• জাতীয়

    ডিবি হেফাজত থেকে ছাড়া পেলেন সাংবাদিক সোহেল

      প্রতিনিধি 19 November 2025 , 11:33:45 প্রিন্ট সংস্করণ

    ছবি: সংগৃহীত।
    ছবি: সংগৃহীত।
    বিজ্ঞাপন
    Main Banner Ads For Captains TV

    অনলাইন এডিটরস অ্যালায়েন্সের সেক্রেটারি ও দৈনিক ভোরের কাগজের অনলাইন প্রধান মিজানুর রহমান সোহেলকে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে ছেড়ে দিয়েছে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।

    বুধবার (১৯ নভেম্বর) সকাল সোয়া ১০টার দিকে তার স্ত্রী সুমাইয়া সীমার জিম্মায় তাকে ছেড়ে দেয়া হয়।

    এ ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে দীর্ঘ পোস্ট শেয়ার করে সাংবাদিক মিজানুর রহমান লেখেন, আলহামদুলিল্লাহ। বিনা অপরাধে প্রায় সাড়ে ১০ ঘণ্টা ডিবি হেফাজতে থাকার পর তারা আমাকে সসম্মানে মাত্র বাসায় পৌঁছে দিয়েছে। গত রাত ১২টার দিকে ডিবি প্রধান আমার সঙ্গে কথা বলবেন, এই অজুহাতে ৫/৬ জন ডিবি সদস্য জোর করে আমাকে বাসা থেকে তুলে নিয়ে যায়। ডিবিতে নিয়ে আসামির খাতায় আমার নাম লেখা হয়। জুতা-বেল্ট খুলে রেখে গারদে আসামিদের সাথে আমাকে রাখা হয়। কিন্তু কেন আমাকে আটক করা হলো? তা আমি যেমন জানতাম না, তেমনি যারা আমাকে তুলে এনেছিলেন বা ডিবির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও কিছু বলতে পারেননি।

    তিনি আরও লেখেন, দীর্ঘ সময় পর বুঝতে পারলাম, সরকারের একজন উপদেষ্টার ইশারায় মাত্র ৯ জন মোবাইল ফোন ব্যবসায়ীকে মনোপলি ব্যবসা করার সুযোগ দেয়ার জন্যই আমাকে আটক করা হয়েছিল। আমার সাথে সংগঠনের সেক্রেটারি আবু সাঈদ পিয়াসকেও আটক করা হয়। তিনি এখনও ডিবি কার্যালয়ে আছেন।

    বিজ্ঞাপন

    সোহেল আরও লেখেন,(বুধবার) ন্যাশনাল ইক্যুইপমেন্ট আইডেন্টিফিকেশন রেজিস্টার (এনইআইআর) নিয়ে ডিআরইউতে মোবাইল হ্যান্ডসেট ব্যবসায়ীদের সংগঠন বিজনেস কমিউনিটি বাংলাদেশ (এমবিসিবি)-এর প্রেস কনফারেন্স করার কথা ছিল। আমি সেখানে ছিলাম মিডিয়া পরামর্শক। সেই প্রেস কনফারেন্স বন্ধ করাই তাদের প্রধান টার্গেট ছিল। কিন্তু তাদের জন্য আফসোস, যে উদ্দেশ্যে তারা প্রেস কনফারেন্স বন্ধ করতে চাইলো সেটা দেশের সবাই জেনে গেলো।

    দেশের মুক্ত বাণিজ্য নীতির সঙ্গে এনইআইআর স্পষ্টতই সাংঘর্ষিক উল্লেখ করে এই সাংবাদিক লেখেন, প্রতিযোগিতা নিশ্চিত করতে দেশে প্রতিযোগিতা কমিশনও রয়েছে। অথচ মাত্র ৯ জন ব্যবসায়ীকে সুবিধা দিতে সারাদেশে ২৫ হাজার মোবাইল ফোন ব্যবসায়ীকে পথে বসানোর গভীর চক্রান্ত চলছে। এই প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে গ্রামের সাধারণ মানুষ, প্রবাসীসহ অনেকেই বিপদে পড়বেন। একটা চেইন ভেঙে পড়বে। অনেক ব্যবসায়ী পথে বসে যাবে। জেনে রাখা ভালো, এই ৯ জনের একজন ওই উপদেষ্টার স্কুল-বন্ধু।

    একটা ব্যবসায়ী সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে কথা বললে সরকার কেন ভয় পায় প্রশ্ন রেখে তিনি বলেন, শুধুমাত্র প্রেস কনফারেন্স বন্ধ করতেই কি আমাকে গভীর রাতে জোর করে তুলে নিতে হলো? যারা মুখে ‘বাকস্বাধীনতা’র বুলি আওড়ান, তারাই কি আমাকে বাকরুদ্ধ করতে এই আয়োজন করলেন? মগের মুল্লুকে এই কি তবে বাকস্বাধীনতার বাস্তব চিত্র?

    আরও খবর

    Sponsered content

    বিজ্ঞাপন
    সর্বশেষ সংবাদ
    12:47 PM প্রাথমিকে ২ লাখ শিক্ষার্থীকে স্কুল ড্রেস বিতরণের ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর 12:33 PM চীন সফরে যাচ্ছে বিএনপির ২০ সদস্যের প্রতিনিধিদল 12:17 PM সংরক্ষিত নারী আসনে তপশিল ঘোষণা 12:08 PM যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পর তেলের দরপতন, শেয়ারবাজার ঊর্ধ্বমুখী 11:46 AM পাটগ্রাম সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি নিহত 11:34 AM দুপুরে দিল্লিতে বৈঠকে বসছেন খলিলুর-জয়শঙ্কর 11:20 AM হরমুজ প্রণালি ব্যবহারের জন্য টোল নেবে ইরান ও ওমান 6:17 PM ইরানে রেলসেতুতে ইসরায়েলি বিমান হামলা, নিহত ২ 5:23 PM ৪৭তম বিসিএস লিখিত পরীক্ষার ফল প্রকাশ, উত্তীর্ণ ৩৬৩১ 5:08 PM ফের বাড়ল জেট ফুয়েলের দাম