, তবে তা ২০২৯ সালের আগে কার্যকর হবে না। তিনি প্রায় ২০ কোটি মানুষের একটি গুরুত্বপূর্ণ বাজার হিসেবে বাংলাদেশের কথা উল্লেখ করে বলেন, দেশটিতে ইউরোপীয় বিনিয়োগ ও প্রযুক্তি আনতে ইইউ দৃঢ় আগ্রহী। তিনি ২০২৬ সালে একটি ইইউ-বাংলাদেশ বিজনেস ফোরাম আয়োজনের প্রস্তুতির কথাও জানান। আমরা প্রাথমিক রাজনৈতিক সংকেত খুঁজছি, যাতে ইউরোপীয় কোম্পানিগুলো বাংলাদেশে আসতে উৎসাহিত হয়।

    আরও খবর

    Sponsered content

    বিজ্ঞাপন
    সর্বশেষ সংবাদ
    6:55 PM হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৭ শিশুর মৃত্যু 6:27 PM ভিসা বাতিল ইস্যুতে যা বললেন শায়খ আহমাদুল্লাহ 6:08 PM সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল আবুল হাসানের নিয়োগ বাতিল 5:57 PM দেশের শীর্ষ ২০ ঋণখেলাপির তালিকা সংসদে 5:50 PM দড়ি বেয়ে মসজিদে যাওয়া সেই প্রবীণ মুয়াজ্জিন আর নেই 5:15 PM মহানায়িকা সুচিত্রা সেনের জন্মদিন আজ 4:53 PM রজধানীতে কোকেনসহ ৭ মাদক কারবারিকে গ্রেফতার 4:40 PM ড. ইউনূসসহ সব উপদেষ্টার দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে আইনি নোটিশ 4:30 PM ট্রাইব্যুনালে হাসিনাসহ ২২ জনের বিরুদ্ধে গুমের অভিযোগ সাবেক যুবদল নেতার 4:15 PM সংরক্ষিত নারী আসন: বিএনপি ৩৬, জামায়াত ১৩, স্বতন্ত্র ১
    Seraphinite AcceleratorOptimized by Seraphinite Accelerator
    Turns on site high speed to be attractive for people and search engines.