• জাতীয়

    গভীর সমুদ্রে গবেষণা ও সমস্যা চিহ্নিত করতে গুরুত্বারোপ প্রধান উপদেষ্টার

      প্রতিনিধি 6 January 2026 , 4:00:39 প্রিন্ট সংস্করণ

    ছবি: সংগৃহীত।
    ছবি: সংগৃহীত।
    বিজ্ঞাপন
    Main Banner Ads For Captains TV

    গভীর সমুদ্রে গবেষণা ও সমস্যা চিহ্নিত করতে গুরুত্বারোপ করেছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় সামুদ্রিক মৎস্যসম্পদ ও ইকোসিস্টেম-সংক্রান্ত এক গবেষণা প্রতিবেদন জমা দেওয়ার সময় তিনি এ কথা বলেন।

    গবেষণা জাহাজ ‘আরভি ডক্টর ফ্রিডজফ ন্যানসেন’ কর্তৃক পরিচালিত এই জরিপ ও গবেষণা প্রতিবেদনটি প্রধান উপদেষ্টার কাছে হস্তান্তর করে এ সংক্রান্ত কমিটি।

    এসময় মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার, প্রধান উপদেষ্টার আন্তর্জাতিক বিষয়ক বিশেষ দূত লুৎফে সিদ্দিকী, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউট অব মেরিন সায়েন্সেস-এর অধ্যাপক সায়েদুর রহমান চৌধুরী ও মৎস্য অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক ড. মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন উপস্থিত ছিলেন।

    গত বছরের ২১ আগস্ট থেকে ২১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এ জরিপ চালানো হয়। আট দেশের ২৫ জন বিজ্ঞানী এ জরিপ পরিচালনা করেন, যার মধ্যে ১৩ জন বাংলাদেশের।

    অধ্যাপক সায়েদুর রহমান বৈঠকে গবেষণা-সংক্রান্ত তথ্য উপাত্ত তুলে ধরেন। তিনি জানান, নতুন ৬৫ প্রজাতির জলজ প্রাণির অস্তিত্ব এই গবেষণায় পাওয়া গেছে।

    তিনি বলেন, বাংলাদেশে গভীর সমুদ্রে জেলি ফিশের আধিক্য মাত্রাতিরিক্ত বেড়ে গেছে। এটা ইমব্যালেন্সের লক্ষণ। ওভারফিশিংয়ের কারণে এটি হয়েছে। এছাড়া দুই হাজার মিটার গভীরতায়ও প্লাস্টিক পাওয়া গেছে যা গভীর উদ্বেগের বলে জানান তিনি।

    বিজ্ঞাপন

    ২০১৮ সালের এক গবেষণার সাথে তুলনায় দেখা গেছে, গভীর সমুদ্রে বড় বড় মাছ কমে যাচ্ছে। স্বল্প গভীরে সমুদ্রে আশঙ্কাজনকভাবে মাছ কমছে।

    জানা গেছে, ২৭০ থেকে ২৮০টি বড় ফিশিং ট্রলার গভীর সমুদ্রে মৎস্য আহরণ করে থাকে। এরমধ্যে ৭০টি ট্রলার ‘সোনার’ (Sonar) ব্যবহার করে ‘টার্গেটেড ফিশিং’ করছে। এটি অত্যন্ত আগ্রাসী পদ্ধতি। ফলে গভীর সমুদ্রে বড় মাছ যারা ধরেন, তাদের লাভ হলেও যারা স্বল্প গভীর পানিতে মাছ ধরেন তারা ক্ষতির মুখে পড়ছেন।

    এ প্রসঙ্গে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার বলেন, এভাবে টার্গেটেড ফিশিং হলে বঙ্গোপসাগর মাছশূন্য হয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। ‘সোনার ফিশিং’ নিয়ে সরকার সিদ্ধান্ত নেবে।

    এ ছাড়া বাংলাদেশে ডিপ সি ফিশিংয়ের টুনা মাছের আধিক্য পাওয়া গেছে এবং এর সম্ভাবনাও আছে বলেও গবেষণায় উঠে এসেছে। গবেষণায় সুন্দরবনের নিচে একটি ফিশিং নার্সারি পাওয়া গেছে, যা সংরক্ষণের জন্য সরকারের পক্ষ থেকে ইতোমধ্যেই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, আমাদের দেশের স্থলভাগ যতটুকু তার সমপরিমাণ অঞ্চল জলভাগেও আছে। কিন্তু এই সম্পদগুলো আমরা ঠিকমতো কাজে লাগাতে পারিনি; এমনকি সম্পদের পরিমাণ কী, সম্ভাবনা কেমন তাও জানতে পারিনি। আমাদের এ সম্পদকে ভালোভাবে কাজে লাগাতে হবে। সেজন্য পর্যাপ্ত গবেষণা, পলিসি সাপোর্ট প্রয়োজন হবে।

    বৈঠকে জানানো হয়েছে, যুক্তরাজ্যের রয়্যাল নেভির একটি বহুমুখী হাইড্রোগ্রাফিক ও ওশেনোগ্রাফিক সার্ভে ভেসেল এইচএমএস এন্টারপ্রাইজ বর্তমানে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর কাছে হস্তান্তরের প্রক্রিয়ায় রয়েছে। ভেসেলটি সমুদ্রের তলদেশ, গভীরতা এবং অন্যান্য সামুদ্রিক তথ্য সংগ্রহ করবে, যা বাংলাদেশের সামুদ্রিক গবেষণা ও সক্ষমতা বৃদ্ধিতে সহায়ক হবে।

    আরও খবর

    Sponsered content

    বিজ্ঞাপন
    সর্বশেষ সংবাদ
    8:08 AM টিভিতে আজকের খেলা (১৬ জানুয়ারি, ২০২৬) 7:47 AM খালেদা জিয়ার সংগ্রামী জীবন নিয়ে আলোকচিত্র প্রদর্শনী আজ 7:39 AM আজ ফের মাঠে ফিরছে বিপিএল 7:33 AM গাজায় যুদ্ধবিরতিতেও থামছে না ইসরায়েলি হামলা 7:54 PM যমুনায় প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে তারেক রহমানের সাক্ষাৎ 7:17 PM সিইসি-বিএনপি বৈঠক: ব্যালটে ধানের শীষ প্রতীকের অবস্থান নিয়ে আলোচনা 6:56 PM মন গলেনি ক্রিকেটারদের! অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত বিপিএল 6:55 PM মধ্যপ্রাচ্যে বিমানবাহী রণতরী পাঠাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র 6:29 PM জেলায় জেলায় যাচ্ছেন উপদেষ্টারা 6:17 PM ২১ এপ্রিল এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু