
প্রতিনিধি 12 April 2026 , 3:12:12 প্রিন্ট সংস্করণ

ঢাকার আগারগাঁওয়ে জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি জাদুঘর প্রাঙ্গণে এক ভিন্নরকম আবহ। রবিবার সকাল। উৎসবের আমেজ। শিক্ষার্থী, গবেষক, কূটনীতিক- সবার উপস্থিতি।
মানব ইতিহাসের এক গৌরবময় অধ্যায়কে স্মরণ করে উন্মোচিত হলো ইউরি গাগারিন-এর ভাস্কর্য। উদযাপন করা হলো প্রথম মানব মহাকাশযাত্রার ৬৫ বছর।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন বাংলাদেশে নিযুক্ত রাশিয়ার রাষ্ট্রদূত আলেকজান্ডার খোজিন। তিনি বলেন, গাগারিন শুধু একজন নভোচারী নন। তিনি মানবতার প্রতীক। তাঁর ভাষায়, বিজ্ঞান সীমান্ত মানে না। মহাকাশ অনুসন্ধান মানুষের সম্মিলিত স্বপ্ন।


রাশিয়ান ফ্রেন্ডশিপ সোসাইটি উইথ বাংলাদেশের সভাপতি মিয়া সাত্তার বলেন, এই ভাস্কর্য শুধু স্মৃতিচিহ্ন নয়। এটি ভবিষ্যতের প্রতীক। দুই দেশের বন্ধুত্ব দিন দিন গভীর হচ্ছে।
বিজ্ঞান, শিক্ষা ও সংস্কৃতিতে বাড়ছে সহযোগিতা। তিনি বলেন, এই উদ্যোগ তরুণদের অনুপ্রাণিত করবে। নতুন প্রজন্ম মহাকাশ গবেষণায় আগ্রহী হবে।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রাশিয়ান হাউজ ঢাকার পরিচালক আলেকজান্দ্রা খ্লেভনয় এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি জাদুঘরের মহাপরিচালক মুনিরা সুলতানা-সহ অনেকে।
আলোচকদের বক্তব্যে উঠে আসে এক অভিন্ন বার্তা- বন্ধুত্ব, সহযোগিতা এবং অগ্রগতি। রাশিয়ান ফ্রেন্ডশিপ সোসাইটি উইথ বাংলাদেশ, রাশিয়ান অ্যাসোসিয়েশন ফর ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন ও রাশিয়ান হাউস এর যৌথ উদ্যোগে আয়োজনটি পায় বিশেষ মাত্রা।
অনুষ্ঠানে উঠে আসে বড় এক সম্ভাবনার কথা। বাংলাদেশ থেকেও একদিন নভোচারী যাবে মহাকাশে। রাশিয়ার পক্ষ থেকে এমন একটি প্রস্তাবের ইঙ্গিত দেওয়া হয়। এটি উপস্থিত সবার মধ্যে সৃষ্টি করে নতুন আশাবাদ।
ভাস্কর্যটি এখন শুধু একটি শিল্পকর্ম নয়। এটি একটি বার্তা। বিজ্ঞানচর্চা বাড়ানোর বার্তা। সীমা ভাঙার বার্তা। স্বপ্ন দেখার বার্তা। হয়তো কোনো একদিন- এই জাদুঘরের উঠোন থেকেই কোনো তরুণের মনে জন্ম নেবে মহাকাশে যাওয়ার স্বপ্ন।