
প্রতিনিধি 21 January 2026 , 6:29:21 প্রিন্ট সংস্করণ

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১৫ আসন থেকে নির্বাচন করবেন বিএনপি প্রার্থী শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন। ঢাকা-১৫ আসনটি ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের ০৪, ১৩, ১৪ ও ১৬ নং ওয়ার্ড (মিরপুর-কাফরুল) নিয়ে গঠিত। ঢাকা-১৫ হল বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের ৩০০টি নির্বাচনী এলাকার একটি।এটি ঢাকা শহরে অবস্থিত জাতীয় সংসদের ১৮৮নং আসন।
১৯৬৯ সালের ৯ ডিসেম্বর জন্ম নেওয়া শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন পেশায় একজন ব্যবসায়ি ও রাজনীতিবিদ। তিনি রাজধানীর পল্লবীর (মিরপুর) এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। শফিকুল ইসলামের পিতা মো. আব্দুল মালেক ও মাতা ফিরোজা বেগম । তার স্ত্রী সুলতানা রাজিয়া একজন গৃহিনী।
ঢাকা-১৫ (মিরপুর–কাফরুল) আসনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) মনোনীত প্রার্থী শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন দীর্ঘদিন ধরে রাজনীতির মাঠে সক্রিয়। ছাত্রজীবন থেকেই রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত মিল্টন ধাপে ধাপে তৃণমূল পর্যায়ের নেতৃত্ব গড়ে তুলে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছেন। তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সাবেক ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক।
বিএনপির অঙ্গসংগঠন যুবদলের মাধ্যমে তার রাজনৈতিক পথচলা শুরু। সাংগঠনিক দক্ষতা, নেতৃত্বগুণ এবং কর্মীদের প্রতি দায়িত্বশীল আচরণের কারণে অল্প সময়েই তিনি ঢাকা মহানগর যুবদলের গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পান। পরবর্তীতে তিনি যুবদলের সিনিয়র জয়েন্ট সেক্রেটারি ও ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন। এই সময় তিনি দলকে সংগঠিত করতে নানা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে দৃঢ় ভূমিকা রাখেন।

ঢাকা-১৫ আসনে বিএনপির রাজনীতি ও সাংগঠনিক কার্যক্রমকে শক্তিশালী করতে মিল্টনের ভূমিকা ছিল উল্লেখযোগ্য। মিরপুর ও কাফরুল এলাকার তৃণমূল নেতাকর্মীদের সঙ্গে তার নিবিড় সম্পর্ক রয়েছে। রাজনৈতিক আন্দোলন-সংগ্রামের পাশাপাশি তিনি সামাজিক ও জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডেও সক্রিয় ছিলেন। যুবসমাজকে সম্পৃক্ত করতে তিনি বিভিন্ন ক্রীড়া ও সামাজিক উদ্যোগ গ্রহণ করেন, যা এলাকায় ইতিবাচক সাড়া ফেলে। নির্বাচনী প্রচারণায় শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন নিয়মিত উঠান বৈঠক, গণসংযোগ ও পথসভা করে সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছাচ্ছেন। তিনি এলাকার নাগরিক সমস্যাগুলো – যেমন আবাসন সংকট, জলাবদ্ধতা, মাদক, বেকারত্ব ও নাগরিক সেবার দুরবস্থার কথা গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরছেন। তার বক্তব্যে উঠে আসছে একটি পরিকল্পিত, নিরাপদ ও বাসযোগ্য ঢাকা-১৫ গড়ে তোলার প্রত্যয়।
হলফনামার সম্পদের বিবরণ
নির্বাচন কমিশনে দাখিল করা হলফনামা বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, শফিকুল ইসলাম খান মিল্টনের ৫০টি মামলা দায়ের হয়। তবে ২০২৪ সালের পর সবগুলো মামলা থেকেই তিনি আদালতের মাধ্যমে অব্যাহতি বা খালাস পেয়েছেন।
নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত হলফনামায় মো. শফিকুল ইসলাম খান জানিয়েছেন, তার ব্যবসা থেকে বছরে আয় হয় ২৪ লক্ষ ৫৪ হাজার টাকা।
হলফনামায় আরও উল্লেখ করা হয়, বর্তমানে তার হাতে নগদ ৩০ হাজার ২৫৭ টাকা। ব্যাংকে তার নিজের নামে ১৫ লাখ ৫৮ হাজার ৬২ টাকা । মো. শফিকুল ইসলাম খানের নিজের নামে আছে ৩৯ লক্ষ ৯৭ হাজার ৫০০ টাকার একটি গাড়ি আছে। ঢাকাস্হ মিরপুর হাউজিং এ তার নিজের নামে ৫৫ লক্ষ টাকা সমপরিমাণের ২ টা অ্যাপার্টমেন্ট আছে।