
প্রতিনিধি 13 January 2026 , 5:58:15 প্রিন্ট সংস্করণ

প্রোটিন-ফাইবার এবং পুষ্টির একটি চমৎকার উৎস মটরশুঁটি। শীতের মৌসুমে মটরশুঁটি পাওয়া যায়। এটি খেতেও সুস্বাদু। এটি শিম জাতীয় এবং চিনাবাদামের মতো একই পরিবারের অন্তর্ভুক্ত। জেনে নিন-মটরশুঁটি খাওয়ার উপকারিতা
মটরশুঁটির পুষ্টিগুণ: এর পুষ্টিগুণ নির্ভর করে আপনি কীভাবে তা প্রস্তুত করেন তার উপর। উদাহরণস্বরূপ, মাখন বা তেল দিয়ে মটরশুঁটি রান্না করলে চর্বি বৃদ্ধি পায়। সেদ্ধ করার চেয়ে ভাপিয়ে বেশি পুষ্টি সংরক্ষণ করা যায়। এমনকি কাঁচা মটরশুঁটিও খেতে পারেন।
অপরদিকে, লবণ ছাড়া এক কাপ সেদ্ধ মটরশুঁটিতে ১৩৪ ক্যালোরি থাকে। এতে স্বাস্থ্যকর পুষ্টি উপাদান হলো: ৪১ মাইক্রোগ্রাম ভিটামিন-কে, ১০১ মাইক্রোগ্রাম ফোলেট, ২৩ মিলিগ্রাম ভিটামিন-সি, ২ মিলিগ্রাম জিঙ্ক, ৬২ মিলিগ্রাম ম্যাগনেসিয়াম, ২ দশমিক ৫ মিলিগ্রাম আয়রন।

এর স্বাস্থ্য উপকারিতা: শরীরকে শক্তিশালী করে মটরশুঁটি। প্রতি কাপে ৮ গ্রাম প্রোটিন থাকে। এটি উদ্ভিজ্জ প্রোটিনের একটি দুর্দান্ত উৎস। যারা নিরামিষ খাবার খান, তাদের জন্য মটরশুঁটি প্রোটিনের একটি ভালো উৎস হতে পারে। মটরশুঁটির প্রোটিন মাংস-ভিত্তিক প্রোটিন উৎসের তুলনায় হজম করা সহজ।
অন্ত্রের স্বাস্থ্য ভালো রাখে: এক কাপ রান্না করা মটরশুঁটিতে প্রায় ৯ গ্রাম ফাইবার থাকে। এই ফাইবারের বেশিরভাগই অদ্রবণীয়, যা মল বৃদ্ধি করে। প্রতিদিন পর্যাপ্ত ফাইবার গ্রহণ করলে যন্ত্রণাদায়ক কোষ্ঠকাঠিন্য প্রতিরোধ করা যায়।
প্রদাহের বিরুদ্ধে লড়াই: মটরশুঁটি উদ্ভিদ-ভিত্তিক ফাইটোনিউট্রিয়েন্ট এবং পলিফেনল দিয়ে ভরা থাকে। এই পুষ্টিগুলো প্রচুর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সুবিধা প্রদান করে। অ্যান্টিঅক্সিডেন্টগুলো হলো শরীরের ফ্রি র্যাডিকেলের বিরুদ্ধে প্রতিরক্ষা।