• জাতীয়

    দক্ষ যুবশক্তিই হবে সমৃদ্ধির চাবিকাঠি: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

      প্রতিনিধি 7 June 2026 , 6:52:13 প্রিন্ট সংস্করণ

    প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
    বিজ্ঞাপন
    Main Banner Ads For Captains TV

    সনদনির্ভর ঔপনিবেশিক শিক্ষার চেনা বৃত্ত থেকে বেরিয়ে এসে দেশকে একটি আধুনিক, জ্ঞান ও মেধাভিত্তিক রাষ্ট্রে রূপান্তরের ডাক দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। যুগের চাহিদা মেটাতে প্রথাগত প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার চেয়ে দক্ষতা ও প্রযুক্তিনির্ভর বাস্তবমুখী শিক্ষাকে অগ্রাধিকার দেওয়ার ওপর জোর দিয়েছেন তিনি। এই সমাজ পরিবর্তনের লড়াইয়ে শিক্ষকদের অগ্রদূত ও রোল মডেল হিসেবে সমুখপানে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন সরকারপ্রধান। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘দেশের ছাত্র ও যুবশক্তিকে প্রযুক্তিতে দক্ষ মানবসম্পদে রূপান্তর করতে পারলে সমৃদ্ধ ও স্বনির্ভর বাংলাদেশ বিশ্বের রোল মডেল হবে।’

    রোববার (৭ জুন) সকালে বাংলাদেশ চীন-মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় আয়োজিত ‘কর্মমুখী ও টেকনিক্যাল শিক্ষা বিষয়ে শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ’ কার্যক্রমের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রযুক্তিগত জ্ঞান অর্জনের পাশাপাশি দেশের আবহমানকালের ধর্মীয় সামাজিক নৈতিক মূল্যবোধে নিজেদের সমৃদ্ধ করতে হবে। বাংলা এবং ইংরেজির পাশাপাশি তৃতীয় আরেকটি ভাষা শিখতে পারলে দেশ-বিদেশে কোথাও চাকরির অভাব হবে না। জনগণের কাছে দায়বদ্ধ এই সরকার একটি জ্ঞান ও মেধাভিত্তিক রাষ্ট্র এবং সমাজ গড়তে চায়।

    বিজ্ঞাপন

    প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশে সনদনির্ভর শিক্ষার পরিবর্তে দক্ষতাভিত্তিক, প্রযুক্তিনির্ভর এবং বাস্তব ও কর্মমুখী শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, জ্ঞান ও মেধাভিত্তিক সমাজ গঠনের মূল ভিত্তি হলো এমন একটি পরিবেশ তৈরি করা, যেখানে শিক্ষা, গবেষণা, মেধা, যোগ্যতা এবং সৃজনশীলতা সর্বোচ্চ গুরুত্ব পাবে। চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের এই যুগে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ও অটোমেশনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রচলিত শিক্ষা কারিকুলামকে আধুনিক ও সময়োপযোগী করার কোনো বিকল্প নেই।

    একটি জ্ঞানভিত্তিক রাষ্ট্র ও সমাজ গড়ে তোলার ওপর জোর দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘দেশের স্বাধীনতা এবং মুক্তিযুদ্ধ অর্জন থেকে শুরু করে আজ পর্যন্ত ইতিহাসের প্রতিটি বাঁকে যেসব সাহসী মানুষ গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা এবং দেশ ও জনগণের স্বাধীনতা রক্ষায় আত্মত্যাগ করেছেন, তাঁদের অবদানকে সম্মান জানাতে আমাদের শিক্ষাদীক্ষায়, জ্ঞানে-বিজ্ঞানে ও প্রযুক্তিতে নিজেদের প্রস্তুত করতে হবে। অন্যথায় বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় টিকে থাকা কষ্টকর হবে।’

    উচ্চশিক্ষা বিস্তারে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অবদানের কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সারা দেশে ২ হাজারের বেশি অধিভুক্ত কলেজে বর্তমানে ৪০ লাখের বেশি শিক্ষার্থী অধ্যয়ন করছেন। উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থাপনার সংকট নিরসন এবং সবার জন্য শিক্ষার সুযোগ নিশ্চিত করতে সাবেক প্রধানমন্ত্রী মরহুমা খালেদা জিয়া ১৯৯২ সালে এই বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। দেশের আধুনিক ও প্রযুক্তিনির্ভর উচ্চশিক্ষা বিস্তারে প্রতিষ্ঠানটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে।’

    আরও খবর

    Sponsered content

    বিজ্ঞাপন
    সর্বশেষ সংবাদ
    6:52 PM দক্ষ যুবশক্তিই হবে সমৃদ্ধির চাবিকাঠি: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান 6:41 PM রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় দুজনের মৃত্যুদণ্ড 6:10 PM বিশ্বকাপের আগেই ধাক্কা আর্জেন্টিনা শিবিরে 5:10 PM ১৫ বছরেই জাতীয় দলে বৈভব সূর্যবংশী, ইতিহাসের হাতছানি 4:58 PM নতুন সরকারের প্রথম বাজেট অধিবেশন বসছে রোববার 4:46 PM সোহিনীর মা হওয়ার গুঞ্জনে সরগরম নেটদুনিয়া 4:17 PM আর্জেন্টিনা-হন্ডুরাস ম্যাচ যেভাবে দেখা যাবে 3:42 PM ‘কাট’ বলার পরও ছাড়েননি অভিনেতা, হেনস্তার অভিযোগ আনলেন নায়িকা 3:32 PM জন্ম এক দেশে, খেলছেন অন্য দেশের হয়ে 3:27 PM আইসিসির প্রতিনিধিদের বাংলাদেশ সফর নিয়ে মুখ খুললেন তামিম