
প্রতিনিধি 1 March 2026 , 6:00:02 প্রিন্ট সংস্করণ

মসজিদুল আকসা প্রাঙ্গণে এশা ও তারাবির নামাজ আদায়ে বাধা দিয়েছে ইসরায়েলি পুলিশ। যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের ইরান হামলার পর ঘোষিত জরুরি অবস্থার অজুহাতে শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় এ নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়। রোববার (১ মার্চ) এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানিয়েছে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম-আল জাজিরা।
প্রতিবেদনে বলা হয়, ভোরে শুরু হওয়া মার্কিন-ইসরায়েলি হামলার প্রেক্ষাপটে শনিবার জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা হয়। এরই ধারাবাহিকতায় এদিন আকসা প্রাঙ্গণে এশা ও তারাবির জামাত বন্ধ করে দেয় ইসরায়েলি পুলিশ। ইসলামিক ওয়াক্ফ বিভাগের সূত্র আল জাজিরাকে জানায়, মসজিদের ইমাম শায়খ ইউসুফ আবু আসনিনা, পরিচালক শায়খ ওমর আল-কিসওয়ানি এবং ওয়াক্ফ বিভাগের অল্প কয়েকজন কর্মচারী সীমিত পরিসরে নামাজ আদায় করেন।

অপরদিকে, জেরুজালেম গভর্নরেট জানিয়েছে, চলতি রমজান শুরুর পর থেকে মসজিদুল আকসায় তারাবির নামাজে ৩৫ হাজার থেকে এক লাখ মুসল্লি অংশ নিয়েছেন। তবে জরুরি অবস্থার অজুহাতে শনিবার অন্যান্য নামাজের মতো তারাবিও বন্ধ করে দেয়া হয়। এদিকে ইসরায়েলের চ্যানেল ১২ জানিয়েছে, নিরাপত্তা পরিস্থিতির অজুহাতে রমজান মাসজুড়ে আকসা বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছে হোম ফ্রন্ট কমান্ড।
শনিবার জোহরের আজানের আগে জেরুজালেমের বাসিন্দা ও ভেতর ফিলিস্তিনি অঞ্চল থেকে আগত মুসল্লিসহ ওয়াক্ফ কর্মীদের মসজিদ থেকে বের করে দেয়া হয়। কেবল আকসার প্রহরীদের দায়িত্ব পালনের অনুমতি দেয়া হয়। পরে দখলদার পুলিশের নির্দেশে মসজিদের সব ফটক বন্ধ করে দেয়া হয়।
উল্লেখ্য: জরুরি অবস্থা ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গেই ইসরায়েলি হোম ফ্রন্ট কমান্ড -পূর্ণ কার্যক্রম থেকে শুধু প্রয়োজনীয় কার্যক্রমে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। ফলে দেশজুড়ে শিক্ষা কার্যক্রম স্থগিত, জনসমাগম নিষিদ্ধ এবং অত্যাবশ্যক কর্মী ছাড়া কর্মস্থলে যাতায়াত বন্ধ করা হয়। একই নির্দেশনা আকসা প্রাঙ্গণেও কার্যকর করা হয়, যদিও এটি জর্ডানভিত্তিক ইসলামিক ওয়াক্ফ কর্তৃপক্ষের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত।