
প্রতিনিধি 10 February 2026 , 1:54:30 প্রিন্ট সংস্করণ

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের আগে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৩৪ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ৯ ফেব্রুয়ারি দিন শেষে দেশের গ্রস রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ৩৪.০৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) বিপিএম–৬ হিসাব পদ্ধতিতে রিজার্ভের পরিমাণ ২৯.৪৮ বিলিয়ন ডলার।
বাংলাদেশ ব্যাংক জানায়, প্রবাসী আয়ের শক্তিশালী প্রবাহ রিজার্ভ বাড়ার প্রধান কারণ। চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে প্রবাসীরা দেশে ৩.১৭ বিলিয়ন ডলার পাঠিয়েছেন। ফেব্রুয়ারিতেও এই প্রবণতা অব্যাহত রয়েছে; মাসটির প্রথম ৮ দিনেই প্রবাসীরা প্রায় ১ বিলিয়ন ডলার বৈদেশিক মুদ্রা পাঠিয়েছেন। এতে বাজারে ডলারের সরবরাহ বেড়েছে।

ডলারের সরবরাহ বাড়ায় ব্যাংকগুলোতে উদ্বৃত্ত তৈরি হয়েছে এবং ডলারের দাম কমে যাওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। বাজারে স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর কাছ থেকে ডলার কিনছে। সোমবার ১৯টি ব্যাংক থেকে ২০ কোটি ৯০ লাখ মার্কিন ডলার কেনা হয় মাল্টিপল প্রাইস অকশন পদ্ধতিতে, যেখানে এক্সচেঞ্জ রেট ও কাট-অফ রেট ছিল প্রতি ডলার ১২২ টাকা ৩০ পয়সা।
চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরে এখন পর্যন্ত কেন্দ্রীয় ব্যাংক মোট ৪.৭৩ বিলিয়ন ডলার কিনেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান বলেন, বর্তমানে বাজারে ডলারের চাহিদার তুলনায় সরবরাহ বেশি। ডলারের দাম অস্বাভাবিকভাবে কমে গেলে প্রবাসী আয় ও রপ্তানি খাত ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে, তাই বাজারের ভারসাম্য রক্ষায় ডলার কেনা হচ্ছে। একই সঙ্গে এর ফলে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভও আরও শক্তিশালী হচ্ছে।